৩০০+ বেইমান মানুষ নিয়ে উক্তি, প্রতারক ও বিশ্বাসঘাতক মানুষকে নিয়ে কষ্টের কথা
বেইমান মানুষ জীবনে এমন এক অভিজ্ঞতার নাম, যা মানুষকে হাসতে হাসতে কাঁদতে শেখায়। যাদের একসময় নিজের চেয়েও বেশি বিশ্বাস করেছিলাম, কখনো কখনো তারাই স্বার্থের টানে বিশ্বাসের হাত ছেড়ে দেয়। কেউ ভালোবাসার আড়ালে প্রতারণা করে, কেউ বন্ধুত্বের মুখোশ পরে বিশ্বাসঘাতকতা করে, আবার কেউ আপনজন হয়েও পর করে দেয়। তাই বেইমান মানুষ নিয়ে উক্তি, স্ট্যাটাস ও ক্যাপশন শুধু কিছু শব্দের সমষ্টি নয়, বরং জীবনে ঠকে যাওয়া মানুষের না বলা কষ্টের প্রতিচ্ছবি। এই লেখায় থাকছে বেইমান, স্বার্থপর, প্রতারক ও বিশ্বাসঘাতক মানুষদের নিয়ে গভীর কাব্যিক কিছু উক্তি, যা আপনার মনের জমে থাকা অনুভূতিগুলো প্রকাশ করতে সাহায্য করবে।
আর থাকছে আপনার জন্য ২৪০+ বেইমান মানুষ নিয়ে , স্ট্যাটাস ও ক্যাপশন: বেইমান ও স্বার্থপর মানুষ নিয়ে কষ্টের কথা
বেইমান মানুষ নিয়ে উক্তি
যাকে ভেবেছিলাম হৃদয়জুড়ে বসন্তের ফুল,
সেই মানুষই ভেঙে দিল বিশ্বাসের সব ভুল।
বুকের ভেতর যত্ন করে রেখেছিলাম যারে,
সেই মানুষই অচেনা হলো আঁধার নামার পরে।
বিশ্বাস দিয়ে গড়েছিলাম ভালোবাসার ঘর,
বেইমানির ঝড়ে আজ সেই মানুষটাই পর।
তোমার চোখে খুঁজেছিলাম মায়াভরা এক আলো,
সেই চোখেই দেখেছি শেষে অভিনয়ের কালো।
আপন ভেবে যার হাতে তুলে দিয়েছিলাম মন,
সেই মানুষই ভেঙে দিল আমার সুখের জীবন।
যে মানুষটা বলেছিল থাকবে সারাজীবন পাশে,
আজ সে অন্য কারো স্বপ্ন হয়ে ভালোবাসে।
মিথ্যে কথার ফুল ফুটিয়ে সাজিয়েছিলে বাগান,
সত্যি যখন সামনে এলো থেমে গেল গান।
তোমার দেওয়া স্মৃতিগুলো আজও বুকে বাজে,
অথচ তুমি হারিয়ে গেলে অন্য কারো মাঝে।
যাকে ভেবে রাত জেগেছি হাজার অভিমান নিয়ে,
সেই মানুষই চলে গেল সব মায়া ছিঁড়ে দিয়ে।
ভালোবাসার নামে তুমি করেছিলে ছলনা,
আজও তোমায় ভুলতে গিয়ে বাড়ে যন্ত্রণা।
তোমার কাছে হৃদয় ছিল খেলনারই মতো,
আমার কাছে তুমি ছিলে জীবনের সবকিছু।
যে হাত ধরে স্বপ্ন দেখেছি হাজার রঙের ভোর,
সেই হাত আজ ছেড়ে দিয়ে বাড়িয়েছে দূর।
মায়ার বাঁধন ছিঁড়ে তুমি চলে গেলে দূরে,
আমার বুকের কান্নাগুলো বাজে নীরব সুরে।
যাকে নিয়ে লিখেছিলাম ভালোবাসার গান,
সেই মানুষই কেড়ে নিল হৃদয়ের সম্মান।
তোমার মিথ্যে আশায় কেটেছে কত রাত,
আজও বুকে রয়ে গেছে পুরোনো সেই আঘাত।
যে মানুষটা বলেছিল তুমি আমার প্রাণ,
সেই মানুষই অন্য কারো গাইছে ভালোবাসার গান।
তোমার জন্য সাজিয়েছিলাম স্বপ্নের এক নীড়,
তুমি ভেঙে দিয়ে গেলে হৃদয় করে স্থির।
ভালোবাসার প্রদীপ জ্বেলে রেখেছিলাম ঘরে,
তুমি এসে নিভিয়ে দিলে অন্ধকারের পরে।
তোমার নামে জমেছিল কত মায়ার গল্প,
আজ সে গল্প পড়তে গেলে চোখে নামে জল।
যাকে ভেবে বুকের মাঝে রেখেছিলাম ঠাঁই,
সেই মানুষই চলে গেল, ফিরেও তাকায় নাই।
তোমার কথায় বিশ্বাস রেখে হারিয়েছি পথ,
বেইমানির ক্ষতটা আজও বুকে দেয় আঘাত।
চেনা মুখের আড়ালেতে অচেনা একটি মন,
বেইমানির গল্প লিখে ভেঙে দিল জীবন।
তোমার দেওয়া প্রতিশ্রুতি ছিল মধুর ছায়া,
শেষে বুঝলাম সবই ছিল ক্ষণিক সময়ের মায়া।
যাকে ভেবে আপন করেছি পৃথিবীর সব সুখ,
সেই মানুষই দিয়ে গেল গভীরতম দুঃখ।
তোমার স্মৃতি বুকে নিয়ে কাটে প্রতিটি ক্ষণ,
বেইমানি শিখিয়ে দিল চেনা মানুষের মন।
যে মানুষটা কাঁদতে দেখে মুছত চোখের জল,
সেই মানুষই আজকে আমার কান্নার সম্বল।
ভালোবাসার নামে তুমি করেছিলে খেলা,
আমার জীবনে রেখে গেলে বিষণ্নতার মেলা।
তোমার জন্য বুকের মাঝে জমেছিল যে আশা,
বেইমানি বুঝিয়ে দিল মিথ্যে ভালোবাসা।
যাকে ভেবে জীবনটাকে করেছিলাম দান,
সেই মানুষই ভেঙে দিল আমার অভিমান।
বেইমানির আঘাত নিয়ে বেঁচে আছি আজও,
তোমার মতো মিথ্যে মানুষ চিনতে শিখেছি তবু।
বেইমান স্বার্থপর মানুষ নিয়ে উক্তি
স্বার্থের টানে আপন মানুষ বদলে যায় ক্ষণে,
ভালোবাসার মূল্য থাকে না তাদের কোনো মনে।
নিজের সুখের জন্য যারা ভাঙে অন্যের ঘর,
স্বার্থপরের ভালোবাসা কখনো হয় না অমর।
প্রয়োজনের সময় কাছে, বিপদে থাকে দূরে,
স্বার্থপরের সম্পর্কগুলো ভাঙে অল্প সুরে।
তোমার সুখে পাশে ছিলাম, দুঃখে ছিলাম সাথি,
স্বার্থ ফুরাতেই নিভে গেল তোমার মনের বাতি।
মিষ্টি কথার আড়ালে থাকে স্বার্থের আয়োজন,
এমন মানুষ চিনতে গিয়ে কাঁদে সরল মন।
নিজের লাভের হিসাব করে সাজায় সম্পর্কের ঘর,
স্বার্থপরের ভালোবাসা একদিন হবেই পর।
সুদিন এলে আপন হয়ে বাড়ায় মায়ার হাত,
দুর্দিন এলে হারিয়ে যায়, রেখে যায় আঘাত।
স্বার্থের কাছে হার মানে যে হৃদয়ের টান,
সে মানুষ কখনো বোঝে না ভালোবাসার মান।
নিজের সুখের প্রদীপ জ্বেলে অন্যের আলো কাড়ে,
স্বার্থপরের মায়া শেষে বুকের ভেতর পোড়ায়।
প্রয়োজন ফুরিয়ে গেলে বদলে যায় মুখ,
স্বার্থপরের কাছে সম্পর্ক মানে নিজের সুখ।
যে মানুষটা পাশে থাকে শুধু লাভের আশায়,
সে মানুষই বিপদ এলে অচেনা হয়ে যায়।
নিজের স্বার্থ বাঁচাতে যারা মিথ্যে কথা কয়,
তাদের হাতে ভালোবাসা প্রতিদিনই ক্ষয়।
মায়ার নামে কাছে এসে হিসাব করে মন,
স্বার্থপরের ভালোবাসা কেবল প্রয়োজন।
তোমার দুঃখ নিজের ভেবে কেঁদেছিলাম রাতে,
তুমি আমার কষ্ট দেখেও ফিরলে অন্য পথে।
স্বার্থের বাজারে ভালোবাসা বিকোয় অল্প দামে,
আপন মানুষ পর হয়ে যায় প্রয়োজনের নামে।
নিজের সুখের জন্য যারা ভুলে যায় অতীত,
তাদের হৃদয় শূন্য থাকে, মায়াহীন প্রতিচ্ছবি।
স্বার্থের দেয়াল তুলে যারা দূরে সরায় মন,
তাদের কাছে আপন হওয়া বৃথা আয়োজন।
তোমার প্রয়োজনে ছিলাম আমি সারাক্ষণ,
প্রয়োজন ফুরিয়ে গেলে হারালে সম্পর্কের বন্ধন।
স্বার্থপরের মায়ার ছায়া ক্ষণিকেরই ঘর,
রোদ ফুরোলেই বুঝতে পারবে কে আপন, কে পর।
যে মানুষটা নিজের সুখে অন্যের চোখ ভেজায়,
তার হৃদয়ে ভালোবাসা কখনো ঠাঁই না পায়।
নিজের স্বার্থে কাছে এসে মিথ্যে মায়া গড়ে,
স্বার্থপরের মুখোশ খুলে সময়েরই পরে।
তোমার কাছে সম্পর্ক ছিল লাভের এক খাতা,
আমার কাছে ভালোবাসা ছিল হৃদয়ের কথা।
নিজের সুখের সিঁড়ি গড়তে ভাঙলে অন্যের মন,
স্বার্থপরের এমন প্রেমে থাকে না বন্ধন।
স্বার্থের টানে বদলে গেলে চেনা মানুষের রূপ,
ভালোবাসার আকাশজুড়ে নেমে আসে ধূসর রূপ।
যাদের কাছে মায়ার চেয়ে প্রয়োজন বড়,
তাদের ভালোবাসা কখনো হয় না গভীরতর।
নিজের লাভের জন্য যারা ভুলে যায় বিশ্বাস,
তাদের হৃদয়ে জমে থাকে স্বার্থের দীর্ঘশ্বাস।
সুখের দিনে আপন সেজে দুঃখে দেয় যে ফাঁকি,
স্বার্থপরের জন্য আর চোখের জল না রাখি।
স্বার্থের কাছে বিকিয়ে গেলে হৃদয়েরই মান,
ভালোবাসার গল্পগুলো হারায় আপন প্রাণ।
নিজের সুখের জন্য যারা করে অন্যের ক্ষতি,
তাদের জীবনে সত্যিকারের ভালোবাসা হয় না জড়িত।
স্বার্থপরের মায়া যতই মধুর হোক না কেন,
প্রয়োজন ফুরিয়ে গেলে চিনবে তাকে তখন।
স্বার্থপরতা বেইমান মানুষ নিয়ে উক্তি
স্বার্থপরতার নিক্তিতে মাপে যারা প্রেমের দাম,
তাদের হৃদয় চিনে রাখে শুধু নিজের নাম।
নিজের সুখের সিঁড়ি গড়তে ভাঙে অন্যের বুক,
এমন মানুষের জীবনে থাকে না সত্যিকারের সুখ।
প্রয়োজনের টানে যারা গড়ে মিথ্যে সম্পর্কের ঘর,
স্বার্থ ফুরিয়ে গেলে তারাই হয়ে যায় পর।
মিষ্টি মুখের আড়ালেতে লুকিয়ে রাখে ছল,
স্বার্থপরের ভালোবাসায় জমে বিষের জল।
নিজের লাভে অন্ধ হয়ে ভাসায় অন্যের তরী,
এমন মানুষের পাশে থেকে জীবন যায় যে মরি।
সুসময়ের আলোয় যারা সাজায় মনের ঘর,
দুঃসময়ের প্রথম ঝড়েই হয়ে যায় পর।
ঝড়ের দিনে ডাল ভেঙে যারা পালায় অন্য ঠিকানায়,
তাদের আসল রূপ চিনতে সময় লাগে না মায়ায়।
চোখের আড়ালে যারা বুনে মিথ্যে স্বপ্নজাল,
স্বার্থপরের ছলনায় নষ্ট হয় কত কাল।
বিশ্বাসের কাঁচের ঘরে যারা ছোড়ে পাথর,
তাদের জন্য কেঁদে লাভ কী, হৃদয় যখন পর?
নিজের স্বার্থের পাল ওড়াতে চেনে না তো কাউকে,
এমন মানুষ ডুবিয়ে দেয় দুঃখের গভীর স্রোতে।
ফুলের সুবাস গায়ে মেখে ভেতরে জমায় বিষ,
তাদের মিথ্যে মায়ায় কাটে নির্ঘুম প্রতিটি নিশি।
প্রয়োজনের শেষে যারা মুখ ফিরিয়ে নেয় পলকে,
তাদের ভালোবাসা থাকে শুধু নিজেরই ছলকে।
সুখের দিনে বন্ধু সেজে থাকে যারা পাশে,
বিপদ এলে হারিয়ে যায় অচেনা কোনো দেশে।
মিষ্টি জলের নদী সেজে বয়ে আনে লবণ,
স্বার্থপরের ভালোবাসায় মরে যায় আপনজন।
নিজের ঝুলি ভারী করতে লুটে নেয় সব আশা,
তাদের হৃদয়ে খুঁজে পাবে না সত্যিকারের ভালোবাসা।
ছায়ার মতো পাশে থেকে হারায় রোদের পরে,
স্বার্থপরের মায়া শুধু প্রয়োজনের ঘরে।
নিজের স্বার্থের দেয়াল তুলে ভাঙল আমার মন,
তাদের কাছে ভালোবাসা কেবল আয়োজন।
সুসময়ের বন্ধু সেজে রাখে মিথ্যে খেয়াল,
দুঃসময়ে চিনিয়ে দেয় নিজের আসল চাল।
নিজের স্বার্থে আঘাত লাগলে বিষাক্ত হয়ে ওঠে মন,
এমন মানুষ চেনে না যে আপন পরের বন্ধন।
ঝিনুক খুঁজতে গিয়ে হারালাম মুক্তোর ঠিকানা,
স্বার্থপরের ভিড়ে পেলাম মিথ্যে ভালোবাসার বেদনা।
বিশ্বাসের ডাল ভেঙে যারা দিল বিচ্ছেদের টান,
তাদের জন্য কেন রাখব এত অভিমান?
চোখের আড়ালে যারা ছিল জীবনের সব আলো,
স্বার্থের কাছে হারিয়ে গেল তাদের মায়ার ভালো।
বিশ্বাসের ঘরের কোণে জমিয়েছিলে ছায়া,
তোমার স্বার্থের আঘাতে শেষ হয়েছে মায়া।
মিষ্টি মুখের মানুষগুলো দিল হৃদয়ে ক্ষত,
স্বার্থপরের রূপ বদলায় সময়েরই মতো।
বিশ্বাসের কাঁচের থালায় ছুড়েছিলে পাথর,
ভাঙা টুকরো কুড়াই আজও বসে নিরুত্তর।
চোখের পলকে আপন সেজে কেড়ে নিলে শান্তি,
স্বার্থপরের ভিড়ে আজ বেঁচে থাকাই ক্লান্তি।
অমৃত ভেবে পান করেছিলাম তোমার দেওয়া বিষ,
স্বার্থপরের মায়ায় পুড়ে যায় প্রতিটি নিশি।
মিষ্টি হাসির আড়ালেতে লুকিয়ে ছিল ছোবল,
সময় এসে চিনিয়ে দিল তোমার মনের সম্বল।
বিশ্বাসের আকাশজুড়ে নামিয়েছিলে কালো মেঘ,
স্বার্থপরের আঘাত বয়ে করেছি কত বেগ।
চোখের ইশারায় ভুলিয়ে মন ভেঙেছিলে স্বপ্ন,
তোমার মতো মানুষ চেনা আমার জীবনের শিক্ষা।
বিশ্বাসঘাতকতা বেইমান মানুষ নিয়ে উক্তি
বিশ্বাসের পিঠে ছুরি মেরে হাসলে তুমি আড়ালে,
আমার চোখের অশ্রু ঝরে নিঃশব্দ রাতের কালে।
চোখের পলকে বদলে গেল চেনা হাসির রেখা,
বিশ্বাসঘাতক মানুষের ভিড়ে জীবন হলো একা।
ভালোবাসার চাদর জড়িয়ে দিলে বুকে আঘাত,
তোমার ছলনায় কেটে গেল কত নির্ঘুম রাত।
বিশ্বাসের নীল আকাশে নামালে কালো মেঘ,
তোমার দেওয়া যন্ত্রণাতে হারালাম সব বেগ।
সামনে ফুলের মালা হাতে, পেছনে বিষের ছুরি,
এমন মানুষের ভালোবাসা দেয় যে জীবন জুড়ি।
চোখের আড়ালে বুনেছিলে মিথ্যে স্বপ্নজাল,
তোমার বিশ্বাসঘাতকতায় বদলে গেল কাল।
বিশ্বাসের নরম ডানায় বিঁধিয়ে দিলে কাঁটা,
তোমার আঘাত বুকে নিয়ে জীবন হলো ফাঁকা।
মধুর কণ্ঠে বিষ মিশিয়ে দিলে অন্তরে আঘাত,
বিশ্বাসঘাতক চিনতে গিয়ে হারালাম প্রভাত।
বিশ্বাসের পবিত্র ঘরে জ্বালিয়ে দিলে আগুন,
তোমার স্মৃতি আজও বুকে বাজায় বিষণ্ন ফাগুন।
আপন সেজে কাছে এসে ভাঙলে আমার বুক,
তোমার ছলনায় হারিয়ে গেল জীবনের সব সুখ।
বিশ্বাসের মিনার ভেঙে গড়লে মিথ্যে দেশ,
তোমার মতো মানুষের গল্পে দুঃখের নেই শেষ।
মিষ্টি কথার জালে জড়িয়ে কাটলে মনের ডাল,
বিশ্বাসঘাতকতার স্মৃতি পোড়ায় সকাল-বিকাল।
বিশ্বাসের গভীরে বুনেছিলে সন্দেহেরই বীজ,
তোমার ছলনায় কেটে গেল কত নির্ঘুম নিশি।
চোখের ইশারায় ভালোবেসে হানলে বুকে বাণ,
বিশ্বাসঘাতক মানুষ বোঝে না হৃদয়ের মান।
বিশ্বাসের সুতোয় টান দিয়ে ছিঁড়লে মনের গান,
তোমার আঘাতে স্তব্ধ হলো আমার অভিমান।
মিষ্টি হেসে পাশে দাঁড়িয়ে খুঁড়লে মনের ঘর,
বিশ্বাসঘাতক মানুষ কখনো হয় না আপন পর।
বিশ্বাসের শক্ত খুঁটি ভেঙে দিলে বিচ্ছেদের টান,
তোমার স্মৃতির জোয়ারে ভাসে আমার অভিমান।
চোখের আড়ালে যাকে ভেবেছি জীবনের আলো,
সেই মানুষই পুড়িয়ে দিল আমার স্বপ্ন ভালো।
বিশ্বাসের ঘরের কোণে জমিয়েছিলে ছায়া,
তোমার বিশ্বাসঘাতকতায় শেষ হয়েছে মায়া।
মিষ্টি মুখের আড়ালেতে লুকিয়ে ছিল ক্ষত,
তোমার আসল রূপ চিনেছি সময়েরই মতো।
বিশ্বাসের কাঁচের ঘরে ছুড়েছিলে পাথর,
ভাঙা হৃদয় নিয়ে আজও বসে আছি নিরুত্তর।
চোখের পলকে আপন সেজে কেড়ে নিলে শান্তি,
বিশ্বাসঘাতকের ভিড়ে আজ বেঁচে থাকাই ক্লান্তি।
অমৃত ভেবে পান করেছিলাম তোমার দেওয়া বিষ,
বিশ্বাসঘাতকতার স্মৃতিতে পুড়ছে প্রতিটি নিশি।
মিষ্টি হাসির আড়ালেতে লুকিয়ে ছিল ছোবল,
সময় এসে চিনিয়ে দিল তোমার আসল সম্বল।
বিশ্বাসের আকাশজুড়ে নামিয়েছিলে কালো বান,
তোমার প্রতারণায় থেমে গেল ভালোবাসার গান।
চোখের ইশারায় ভুলিয়ে মন ভেঙেছিলে স্বপ্ন,
বিশ্বাসঘাতক মানুষ চেনা জীবনেরই শিক্ষা।
বিশ্বাসের চাতালে দাঁড়িয়ে করেছিলে ছল,
তোমার মিথ্যে ভালোবাসায় ঝরেছে চোখের জল।
মিষ্টি কথার মায়াজালে বেঁধেছিলে হাত,
তোমার বিশ্বাসঘাতকতায় হারিয়ে গেল রাত।
বিশ্বাসের চাদর মুড়িয়ে দিলে বুকে ব্যথার ঢেউ,
তোমার মতো মানুষ পাশে থাকলেও পাশে নেই কেউ।
চোখের জল লুকিয়ে রেখে ভাঙলে সরল বিশ্বাস,
তোমার স্মৃতি আজও বুকে তোলে দীর্ঘশ্বাস।
প্রতারণা বেইমান মানুষ নিয়ে উক্তি
প্রতারণার জালে জড়িয়ে সাজলে আপনজন,
শেষে তোমার ছলনায় ভাঙল সরল মন।
মিষ্টি কথার মায়াবী জালে কেড়ে নিলে শ্বাস,
প্রতারকের হৃদয়ে থাকে না মায়ার আভাস।
বিশ্বাসের পিঠে ছুরি চালিয়ে হাসলে তুমি আড়ালে,
আমার কান্না জমে রইল নিঝুম রাতের কালে।
চোখের পলকে বদলে ফেললে চেনা মুখের ছবি,
প্রতারণার গল্প লিখে কাঁদালে হৃদয়কবি।
নিজের লাভে অন্ধ হয়ে দিলে মনে বেদনা,
প্রতারকের ভালোবাসায় থাকে না কোনো চেনা।
সুসময়ের বন্ধু সেজে দিলে কত ফাঁকি,
প্রতারকের জন্য আর চোখের জল না রাখি।
চোখের আড়ালে বুনেছিলে মিথ্যে স্বপ্নজাল,
তোমার প্রতারণায় নষ্ট হলো কত কাল।
কুয়াশা মোড়ানো ভোরের মতো বদলে গেলে তুমি,
প্রতারণার স্মৃতি নিয়ে আজও একাকী আমি।
প্রদীপ ভেবে আগলে রেখেছি তোমার মিথ্যে আলো,
প্রতারণার আগুন শেষে পুড়িয়ে দিল ভালো।
কথার জালে জড়িয়ে ধরে কেড়ে নিলে স্বস্তি,
তোমার প্রতারণা হয়ে রইল জীবনের শাস্তি।
মায়ার সুরে কাছে এসে দিলে বুকে আঘাত,
তোমার ছলনায় হারিয়ে গেল কত প্রিয় প্রভাত।
সুদিনের আলোয় জ্বালিয়েছিলে মনের বাতি,
প্রতারণার অন্ধকারে নেমে এলো রাতি।
কাঁচের মতো ভেঙে গেলে সরল বিশ্বাস,
প্রতারকের স্মৃতি বুকে জাগায় দীর্ঘশ্বাস।
চেনা পথের ধারে আজও জমে কত ক্ষত,
প্রতারকের মুখোশ খোলে সময়েরই মতো।
বিশ্বাসের নরম ঘাসে বিছিয়ে দিলে কাঁটা,
প্রতারণার আঘাতে আজ জীবন বড় ফাঁকা।
চোখের তারায় এঁকেছিলে রঙিন ভালোবাসা,
প্রতারণা বুঝিয়ে দিল মিথ্যে ছিল আশা।
যাদের ছায়ায় ভুলতাম পৃথিবীর ক্লান্তি,
তারাই কেড়ে নিয়ে গেল মনের গভীর শান্তি।
বসন্তের কোকিল হয়ে গেয়েছিলে গান,
শীতের দিনে চিনেছি তোমার বদলে যাওয়া প্রাণ।
নীল আকাশের বুক চিরে নামল কষ্টের বান,
প্রতারকের মুখে শুনি মিথ্যে ভালোবাসার গান।
চোখের পলকে বদলে গেলে চেনা অবয়ব,
প্রতারণার স্মৃতি আজও জাগায় গভীর ক্ষোভ।
যাদের তরে সঁপে দিলাম জীবনের ঠিকানা,
প্রতারণা বুঝিয়ে দিল হৃদয় সবার জানা না।
বিশ্বাসের ডাল ভেঙে গেলে ঝড়েরই মুখে,
প্রতারক মানুষ হাসে তখন অন্য কারো সুখে।
বেইমানদের ভিড়ে হারালাম সরল মনের আশা,
প্রতারণা শিখিয়ে দিল চেনা মুখের ভাষা।
স্বার্থের টানে আপন সেজে দিলে মনে ব্যথা,
প্রতারকের কাছে মূল্যহীন হৃদয়ের কথা।
মেঘের আড়ালে রোদ লুকিয়ে রাখলে নিজের লাভ,
প্রতারণার পথে তোমার বাড়ল শুধু স্বভাব।
নিজের প্রদীপ নিভে গেলে খুঁজলে অন্য আলো,
প্রতারক মানুষ বোঝে না কোনটা মন্দ, ভালো।
প্রয়োজন ফুরিয়ে গেলে ভাঙলে সম্পর্কের দেয়াল,
প্রতারণার স্মৃতি বুকে পোড়ায় সকাল-বিকাল।
মরুর বুকে খুঁজেছিলাম শীতল ছায়ার মায়া,
প্রতারকের কাছে পেলাম শুধু কষ্টেরই ছায়া।
মিষ্টি কথায় মন ভোলানো তোমার পুরোনো স্বভাব,
প্রতারণার আড়ালেতে লুকিয়ে ছিল অভাব।
নিজের স্বার্থ ফুরিয়ে গেলে ফিরলে অন্য পলে,
প্রতারকের ভালোবাসা মিথ্যে গল্প বলে।
বিশ্বাসঘাতকতা প্রতারণা বেইমান মানুষ নিয়ে উক্তি
বিশ্বাসঘাতকতা আর প্রতারণা যাদের স্বভাবের ভূষণ,
তাদের হাতে ভেঙে যায় হৃদয়ের আয়োজন।
বিশ্বাসের চাদর মুড়িয়ে বুকে জমালে বিষ,
তোমার ছলনায় পুড়ে যায় প্রতিটি নিশি।
সামনে মায়ার ফুল সাজিয়ে পেছনে দিলে জ্বালা,
তোমার প্রতারণায় পুড়ল আমার স্বপ্নের মালা।
চোখের পলকে আপন সেজে ভাঙলে সাজানো ঘর,
বিশ্বাসঘাতক মানুষ কখনো হয় না আপন পর।
মিষ্টি হাসির আড়ালেতে স্বার্থেরই টান,
প্রতারক মানুষের কাছে মূল্যহীন সম্মান।
সুদিনের চেনা পাখি দুঃসময়ে উড়ে যায়,
বেইমান মানুষের আসল রূপ তখনই দেখা যায়।
নিজের ঝুলি ভরতে গিয়ে ভাসালে চোখের জল,
বিশ্বাসঘাতক মানুষের এ কেমন ছল?
প্রদীপের তেল ফুরিয়ে গেলে নিভে যায় যে আলো,
প্রতারকের ভালোবাসাও তেমন নয় ভালো।
বিশ্বাসের নরম ঘাসে বিছিয়ে দিলে কাঁটা,
তোমার প্রতারণায় আজ জীবন আমার ফাঁকা।
চোখের জলে ভেসে গেল কত নির্ঘুম রাত,
বিশ্বাসঘাতক মানুষের রেখে যাওয়া আঘাত।
নিজের স্বার্থের চাকা ঘোরাতে পিষলে আমার বুক,
তোমার মতো মানুষ বোঝে না অন্যের সুখ।
ঝড়ের দিনে ডাল ভেঙে পালালে অন্য ঠিকানায়,
প্রতারণার আসল রূপ চিনেছি তোমার মায়ায়।
ফুলের সুবাস গায়ে মেখে ভেতরে জমালে বিষ,
তোমার মিথ্যে মায়ায় কাটে নির্ঘুম প্রতিটি নিশি।
প্রয়োজনের শেষে মুখ ফিরিয়ে নিলে পলকে,
বেইমান মানুষ বাঁচতে চায় নিজেরই ছলকে।
নিজের স্বার্থের পাল ওড়াতে ভাসালে অন্যের তরী,
তোমার প্রতারণায় আজ আমি একা দাঁড়িয়ে মরি।
সুখের প্রদীপ জ্বেলে রেখে অন্ধকারে ফেললে,
মিথ্যে ভালোবাসার নামে কত যে স্বপ্ন নিলে।
নিজের স্বার্থের কারাগারে বন্দি করলে মন,
বিশ্বাসঘাতকতার কাছে হারাল সম্পর্কের বন্ধন।
চেনা নদীর বাঁকে দিয়েছিলে জলের ঠিকানা,
শেষে বুঝলাম তোমার মায়া ছিল মিথ্যে বাহানা।
কথার জালে জড়িয়ে ধরে কেড়ে নিলে শান্তি,
বেইমান মানুষের ভিড়ে বেঁচে থাকাই ক্লান্তি।
সুরের মায়ায় কাছে এসে দিলে বুকে আঘাত,
প্রতারণার স্মৃতি নিয়ে কাটে প্রতিটি রাত।
সুদিনের আলোয় জ্বালিয়েছিলে মনের বাতি,
বিশ্বাসঘাতকতার ছায়ায় নেমে এলো রাতি।
কাঁচের মতো ভেঙে গেলে সরল বিশ্বাস,
প্রতারকের স্মৃতি বুকে তোলে দীর্ঘশ্বাস।
চেনা পথের ধারে আজও জমে অজস্র ক্ষত,
বিশ্বাসঘাতক মানুষ বদলায় সময়েরই মতো।
বিশ্বাসের নরম ঘাসে বিছিয়ে দিলে কাঁটা,
প্রতারণার ভিড়ে আজ জীবন আমার ফাঁকা।
চোখের তারায় এঁকেছিলে রঙিন ভালোবাসা,
বেইমানি বুঝিয়ে দিল মিথ্যে ছিল আশা।
যাদের ছায়ায় ভুলতাম পৃথিবীর ক্লান্তি,
তারাই কেড়ে নিয়ে গেল মনের গভীর শান্তি।
বসন্তের কোকিল হয়ে গেয়েছিলে গান,
শীতের দিনে চিনেছি তোমার বদলে যাওয়া প্রাণ।
নীল আকাশের বুক চিরে নামল কষ্টের বান,
প্রতারকের মুখে শুনি মিথ্যে ভালোবাসার গান।
চোখের পলকে বদলে গেলে চেনা মুখের ছবি,
তোমার প্রতারণায় থেমে গেল হৃদয়ের কবি।
যাদের তরে সঁপে দিলাম জীবনের ঠিকানা,
বিশ্বাসঘাতকতা বুঝিয়ে দিল সবাই আপন না।
স্বার্থপর মানুষ বেইমান মানুষ নিয়ে উক্তি
স্বার্থপর আর বেইমানের চেহারা ভিন্ন হলেও,
প্রয়োজন ফুরিয়ে গেলে দুজনেই যায় চলে।
নিজের লাভে অন্ধ হয়ে ভাঙে মানুষের মন,
স্বার্থপর বেইমানেরা কাঁদায় সারাক্ষণ।
প্রয়োজনের তাগিদে যারা চেনে কেবল লাভ,
তাদের হৃদয়ে থাকে না অনুতাপের স্বভাব।
সুসময়ের বন্ধু সেজে পাশে থাকে যারা,
দুঃসময়ে তারাই আবার দেয় যে দূরে সারা।
চোখের আড়ালে বুনে যায় মিথ্যে স্বপ্নজাল,
স্বার্থপর বেইমানেরা নষ্ট করে কাল।
কুয়াশা মোড়ানো ভোরের মতো বদলে যায় মুখ,
তাদের মিথ্যে মায়ায় পুড়ে যায় বুক।
প্রদীপ ভেবে আগলে রেখেছি তোমার দেওয়া আলো,
স্বার্থপরের ভালোবাসা কখনো ছিল না ভালো।
কথার জালে জড়িয়ে ধরে কেড়ে নিলে স্বস্তি,
স্বার্থপর বেইমানেরা দেয় হৃদয়জুড়ে শাস্তি।
মায়ার সুরে কাছে এসে দিলে বুকে আঘাত,
তাদের ছলনায় হারিয়ে যায় কত প্রিয় প্রভাত।
সুদিনের আলোয় জ্বালিয়েছিলে মনের বাতি,
স্বার্থপরের ছায়ায় নেমে এলো রাতি।
কাঁচের মতো ভেঙে গেলে সরল বিশ্বাস,
বেইমানের স্মৃতি বুকে তোলে দীর্ঘশ্বাস।
চেনা পথের ধারে আজও জমে কত ক্ষত,
স্বার্থপরের মুখোশ খোলে সময়েরই মতো।
বিশ্বাসের নরম ঘাসে বিছিয়ে দিলে কাঁটা,
তাদের ভিড়ে আজ জীবন আমার ফাঁকা।
চোখের তারায় এঁকেছিলে রঙিন ভালোবাসা,
স্বার্থপর বেইমানেরা ভেঙে দেয় আশা।
যাদের ছায়ায় ভুলতাম পৃথিবীর ক্লান্তি,
তারাই কেড়ে নিয়ে গেল মনের গভীর শান্তি।
বসন্তের কোকিল হয়ে গেয়েছিলে গান,
শীতের দিনে চিনেছি তোমার আসল প্রাণ।
নীল আকাশের বুক চিরে নামল কষ্টের বান,
স্বার্থপর বেইমানেরা বোঝে না অভিমান।
চোখের পলকে বদলে গেলে চেনা অবয়ব,
তোমার মিথ্যে মায়ায় জমে রইল ক্ষোভ।
যাদের তরে সঁপে দিলাম জীবনের ঠিকানা,
স্বার্থপর বেইমানেরা বোঝে না ভালোবাসা।
বিশ্বাসের ডাল ভেঙে গেলে ঝড়েরই মুখে,
স্বার্থপর বেইমানেরা হাসে অন্যের সুখে।
বেইমানদের ভিড়ে আজ হেরে গেল সরল মন,
তাদের স্বার্থের খেলায় ভাঙল সম্পর্কের বন্ধন।
স্বার্থের টানে আপন সেজে দিলে মনে বেদনা,
এমন মানুষের হৃদয়ে থাকে না মায়ার ঠিকানা।
মেঘের আড়ালে রোদ লুকিয়ে রাখলে নিজের লাভ,
স্বার্থপরের ভালোবাসা এমনই এক স্বভাব।
নিজের প্রদীপ নিভে গেলে খুঁজলে অন্য আলো,
বেইমান মানুষ বোঝে না কোনটা মন্দ, ভালো।
প্রয়োজনের শেষে ভেঙে দিলে সম্পর্কের দেয়াল,
তোমার স্মৃতি বুকে পোড়ায় সকাল-বিকাল।
শুষ্ক মরুর বালুচরে খুঁজেছিলাম ছায়া,
স্বার্থপরের কাছে পেলাম মিথ্যে মায়া।
মিষ্টি কথায় মন ভোলানো তোমার পুরোনো স্বভাব,
স্বার্থপরের ভালোবাসায় থাকে শুধু হিসাব।
নিজের স্বার্থ ফুরিয়ে গেলে ফিরলে অন্য পলে,
বেইমান মানুষের গল্প শুধু প্রতারণা বলে।
আপন করে বুকে টেনে ভাঙলে সাজানো ঘর,
স্বার্থপর বেইমানেরা কখনো হয় না আপন পর।
কুয়াশার চাদর সরিয়ে দেখেছি তোমার পথ,
স্বার্থপরের হৃদয়ে নেই ভালোবাসার রথ।
বাণী বেইমান মানুষ নিয়ে উক্তি
বেইমান মানুষের চরিত্র ভাঙা কাঁচের মতো,
কাছে গেলে কেটে যায় হৃদয়ের ক্ষত।
বিশ্বাসের পবিত্র ঘরে যারা জ্বালায় আগুন,
তাদের মায়া চিনতে শেখো, থেকো না আর মগ্ন।
মুখের মিষ্টি হাসির আড়ালে লুকিয়ে থাকে বিষ,
বেইমান মানুষের ছলনায় হারায় সুখের নিশি।
সুসময়ের আলোয় যারা সাজায় মনের ঘর,
সুযোগ পেলেই তারাই আবার হয়ে যায় পর।
চোখের পলকে বদলে ফেলে চেনা মুখের ছবি,
বেইমান মানুষের ভিড়ে স্তব্ধ হয় হৃদয়কবি।
যাদের তরে সঁপে দিলাম জীবনের ঠিকানা,
বেইমানি বুঝিয়ে দিল সবাই আপন না।
বিশ্বাসের ডাল ভেঙে গেলে ঝড়েরই মুখে,
বেইমান মানুষ হাসে তখন অন্য কারো সুখে।
বেইমানদের ভিড়ে আজ হেরে গেল সরল মন,
কষ্টের সাগরে একা কাটে আমার জীবন।
ফাগুনের চেনা বাতাসে ছিল মায়ার সুবাস,
কাছের মানুষের ছলনায় আজ দীর্ঘশ্বাস।
আপন মানুষ চেনার নেশায় হারিয়েছি কত রাত,
বেইমানি চিনিয়ে দিল সম্পর্কের আঘাত।
যাদের তরে বিলিয়ে দিলাম হৃদয়ের সব প্রাণ,
আজ তাদের মুখেই শুনি অবহেলার গান।
অন্ধ বিশ্বাসে বুনেছিলাম সুদিনেরই স্বপ্ন,
বেইমান মানুষ ভেঙে দিল সেই সাজানো স্বপ্ন।
জোছনা মাখা রাতে যারা দিয়েছিল সান্ত্বনা,
আজ তাদের স্মৃতিই শুধু বাড়ায় যন্ত্রণা।
কুয়াশা মোড়ানো ভোরের মতো বদলে গেল মুখ,
বেইমান মানুষ চিনতে গিয়ে পুড়ে গেল বুক।
মেঘের মতো উড়ে গেল সুদিনের সাথিরা,
স্বার্থের টানে হারিয়ে গেল চেনা সেই মুখেরা।
হাতের মুঠোয় জমিয়ে রাখা প্রতিশ্রুতির ফুল,
বেইমান মানুষ বুঝিয়ে দিল বিশ্বাস ছিল ভুল।
যাদের তরে ঘর বেঁধেছি শূন্য মরুর বুকে,
তারাই আবার বেইমানি করে হেসেছে সুখে।
চেনা নদীর বাঁকে দিয়েছিলে জলের ঠিকানা,
বেইমান মানুষ মুছে দিল ভালোবাসার সীমানা।
প্রদীপ ভেবে আগলে রেখেছি তোমার দেওয়া আলো,
বেইমানি করে পুড়িয়ে দিলে স্বপ্নগুলো ভালো।
কথার জালে জড়িয়ে ধরে কেড়ে নিলে স্বস্তি,
বেইমান মানুষ বুঝিয়ে দিল জীবনের কঠিন বাস্তবতা।
সুরের মূর্ছনায় মেতে হারিয়েছিলাম ঘোরে,
বেইমান মানুষ আঘাত হানল নীরব রাতের পরে।
সুদিনের চেনা আলোয় জ্বালিয়েছিলে বাতি,
বেইমানির অন্ধকারে নেমে এলো রাতি।
কাঁচের মতো ভেঙে গেলে সরল সব বিশ্বাস,
বেইমান মানুষ কেড়ে নিল হৃদয়ের দীর্ঘশ্বাস।
চেনা পথের ধারে আজও জমে অজস্র ক্ষত,
বেইমান মানুষ বদলে যায় সময়েরই মতো।
বিশ্বাসের নরম ঘাসে বিছিয়ে দিলে কাঁটা,
বেইমান মানুষের ভিড়ে জীবন হলো ফাঁকা।
চোখের তারায় এঁকেছিলে রঙিন ভালোবাসা,
বেইমান মানুষ বুঝিয়ে দিল মিথ্যে ছিল আশা।
যাদের ছায়ায় ভুলতাম পৃথিবীর ক্লান্তি,
বেইমান মানুষ কেড়ে নিল মনের গভীর শান্তি।
বসন্তের কোকিল হয়ে গেয়েছিলে গান,
শীতের দিনে চিনেছি তোমার বদলে যাওয়া প্রাণ।
নীল আকাশের বুক চিরে নামল কষ্টের বান,
বেইমান মানুষ গেয়ে গেল মিথ্যে ভালোবাসার গান।
চোখের পলকে বদলে গেলে চেনা মুখের ছবি,
বেইমান মানুষ ভেঙে দিল হৃদয়ের সব কবি।
শেষ কথা :
বেইমান মানুষ চিনতে সময় লাগে,বিশ্বাস ভাঙতে লাগে না।হাসিমুখে যারা আঘাত দিয়ে যায়,তাদের ভুলতে মন চায় না।স্বার্থের কাছে হেরে যায় সম্পর্ক,মিথ্যে হয়ে যায় ভালোবাসা।তবুও জীবন থেমে থাকে না,কষ্ট পেরিয়েই খুঁজতে হয় আশা।যে মানুষ বিশ্বাস ভেঙে চলে,তাকে আর ডেকো না ফিরে।নিজের মূল্য বুঝতে শেখো,নতুন স্বপ্ন রাখো ঘিরে।কারণ বেইমানের দেওয়া কষ্ট,একদিন শক্তি হয়ে রয়।ভাঙা হৃদয় নিয়েও মানুষ,আবার নতুন করে বাঁচতে শেখে নিশ্চয়।
