১৮০+বিশ্বাসঘাতকতা নিয়ে সেরা কবিতা, ছন্দ ও সুন্দর শায়েরী
বিশ্বাসঘাতকতা মানুষের মনে এমন এক কষ্টের জন্ম দেয়, যা সহজে ভুলে যাওয়া যায় না। প্রিয়জনের প্রতারণা, বন্ধুর বিশ্বাস ভাঙা কিংবা কাছের মানুষের বদলে যাওয়া—এসব অনুভূতি অনেক সময় ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। তাই আপনাদের জন্য সাজিয়েছি বিশ্বাসঘাতকতা নিয়ে উক্তি, ক্যাপশন, স্ট্যাটাস ও কবিতা-র পাশাপাশি কষ্টের কবিতা, আবেগঘন ছন্দ এবং বাস্তবধর্মী শায়েরির একটি সুন্দর সংকলন। আশা করি, এখান থেকে আপনার মনের অনুভূতির সঙ্গে মিলে যাওয়া পংক্তিগুলো খুঁজে পাবেন।
বিশ্বাসঘাতকতা নিয়ে কবিতা
বিশ্বাসের ভিত ভেঙে গেলে মনের মধ্যে যে শূন্যতা তৈরি হয়, তা সহজে পূরণ হয় না। প্রিয় মানুষের প্রতারণা ও মিথ্যা ভালোবাসার সেই অনুভূতি প্রকাশ করতে নিচে রয়েছে কিছু হৃদয়স্পর্শী কবিতা।
বিশ্বাসের হাতটা ধরে চললে বহুদূর,
বুকে দিলে বিষাক্ত এক বেদনার সুর।
ভাবিনি কখনো তুমি বদলাবে এভাবে,
স্মৃতিগুলো আজ শুধু নীরবে কাঁদাবে।
মুখোশের আড়ালেতে হাসছিলে তুমি,
মরুভূমি হয়ে গেছে হৃদয়ের ভূমি।
ছলনার আলো দিয়ে আঁধার বুনেছ,
স্বপ্নের ঘরে আজ আগুন জ্বেলেছ।
যে হাতে সপেছি প্রাণ নিঃসংকোচ মনে,
সে হাত আঘাত করে কোন সে কারণে?
প্রতারণা শিখিয়েছ ভালোবাসার ছলে,
দু-চোখের অশ্রু আজ নদী হয়ে চলে।
আস্থার গাছে তুমি কুঠার হেনেছ,
মায়ায় জড়িয়ে শুধু ধোঁকা দিয়েছ।
স্মৃতির পাতায় আজ বিষাক্ত ছায়া,
মিথ্যে ছিল সব তোমার অভিনয়-মায়া।
পাহাড়সম আলো এনে দিলে বুকে,
পাহাড়সম কষ্ট দিলে শেষে আমাকে।
বিশ্বাসঘাতক তুমি, দিলে কত সাজা,
হৃদয়টা ভাঙল যেন কাঁচের এক খাঁচা।
কসমের দেয়ালগুলো ভেঙে গেল আজ,
তোমার চরিত্রে ছিল ছলনার কাজ।
ভালোবেসে পেয়েছি অবহেলার বিষ,
একাকী রাত জাগি, নীরব নিশীথ।
মিথ্যা আশার আলো দেখালে আমায়,
আজ আমি নিঃস্ব, নেই কোনো আশায়।
বিশ্বাসে বিষ মিশিয়ে চললে কোন দেশে,
আমার সব স্বপ্ন হারিয়ে গেল শেষে।
প্রিয় মুখটা হঠাৎ অচেনা হলো,
স্বপ্নের আকাশটা ভেঙে পড়ল।
যে ছিল নিশ্বাস, সেই দিল ব্যথা,
রেখে গেল শুধু কিছু বিষাক্ত কথা।
একসাথে চলার কত শত কথা,
বিনিময়ে দিয়ে গেলে একাকী নীরবতা।
ছলনার সাগরেতে ভাসিয়ে আমায়,
সুখে আছ তুমি আজ কোন দূর প্রান্তে?
হৃদয়ের আঙিনায় বুনেছিলাম আশা,
জানি না একেই বলে কি ভালোবাসা!
পেছনে আঘাত করে হাসলে আড়ালে,
আমার সব আলো নিভিয়ে দিলে।
বিশ্বাসের ঘরে আজ বড় হাহাকার,
তুমি তো ভেঙেছ মন বারবার।
মুখোশটা খুলে গেছে অবশেষে আলোয়,
আর হারাব না নিজেকে তোমার মায়ায়।
ভালোবাসার নামে তুমি দিলে বিষের নদী,
ভাবিনি কখনো কাঁদাবে নিরবধি।
অভিনয় ভালোই ছিল তোমার রূপের জালে,
হৃদয়টা হারিয়ে গেল মিথ্যার আড়ালে।
যে আলো বিশ্বাসে জ্বেলেছিলে মনে,
তা কেন নিভিয়ে দিলে হঠাৎ নিমিষে?
বেদনার চাদরে ঢেকে যায় দিন,
তোমার ধোঁকায় বদলে গেল জীবনের ঋণ।
কাছে এসে ছলনা করে কেড়ে নিলে মন,
বুঝিনি তুমি আপন নও, ছিলে অন্যজন।
মিথ্যা ভালোবাসার খেলায় জিতেছ,
আমার বিশ্বাসটুকু ভেঙে দিয়েছ।
চোখের পাতায় আর জমা হয় না জল,
বুঝে গেছি তোমার ছদ্মবেশী ছল।
বিশ্বাসের মূল্য তুমি দিতে শেখোনি,
আমার কষ্টের ভাষা কখনো বোঝোনি।
প্রতিটি কথায় ছিল মিথ্যার সুর,
আমায় ফেলে চলে গেলে অনেক দূর।
ভাঙা মন নিয়ে আজ বেঁচে থাকি একা,
বিশ্বাসঘাতক রূপে পেলাম তোমার দেখা।
হৃদয়ে রেখেছিলাম তোমায় অতি আদরে,
তুমি আঘাত দিলে চরম অনাদরে।
গোপনে চক্রান্তে মেতেছিলে তুমি,
সব সয়ে শূন্য আজ আমার এই ভূমি।
বুকের মাঝে জমা আছে কত হাহাকার,
তোমার দেওয়া কষ্টগুলো মনে পড়ে বারবার।
ছলনার স্মৃতি আজও ব্যথা দিয়ে যায়,
তবু নতুন করে বাঁচতে মন সাহস পায়।
প্রতারণার কাঁটা বিঁধেছে হৃদয়জুড়ে,
ভুলের হিসাব রাখো নিজের জীবনজুড়ে।
হৃদয় নিয়ে খেলা কখনো নয় সহজ,
সময়ই দেবে উত্তর, রেখো তার খোঁজ।
বিশ্বাস ছিল এক মহামূল্যবান ধন,
তা হারিয়ে কাঁদে আজ অবুঝ মন।
তুমি চিনেছিলে শুধু নিজের স্বার্থভার,
আমার হৃদয়ে আজ অন্ধকারের ভার।
বিশ্বাসঘাতকতা নিয়ে কষ্টের কবিতা
বিশ্বাস ভাঙার কষ্ট অনেক সময় দীর্ঘদিন মনে থেকে যায়। কাছের মানুষের দেওয়া আঘাত, হারিয়ে যাওয়া সম্পর্ক আর অপূর্ণ প্রত্যাশার অনুভূতি নিয়ে রইল কিছু কষ্টের কবিতা।
বুকের ভেতর জমানো কষ্টগুলো হাসে,
তুমি নেই, তবু বিষাদের ছায়া ভাসে।
বিশ্বাস ভেঙেছ তুমি অতীব নিভৃতে,
তবু নতুন আশায় বাঁচি নীরব পৃথিবীতে।
ঝরে পড়া পাতার মতো ঝরে গেছে মন,
যার লাগি কেঁদেছি, সে তো নয় আপন।
ছলনার আগুনে পুড়ে হলো ছাই,
তবু নতুন দিনের আশা হারিয়ে যায় নাই।
রাতের আঁধারে শুধু দু-চোখ ভিজে যায়,
তোমার ধোঁকার স্মৃতি মনে পড়ে যায়।
এত কষ্ট দিলে তুমি কেমন হৃদয়ে?
একা ফেলে গেলে আমায় অচেনা সময়ে।
দু-চোখে দেখিয়েছিলে কত মিথ্যে স্বপ্ন,
বুঝিনি তোমার মনে ছিল ছলনার যত্ন।
বিশ্বাসের বদলে মেলে শুধুই যন্ত্রণা,
হৃদয়টা আজ চায় না মিথ্যে সান্ত্বনা।
ক্ষতগুলো দিনে দিনে আরও ভারী হয়,
তোমার কথা ভাবলে পুরোনো ব্যথা জাগে।
যে মানুষটা হেসেছিল আস্থার সুবাদে,
সে আজ নতুন আশায় দাঁড়ায় জীবনের বাঁকে।
এক ফোঁটা বিশ্বাসের কদর তুমি দিলে না,
ভেঙে দিলে মনটা মোর, ব্যথাটা বুঝলে না।
কষ্টের দিন পেরিয়ে হাঁটছি আমি একা,
তোমার মতো মানুষের আর চাই না দেখা।
নিঃশ্বাসে বিষ মিশিয়ে এলে চুপিসারে,
সারাটা জীবন কাটালাম তোমায় ভালোবেসে।
অবশেষে কী পেলাম? কান্নার পাহাড়,
তবু নিজেকে গড়ার আশা রইল আমার।
বুকের ভেতর জমে আছে মিথ্যার আঘাত,
নিঝুম রাতে মনে পড়ে পুরোনো কথার পাত।
বিশ্বাসের নামে তুমি দিয়েছ যন্ত্রণা,
তবু জীবন শেখায় নতুন করে বাঁচতে।
কষ্টের ভাষা আজ বড্ড বেশি ভারী,
তোমার ছলনার স্মৃতি মনে পড়ে বারি বারি।
আমায় হারিয়ে তুমি সুখে আছ জানি,
তবু নিজের পথেই খুঁজব সুখের বাণী।
বুকের ভেতর ব্যথা জাগে ধিকিধিকি করে,
তোমার স্মৃতিগুলো আসে নীরব রাতের পরে।
বিশ্বাসের ঘরে তুমি আঘাত হেনেছ,
তবু ভাঙা মন নিয়ে সামনে এগিয়েছি।
হাসিগুলো রূপ নিয়েছে বিষাদের সাগরে,
তুমি তো আছ সুখে নিজেরই নগরে।
আমার এই কষ্টের জবাব হয়তো নাই,
তবু নতুন ভোরের অপেক্ষায় থাকি তাই।
ছলনার মায়ায় পড়ে ভুল করেছি কত,
বুঝিনি তোমার মনে ছিল স্বার্থেরই ক্ষত।
বিষাক্ত কথার আঘাত আজও মনে পড়ে,
তবু নতুন আশার আলো জ্বলে অন্তরে।
ভেঙে পড়া ঘরের মতো ছিটকে গেছে মন,
বিশ্বাস ভাঙতে তোমার লাগেনি তো ক্ষণ।
এত ভালোবাসা মিথ্যে ছিল তবে?
আমার এই কষ্টের উত্তর কে বা দেবে?
চোখের জলে রাত কেটে যায় নিঃশব্দে,
তোমার দেওয়া স্মৃতি রয়ে গেছে হৃদয়ে।
বিশ্বাসের দাম দিলে শুধু ধোঁকা দিয়ে,
চলে গেলে অন্য কারও হাতটি ধরে।
বেদনার সাগরেতে ভাসছে আমার তরী,
স্মৃতির ভার আর কতকাল বয়ে চলি?
বিশ্বাসঘাতক মানুষ আপন হতে পারে না,
তবু সময়ের সঙ্গে ব্যথা একদিন কমে যায়।
কাঁচের মতো চুরমার হয়েছে আশা,
একে কি তুমি বলো রঙিন ভালোবাসা?
কষ্টে ভরা দিনগুলো পেরিয়ে যাব,
নিজের জন্য নতুন স্বপ্ন সাজাব।
বিশ্বাসের হাতটা ছেড়ে দিলে মাঝপথে,
কত যে কথা জমে আছে নীরবতার রথে।
তোমার দেওয়া কষ্ট ভুলতে সময় লাগে,
তবু আশার আলো জ্বলে নতুন দিনের আগে।
ভাবিনি কখনো এভাবে কাঁদাবে আমায়,
হৃদয়ের বাঁধ ভাঙে স্মৃতির ছায়ায়।
কষ্টের দিনগুলো একদিন পেরিয়ে যায়,
নতুন করে বাঁচার সাহস ফিরে পায়।
বুকের মধ্যে জমে আছে প্রতারণার স্মৃতি,
তোমার মিথ্যে কথায় বদলে গেছে প্রীতি।
সুখের আশা ভেঙে গেলেও থামব না আর,
নিজের জীবন গড়ব আমি আবার বারবার।
আঘাত দিয়ে চলে গেলে নিজের স্বার্থ নিয়ে,
আমার বিশ্বাস ভেঙে দিলে অবহেলা দিয়ে।
তবু জীবন থেমে থাকে না কোনো মানুষের তরে,
নতুন স্বপ্ন জেগে ওঠে সময়েরই ঘরে।
বিশ্বাসঘাতকতা নিয়ে আবেগের কবিতা
বিশ্বাসের ভাঙনে মনের আবেগগুলো এলোমেলো হয়ে যায়। ভালোবাসা, অভিমান, না-বলা কথা আর হারিয়ে যাওয়া প্রত্যাশার অনুভূতি প্রকাশ করতে নিচের কবিতাগুলো সাজানো হয়েছে।
কতটা ভালোবেসেছিলাম তা কি তুমি জানতে?
আমার আবেগগুলোকে কেন পারলে না মানতে?
বিশ্বাসে দাগ কেটে চলে গেলে দূর,
হৃদয়ে বাজে আজ বিষাদের সুর।
এক চিমটি বিশ্বাস চেয়েছিলাম তোমার কাছে,
তুমি দিলে ধোঁকা, যা আজও মনে আছে।
আবেগগুলো হারিয়ে গেল তোমারই ছলনায়,
আঘাত দিয়ে চলে গেলে কোন সে অজানায়?
বুকের মাঝে সাঁতার কাটে স্মৃতির ছায়াগুলো,
তোমার মায়ায় ঢাকা ছিল মনের কথাগুলো।
হঠাৎ করে কেন ভাঙলে আবেগের বাঁধ?
বিশ্বাসের আকাশে আজ মেঘেরই সমাবেশ।
আবেগের খেলায় তুমি জিতেছ সহজে,
আমার সরলতা হারাল তোমারই আয়োজনে।
বিশ্বাসের শেষবিন্দু শুষে নিয়েছ তুমি,
আজ একা দাঁড়িয়ে আছে আমার মনের ভূমি।
তোমায় ঘিরে সাজানো ছিল কত রঙিন স্বপ্ন,
তুমি ভেঙে দিলে সেগুলো করে মিথ্যে যত্ন।
আবেগে ভরা চোখ দুটো আজও জল ঝরায়,
তোমার প্রতারণা আমায় নীরবে কাঁদায়।
হৃদয়ের সবটুকু উজাড় করেছিলাম তোমায়,
তুমি তা ফিরিয়ে দিলে বিষণ্নতার ছায়ায়।
বিশ্বাসের মায়াজাল ছিন্ন করে সোজা,
আমার কাঁধে চাপিয়ে দিলে বেদনার বোঝা।
নীরব রাতে আবেগেরা ডুকরে ডুকরে কাঁদে,
তোমার স্মৃতি আজও আমায় পুরোনো পথে বাঁধে।
ছলনার মায়াজালে ছিলাম যে আটকা,
বিশ্বাসঘাতকতা দিল হৃদয়ে ব্যথা।
একসাথে দেখার কথা ছিল কত যে ভোর,
তুমি টেনে দিলে জীবনে অন্ধকারের ঘোর।
আবেগ নিয়ে খেলেছ নিজের স্বার্থে,
আমার মন হারিয়ে গেল বিষণ্নতার পথে।
বিশ্বাসের সুতো দিয়ে বুনেছিলাম মালা,
তুমি তা ছিঁড়ে দিয়ে বাড়ালে হৃদয়জ্বালা।
আবেগের প্রতিটি ফোঁটা স্মৃতি হয়ে রয়,
নীরব রাতে মনের ভেতর কষ্ট কথা কয়।
কখনো ভাবিনি তুমি এমন করে বদলাবে,
আমার আবেগগুলো অবহেলায় ভাঙবে।
বিশ্বাসের জায়গাটিতে দিলে বিষের ক্ষত,
তবু স্মৃতির পাতায় রয়ে গেলে অবিরত।
চোখের জলের সাগরেতে ডুবেছে আবেগ সব,
তোমার মিথ্যে মায়ার রয়ে গেছে কলরব।
বিশ্বাসের ঘরে আজ নেমেছে নীরবতা,
তোমার বদলে যাওয়ায় বেড়েছে ব্যাকুলতা।
হৃদয়জুড়ে ছিল শুধু তোমারই বসবাস,
তুমিই এনে দিলে জীবনে দীর্ঘশ্বাস।
আবেগের নদীতে আজ স্মৃতির ঢেউ চলে,
বুঝলাম এতদিনে সব ছিল ছলনার ছলে।
মিথ্যে মায়ার বন্ধনে আমায় বেঁধে রাখা,
তোমার হৃদয়ে ছিল অন্য কারও ছবি আঁকা।
বিশ্বাসে দাগ লাগিয়ে চলে গেলে অনায়াসে,
আবেগগুলো আজও কাঁদে নীরব নিশ্বাসে।
আবেগে জড়ানো কথাগুলো আজ বিষাদে ভরা,
তোমায় বিশ্বাস করে হলাম দিশাহারা।
পিছু ফিরে দেখো একবার কতটা কাঁদালে,
আমার রঙিন স্বপ্ন অন্ধকারে পাঠালে।
এক টুকরো মন ছিল, সেটাও কেড়ে নিলে,
আবেগের রংগুলো মুছে দিয়ে গেলে।
বিশ্বাসঘাতকতার গল্পে তুমি অভিনয় করেছ,
আমার জীবনে নীরবতার ছায়া রেখে গেছ।
প্রতিটি নিশ্বাসে ছিল তোমার ভালোবাসার টান,
তুমি তা ভেঙে দিয়ে করলে অভিমান।
আবেগের আকাশে আজ মেঘের ঘনঘটা,
বিশ্বাসের প্রদীপে জমেছে অন্ধকারের ছটা।
মনের কোণে জমিয়ে রাখা আস্থার ফুল,
ছিঁড়ে ফেলে তুমি করলে বড় ভুল।
আবেগ নিয়ে ছিনিমিনি খেলা তোমার রীতি,
রেখে গেলে কেবলই কষ্টের স্মৃতি।
একলা রাতে আবেগগুলো তোমায় খুঁজে ফিরে,
তুমি তো নেই আর এই মনের নীড়ে।
বিশ্বাস ভেঙে আজ চলেছ কোন সুখে?
স্মৃতির মেঘ জমে আছে আমার শান্ত বুকে।
কতটা বিশ্বাস করলে এমন আঘাত পাওয়া যায়?
আবেগের শেষ আলোটুকু ম্লান হয়ে যায়।
প্রতারণার স্মৃতি মনে জাগায় কত রং,
তবু নতুন করে বাঁচতে চাই সারাক্ষণ।
আবেগভরা মনটা ছিল তোমার কাছে সঁপা,
তুমি বুঝলে না তা, দিলে শুধু ধোঁকা।
বিশ্বাসের চাদর টেনে ছিঁড়ে ফেললে আজ,
মুখোশের আড়ালে ছিল অন্য রকম সাজ।
বিশ্বাসঘাতকতা নিয়ে স্ট্যাটাস কবিতা
ফেসবুক কিংবা অন্যান্য সামাজিক মাধ্যমে মনের অভিমান প্রকাশ করতে ছোট ছোট স্ট্যাটাস কবিতা অনেকেই খোঁজেন। বিশ্বাস ভাঙা, মিথ্যে সম্পর্ক ও জীবনের বাস্তবতা নিয়ে কিছু পংক্তি রইল এখানে।
বিশ্বাসের নামে মুখোশ পরা মুখ,
ভেঙে দিয়ে গেলে আমার সাময়িক সুখ।
যেখানে ছিল আলো, সেখানে আঁধার,
তোমায় চিনেছি আজ, চাই না তো আর।
ধোঁকা দেওয়ার শিল্পে তুমি দক্ষ কারিগর,
আমার হৃদয়টা আজ যেন ভাঙা এক ঘর।
মিথ্যে ভালোবাসার খেলা খেললে মন নিয়ে,
বিদায় জানালাম তোমায় স্মৃতি সঙ্গে নিয়ে।
পেছনে আঘাত করা তোমার পুরোনো অভ্যাস,
তোমায় বিশ্বাস করাটাই ছিল আমার সর্বনাশ।
সুখে থেকো তুমি তোমার নতুন কোনো ছলে,
আমি আবার হাসব নিজের জীবন গড়ে।
যার ওপর ছিল আমার সবচেয়ে বেশি বিশ্বাস,
সে-ই উপহার দিল দীর্ঘ এক দীর্ঘশ্বাস।
প্রতারক চেনে না ভালোবাসার মূল্য,
তোমায় আপন ভাবাই ছিল ভুলের শুরু।
সরল মনে তুমি হানলে বিষের তির,
বিশ্বাসের গল্প হলো বেদনায় স্থির।
আমার কষ্টগুলো স্ট্যাটাস হয়ে হাসে,
তোমার মিথ্যে রূপটা স্মৃতির পাতায় ভাসে।
বিশ্বাসের দেয়ালজুড়ে ফাটলের দাগ,
তোমার ওপর নেই আজ কোনো পুরোনো রাগ।
সময়ের হাতে ছেড়ে দিলাম হিসাব,
একদিন সত্যিই মিলবে সব জবাব।
দেখালে তুমি আলোর পথ, ঠেললে অন্ধকারে,
এমন ধোঁকা কেউ কি দিতে পারে?
বিশ্বাসের রং মুছে দিলে মিথ্যে ছলে,
মনের কথাগুলো স্ট্যাটাস হয়ে ওঠে।
আপন সেজে পেছন থেকে দিলে আঘাত,
ভালোবাসার গল্পে ছিল মিথ্যার প্রপাত।
বিশ্বাসের মূল্য তুমি বুঝলে না কখনো,
সত্যিকারের সম্পর্ক পাওয়া সহজ নয় কোনোদিনও।
মুখোশের পেছনেতে লুকিয়ে ছিল বিষ,
তোমায় বিশ্বাস করে কেটেছে কত নিশি।
আজ আমি একা হলেও শান্তিতে আছি,
তোমার ছলনা থেকে দূরে নিজের পথে চলেছি।
সামাজিক পাতায় লিখি কষ্টের কথা,
তুমি কি বুঝবে কখনো মনের ব্যথা?
বিশ্বাস ভেঙে তুমি ভাবছ বুঝি জিতেছ,
নিজের কাছেই নিজের সত্য লুকিয়েছ।
যে গাছে ধরেছিল বিশ্বাসের ফুল,
সে গাছ ভেঙে দেওয়াই ছিল তোমার ভুল।
স্ট্যাটাসের প্রতিটি শব্দে বিষাদের ছোঁয়া,
তোমার ছলনা শিখিয়েছে মানুষ চেনা।
বিশ্বাসটা ছিল কাঁচের মতো ভঙ্গুর,
ভেঙে দিয়ে চলে গেলে বহুদূর।
এখন আর কাউকে অবুঝ বিশ্বাস করি না,
মিথ্যে মায়ার ফাঁদে সহজে পা দিই না।
ছলনাময়ী তোমার হাসি দেখেছিলাম চোখে,
ভুলে গিয়েছিলাম কত মুখোশ থাকে লোকে।
আজ বুঝেছি তোমার অচেনা রূপ,
মনের কথা লিখে রাখি, থাকি নীরব চুপ।
বিশ্বাসঘাতকতা তোমার আচরণে মেশা,
মানুষ ঠকানো কি তোমার নতুন নেশা?
তুমি চলে গেলে জীবন থেমে যায় না,
পুরোনো স্মৃতি থাকলেও মন হার মানে না।
আস্থার আলোটা তুমি নিভিয়ে দিলে নিজে,
আমার স্ট্যাটাসের শব্দগুলো আজ ভিজে।
তোমায় ভালোবেসে ভুল করেছি বড়,
এবার নিজের স্বপ্ন গড়ব আরও দৃঢ়।
নিজের স্বার্থে বন্ধু বানাও, স্বার্থ শেষে দূর,
তোমার কথায় বাজে প্রবঞ্চনার সুর।
বিশ্বাস ভাঙার খেলায় জিতেছ হয়তো আজ,
তবু সত্যের সামনে মিথ্যে হারবে একদিন।
দুদিনের ভালোবাসায় দেখালে কত রূপ,
আজ তাই তোমার স্মরণে থাকি নীরব চুপ।
বিশ্বাসের সম্পর্ক শেষ হয়েছে বলে,
নতুন করে বাঁচব আমি নিজের শক্তিবলে।
সহজ আস্থাকে তুমি দুর্বলতা ভেবেছ,
তাই তো খেলা শেষে দূরে সরে গেছ।
স্মৃতির পাতায় লেখা থাকবে তোমার নাম,
এই অভিজ্ঞতা শেখাবে মানুষ চেনার জ্ঞান।
হৃদয় ভাঙার শব্দ কেউ শুনতে কি পায়?
স্ট্যাটাসের অক্ষরে সেই কষ্ট ফুটে যায়।
বিশ্বাসের আমানত ভেঙে দিলে তুমি,
তবু নতুন আশায় এগিয়ে যাব আমি।
ভালো থেকো তুমি তোমার মিথ্যার জগতে,
আমি একাই চলব নিজের জীবনপথে।
বিশ্বাস ভেঙে তুমি ভাবছ জয়ী,
সময়ই বুঝিয়ে দেবে সত্যের পরিচয়।
বিশ্বাসঘাতকতা নিয়ে ছন্দ
বিশ্বাসঘাতকতার কষ্টকে ছন্দের মাধ্যমে সহজ ও সুন্দরভাবে প্রকাশ করা যায়। ছোট-বড় ছন্দে সাজানো এই পংক্তিগুলো নিজের অনুভূতি প্রকাশ কিংবা সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করার জন্য ব্যবহার করতে পারেন।
মিথ্যে আশার ঝিলিক দিয়ে করলে মনটা চুরি,
পেছন থেকে হানলে তুমি বিষাক্ত এক ছুরি।
বিশ্বাসের এই ঘরটা ভাঙল এক নিমেষে,
সব হারিয়ে আজ দাঁড়িয়ে আছি নতুন দিনের আশে।
আকাশের মতো উদাস মন দিলে আমায় তুমি,
ছলনার বিষ ঢেলে দিলে শুষ্ক হলো ভূমি।
বিশ্বাসের ওই মিষ্টি ডালে ফুটল না আর ফুল,
তোমায় ভালোবেসে আমি করেছি বড় ভুল।
নদীর স্রোতের মতো তুমি বদলে গেলে আজ,
বিশ্বাসের ঘর ভেঙে হলো নীরবতার রাজ।
স্মৃতির পাতা উল্টে দেখি শুধুই ছলনা,
তোমার দেওয়া কষ্টের শেষ খুঁজে পাই না।
কাঁচের মতো মনটা ভেঙে করলে চুরমার,
তোমায় নিয়ে দেখার মতো স্বপ্ন নেই আর।
আস্থার রং মুছে দিয়ে আঁধার বুনে দিলে,
নিজের স্বার্থে সরল মনে আঘাত হেনে গেলে।
বিশ্বাসের হাত ধরে যে চলেছিল দূর,
তার হৃদয়েই বাজে আজ কষ্টের নীরব সুর।
মুখোশের আড়ালেতে লুকিয়ে বিষের হাসি,
কখনো ভাবিনি তোমায় এতটা ভালোবাসি।
মিথ্যে মায়ার জালে জড়িয়ে কাটলে বাঁধন যত,
বুকের গভীর কোণে রয়ে গেল বিষের ক্ষত।
বিশ্বাসঘাতক মানুষ দেয় যে কত ঋণ,
তবু নতুন আশায় একদিন ফিরবে সুখের দিন।
আজকে তুমি হাসছ অন্য কারও হয়ে,
আমার চোখের জলও শুকায় সময় বয়ে।
বিশ্বাসের ঘর ভেঙে বানালে ছাইয়ের ঢিবি,
তবু নতুন স্বপ্ন নিয়ে পথ চলবে এই কবি।
স্বপ্নের ওই গাছে দিলে বিষের জল ঢেলে,
আমায় কেন কষ্টের সাগরেতে ফেলে?
বিশ্বাসঘাতকতা মিশে ছিল তোমার কথায়,
সরল মনটা আজও শেখে জীবনের পাঠ।
মুখের কথায় ছিল মধু, অন্তরেতে বিষ,
বিশ্বাসের প্রদীপ নিভল এক অন্ধকার নিশি।
মিথ্যে মায়ায় আটকে রেখে করলে আমায় ছাই,
তোমার ছলনা থেকে দূরে থাকাই ভালো তাই।
গোলাপ ফুল ভাবতে গিয়ে পেলাম শুধু কাঁটা,
তোমার মিথ্যে কথায় বাড়ল মনের ব্যথা।
বিশ্বাসের নাম ভাঙিয়ে কেড়ে নিলে মন,
বুঝলাম তুমি নও তো চিরদিনের আপন।
মেঘের খেলা আকাশজুড়ে, বৃষ্টি নামে বুকে,
বিশ্বাস হারিয়ে আজও মন থাকে না সুখে।
ছলনার ওই বাঁধন ছেড়ে গেলে দূরে,
স্মৃতিগুলো রয়ে গেল হৃদয়জুড়ে।
ছন্দের বাঁধে বাঁধি আজ জমানো যত ব্যথা,
তোমার মিথ্যে রূপের খুলে গেছে পাতা।
বিশ্বাস ভেঙে তুমি ভাবছ বড়ই জয়ী,
সত্যের কাছে মিথ্যে কোনোদিন নয় স্থায়ী।
সহজ মনে ঠাঁই দিয়েছিলাম তোমায় অতি আদরে,
তুমি আঘাত দিলে আমায় অবহেলার ঘরে।
বিশ্বাসের সুতো কেটে দিলে এক নিমেষে তুমি,
কষ্ট পেরিয়ে আবার হাসবে আমার এই ভূমি।
আলোর দিশা দেখিয়ে ঠেললে অন্ধকারে,
এমন করে ধোঁকা মানুষ কীভাবে পারে?
বিশ্বাসের নাম করে কেড়ে নিলে সুখ,
তবু নতুন আশায় ভরবে আবার বুক।
রাতের তারা সাক্ষী আছে কত ভেবেছি একা,
তোমার মতো প্রবঞ্চকের পাইনি আগে দেখা।
বিশ্বাসের ঘর ভেঙে দিয়ে হাসছ সুখে তুমি,
তবু একদিন হাসবে আবার আমার এই ভূমি।
দুটি মনের মিলন ছিল মিথ্যে অভিনয়,
তোমার চোখে ছিল শুধু স্বার্থেরই জয়।
বিশ্বাস ভাঙার খেলায় তুমি হলে খেলোয়াড়,
তবু সত্যের কাছে মিথ্যে হবে পরাজিত বারবার।
বুকের ভেতর ক্ষতগুলো শুকায় না তো আর,
তোমার ধোঁকার কারণে কেটেছে কত অন্ধকার।
বিশ্বাসের ফুল ঝরে গেল বিষাক্ত এক বাতাসে,
তবু নতুন দিনের আলো আসবে নিঃশ্বাসে।
ভাবিনি কখনো মুখ লুকিয়ে কাঁদব একাকী,
তোমার মিথ্যে মায়ার স্মৃতি রইল বাকি।
বিশ্বাসের মূল্য তুমি বুঝলে না কোনোদিন,
তবু সামনে এগিয়ে যাবে আমার জীবনের দিন।
হৃদয়জুড়ে এঁকেছিলে বিষাক্ত এক ছবি,
তোমার দেওয়া কষ্ট নিয়েই লিখছে আজ কবি।
বিশ্বাসের ভাঙন দেখে নীরব হলো মন,
সময়ের সঙ্গে চিনেছি তোমার আসল রূপ এখন।
মিথ্যে কথার ঝুড়ি নিয়ে দাঁড়িয়েছিলে দ্বারে,
সরল মনটা আজও কাঁদে তোমায় মনে করে।
বিশ্বাসের দেয়াল ভেঙে গেল এক নিমেষে,
তবু নতুন স্বপ্ন নিয়ে এগোব অবশেষে।
বিশ্বাসঘাতকতা নিয়ে কষ্টের ছন্দ
বিশ্বাস ভেঙে যাওয়ার পর মনের মধ্যে জমে থাকা অভিমান, একাকিত্ব ও দুঃখ ছন্দের মাধ্যমে প্রকাশ করা যায়। নিচে রয়েছে আরও কিছু কষ্টের ছন্দ।
বুকের ভেতর বিষের নদী বইছে নিরবধি,
বিশ্বাস করে তোমায় ভালোবেসেছিলাম যদি।
আঘাত দিয়ে চলে গেলে মুখের হাসি কেড়ে,
কষ্টগুলো জমল এসে মনের আঁধার নীড়ে।
ঝরে পড়া অশ্রুগুলো নীরব সাক্ষী রয়,
তোমার দেওয়া কষ্টের স্মৃতি সহজে দূর নয়।
বিশ্বাসের ওপর তুমি হানলে মিথ্যার বাণ,
ছলনাতে বদলে গেল আমার অবুঝ প্রাণ।
অন্ধকারের কোণে একা কাঁদে আমার মন,
বিশ্বাসের আড়ালে ছিলে অচেনা একজন।
ক্ষতগুলো মনে পড়ে, মনটা হয়ে যায় ভার,
তবু নতুন ভোরের আশায় কাটে অন্ধকার।
এক ফোঁটা আনন্দেরও মেলেনি কোনো দেখা,
তোমার দেওয়া কষ্টের খাতায় নাম হলো লেখা।
বিশ্বাসের ঘর ভেঙে চুরমার হয়ে যায়,
আমার যত ভালোবাসা স্মৃতির পাতায় রয়।
মিথ্যে ভালোবাসার রঙে রাঙালে জীবন,
বুঝিনি তোমার মনে ছিল স্বার্থের আয়োজন।
বিশ্বাসের ঘর ভেঙে নেমে এল আঁধার,
তবু নিজের পথ খুঁজে নেব আমি আবার।
চোখের জল আর থামে না, বুকে তীব্র জ্বালা,
তুমি পরিয়ে দিলে মিথ্যে প্রতারণার মালা।
বিশ্বাসের প্রতিদান কি এমন করে দেয়?
তবু সময় একদিন সব ব্যথা মুছে নেয়।
নিঝুম রাতে একাকী বসে ভাবি তোমার কথা,
তুমি আমায় উপহার দিলে ব্যাকুল মনের ব্যথা।
বিশ্বাসের ঘর ধসে পড়ে মিথ্যার ঝড়ে,
তবু আশার আলো জ্বলে নতুন ভোরের পরে।
হৃদয় ভেঙে হাজার টুকরো ছড়িয়ে আছে,
আমার এই কষ্টের কথা বলব কার কাছে?
বিশ্বাসের কাঁচ ভাঙলে শব্দ পাওয়া যায় না,
মনের গভীর ক্ষত সহজে মুছে যায় না।
আশার আলো নিভিয়ে দিয়ে জ্বালালে বিষের বাতি,
তোমার দেওয়া স্মৃতি জাগায় প্রতিদিনের রাতি।
বিশ্বাসের অবমাননা করলে নিজেরই আনন্দে,
তবু নতুন পথ খুঁজব আমি জীবনের ছন্দে।
ছলনাময়ী তোমার হাসিতে লুকিয়ে ছিল ফাঁদ,
তোমার দেওয়া আঘাতে মলিন হলো চাঁদ।
বিশ্বাসের ঘর ভেঙে দিয়ে সুখে আছ জানি,
তবু একদিন ফিরে পাব জীবনের মানে।
বুকের পাঁজর ভেঙে দিলে, কাটলে মনের ডোর,
আমায় একা ফেলে গেলে, এলে না নতুন ভোর।
বিশ্বাসের গাছে ফুটেছিল বিষের ফুল,
তোমায় চেনার ভুলে শিখলাম জীবনের মূল।
কষ্টের মেঘ জমতে জমতে কালবৈশাখীর ঝড়,
তুমি আমায় করে দিলে একেবারে পর।
বিশ্বাসের বাঁধ ভেঙে অশ্রুনদী চলে,
তবু নতুন আশা জাগে জীবনেরই ছলে।
নীরবতার সুযোগ নিয়ে দিলে গভীর আঘাত,
আমার সমস্ত সুখে নেমে এল রাত।
বিশ্বাসের দাম দিতে গিয়ে নিঃস্ব হলাম আজ,
তোমার মনে ছিল শুধু স্বার্থেরই কাজ।
কাছে আসার অভিনয় করে দূরে গেলে সরে,
একটুখানি বিশ্বাসও ছিল না কি অন্তরে?
কষ্টের দিন পেরিয়ে যাব নিজের শক্তি নিয়ে,
মুছে ফেলব পুরোনো ব্যথা নতুন স্বপ্ন দিয়ে।
চোখের জল মুছে দেওয়ার মানুষ নেই আর,
চারপাশে আজ জমে গেছে নীরব অন্ধকার।
বিশ্বাসের শেষ প্রদীপটি নিভে গেল হাওয়ায়,
তবু নতুন আশা জাগে মনেরই ছায়ায়।
মিথ্যে মায়ায় আটকে রেখে কেড়ে নিলে আলো,
তোমায় ছাড়া কাটছে দিন, নিজেকে রাখি ভালো।
কষ্ট হলেও শিখব আমি বিশ্বাসের পাঠ,
নতুন স্বপ্ন খুলে দেবে জীবনেরই ঘাট।
হৃদয়ের কষ্টগুলো ছন্দে বাঁধা পড়ে,
তুমি মেতেছ নতুন দিনের স্বপ্ন নিয়ে ঘুরে।
বিশ্বাসের আমানত তুমি রাখোনি যে ধরে,
তবু নিজের জীবন গড়ব সাহসটুকু করে।
সহজ সরল ভালোবাসা ধুলিসাৎ হলো আজ,
তোমার মিথ্যে কথায় ভাঙল বিশ্বাসের সাজ।
তবু নতুন দিনের পথে এগিয়ে যাব প্রাণ,
কষ্ট পেরিয়ে ফিরবে আবার সুখের গান।
সুখের পাখি উড়ে গেল বিষাদের আকাশ পানে,
তোমার দেওয়া ধোঁকাগুলো বাজে আমার গানে।
বিশ্বাসের মূল্য কেন এত বেশি হয়?
তবু সময়ের সঙ্গে মনের কষ্ট ক্ষয়।
আশার তরী ডুবে গেল বেদনার ওই জলে,
আমায় তুমি ভাসিয়ে দিলে প্রতারণার ছলে।
বিশ্বাসের শেষ চিহ্নটুকু মুছে গেল আজ,
নতুন করে বাঁচার পথে শুরু হলো কাজ।
বিশ্বাসঘাতকতা নিয়ে শায়েরি
ভালোবাসা ও বিশ্বাসের আড়ালে লুকিয়ে থাকা প্রতারণার কষ্ট শায়েরির মাধ্যমে সুন্দরভাবে প্রকাশ করা যায়। হিন্দি-উর্দু ঘরানার আবহে বাংলা পংক্তির সঙ্গে কিছু রোমান হিন্দি লাইনও দেওয়া হলো।
হামনে তো দিল দিয়া থা উসে আপনা সমাজ কর,
উসনে তো তোড় দিয়া দিল কিসি গায়ের কা হো কর।
বিশ্বাসের বিনিময়ে শুধু পেলাম চরম ধোঁকা,
তার মিথ্যে ভালোবাসায় আজ আমি হলাম বোকা।
ধোকা দেনা হি থা তো পহেলে হি বতা দেতে,
হাম আপনা দিল কিসি অউর সে লগা লেতে।
বিশ্বাসের খেলায় তুমি জিতলে বটে আজ,
আমার ভাঙা মনে রয়ে গেল নীরবতার সাজ।
চেহরে পে সেহরা লগা কর আয়ে থে ওহ,
হামারে দিল কো চুর-চুর কর কে গয়ে ওহ।
মুখোশের পেছনে থাকা রূপটা চিনিনি আগে,
তোমার বিশ্বাসঘাতকতায় আজ অভিমানের আগুন জাগে।
তেরি ওয়াদোঁ পে হামনে এহতেবার কিয়া থা,
তুঝসে বেপানাহ পেয়ার কিয়া থা।
কিন্তু তুমি দিলে শুধু পিঠে আঘাত,
আমার বিশ্বাসের দুনিয়ায় নেমে এল রাত।
ওয়ফা কি উম্মিদ কি থি তুমসে, এ বেওফা,
তুমনে তো মুঝকো কর দিয়া খফা।
বিশ্বাসের মূল্য দেওয়া তোমার সাধ্যে ছিল না,
তোমার দেওয়া স্মৃতি আজও মুছে গেল না।
দিল তোড়না তেরি আদত বন গয়ি হ্যায়,
মেরি জিন্দেগি এক আফসানা বন গয়ি হ্যায়।
বিশ্বাস করে তোমায় সঁপেছিলাম এই মন,
তুমি প্রমাণ করলে, ছিলে অচেনা একজন।
মহব্বত মে হামনে খোয়ে থে খুশিয়োঁ কে রং,
উসনে বনা দিয়া দিল কো দরদ কা সঙ্গ।
বিশ্বাসঘাতকতার জবাব মিলবে একদিন,
সময়ের বিচারে ভাঙবে মিথ্যে অহংকার সেদিন।
আনসু পিনে কি আদত ডাল লি হ্যায় হামনে,
দিল কে জখম ছুপানে কি কোশিশ কি হ্যায় হামনে।
তোমার দেওয়া ধোঁকা আজ শায়েরি হয়ে ফোটে,
আমার নীরব যন্ত্রণা পংক্তিতে কথা বলে।
তুঝে চাহা থা খুদা সে ভি জ্যাদা হামনে,
তুনে তোড় দিয়া সব কুছ এক পল মে।
বিশ্বাসের ঘর আমার ভেঙে হলো ধুলিসাৎ,
তোমার ছলনায় নেমে এল জীবনে বিষাদ রাত।
ওয়াদোঁ কা কেয়া হ্যায়, ও তো তোড় দিয়ে যেতে হ্যায়,
দিল কে রিশতে এক পল মে ছুট যেতে হ্যায়।
বিশ্বাসের নাম করে কেড়ে নিলে মনের আলো,
তোমার মতো প্রতারকের চেয়ে একা থাকাই ভালো।
হাম সে কিয়া ওয়াদা, কিসি অউর সে নিভায়া,
হামে তো সর্ফ আনসুওঁ কা তোহফা মিলায়া।
বিশ্বাসের প্রতিদান দিলে বিষাদের ভাষায়,
ভালোবাসার গল্প হারায় স্মৃতির পাতায়।
দিল কি গহরাই মে ছুপা থা এক রাজ,
উসনে খোল দিয়া বেওফাই সে আজ।
বিশ্বাসঘাতকতার আড়ালে তুমি যে হাসো,
আমার স্মৃতির পাতায় আজও নীরবতা বাসে।
তেরি বেওফাই কা কিসসা গলি-গলি মে হ্যায়,
মেরি খামোশি কা রাজ ইস দিল মে হ্যায়।
বিশ্বাসের বদলে তুমি দিলে ধোঁকা,
আমি বেঁচে আছি স্মৃতি নিয়ে একা।
হামনে তো সামঝা থা তুম জিন্দেগি হো মেরি,
তুমনে বতা দিয়া, তুম নেহি হো মেরি।
বিশ্বাসের কাঁচ ভাঙতে তোমার লাগেনি সময়,
আমার সরল ভালোবাসা বুঝলে না হৃদয়।
আঁখোঁ মে আনসু লেকর হাসনা শিখ লিয়া,
তেরি বেওফাই কো সচ্চাই মান লিয়া।
বিশ্বাসের ভাঙন দেখে থমকে গেল হিয়া,
তুমি চলে গেলে, রয়ে গেল স্মৃতির ছায়া।
মহব্বত কি রাহোঁ মে মিলা হামে আঁধার,
উসনে তো তোড় দিয়া মেরা হর ইনতেজার।
বিশ্বাসের মায়াজাল ছিঁড়ে তুমি গেলে চলে,
আমার শায়েরি আজও কাঁদে স্মৃতির ছলে।
কাঁচ কি তরহ বিখর গয়ি জিন্দেগি,
তেরি বেওফাই সে বদল গয়ি বন্দেগি।
বিশ্বাস করে তোমায় পেলাম মনের ক্ষত,
তবু নতুন দিনের আশা রইল অবিরত।
জিস পে থা সবসে জ্যাদা এহতেবার হামে,
উসনে হি দিয়া সবসে জ্যাদা দরদ হামে।
বিশ্বাসের সম্পর্ক ভাঙলে এক নিমেষে,
নীরব মন কাঁদে আজ স্মৃতিরই দেশে।
দিল তোড়কর ওহ মুসকুরা রহা হ্যায়,
মেরি তড়প পে ওহ মুসকুরা রহা হ্যায়।
বিশ্বাসের দাম তুমি বোঝোনি কোনোদিন,
তবু নিজের পথেই চলব নতুন করে প্রতিদিন।
হর এক বাত মে তেরা এক ছুপা ধোকা থা,
হামে লাগা ওহ মহব্বত কা ঝোঁকা থা।
বিশ্বাসঘাতকতার গল্পে তুমি ছিলে সেরা,
আমার স্মৃতির পাতায় রইল ছায়া ঘেরা।
বিশ্বাসঘাতকতা নিয়ে কষ্টের শায়েরি
প্রিয়জনের কাছ থেকে প্রতারণা পেলে মনের মধ্যে যে অভিমান ও কষ্ট জমে থাকে, তা প্রকাশ করার জন্য কিছু আবেগঘন শায়েরি নিচে তুলে ধরা হলো।
মেরি পালকোঁ পে ঝরতে আনসুওঁ কো দেখা,
উসনে তো মোড় লিয়া মুখ, না দিয়া কোই দেখা।
বিশ্বাসের বদলে পেলাম কষ্টের উপহার,
আমার জীবনে নেমে এল অন্ধকার।
জখম জ্যাদা গেহরা হ্যায়, সিয়া নেহি জাতা,
দরদ ইতনা হ্যায় কি কহা নেহি জাতা।
বিশ্বাসের কাঁচ ভাঙলে ব্যথা জাগে মনে,
তুমি চলে গেলে দূরে অচেনা ভুবনে।
হামারি মহব্বত কো ওহ বরবাদ করতে গয়ে,
হাম চুপ রহে, ওহ দূর চলে গয়ে।
বিশ্বাসের সুতো ছিঁড়ে দিলে নীরবে,
স্মৃতিগুলো রয়ে গেল হৃদয়ের গভীরে।
তেরে শহর সে হাম বহু দূর চলে যায়েঙ্গে,
তেরি বেওফাই কা দরদ তনহা সহেঙ্গে।
বিশ্বাসের মায়াজালে জড়িয়েছিল মন,
তবু নতুন পথে খুঁজব বাঁচার কারণ।
কাঁচ কি তরহ তোড় দিয়া দিল উসনে,
হামে তড়পতা ছোড় দিয়া উসনে।
বিশ্বাসের নামে কেড়ে নিলে আলো,
কষ্ট পেরিয়ে আবার থাকব ভালো।
আনসুওঁ কো হামনে আঁখোঁ মে ছুপায়া,
তেরি বেওফাই কা দাগ দিল মে বসায়া।
বিশ্বাসের বদলে দিলে বিষাদের ছাঁট,
তবু নতুন ভোরে কাটবে আঁধার রাত।
জিস দিল মে থা তেরা রাজ, ওহ দিল তোড় দিয়া,
কিসি অউর সে নাতা জোড় কর মুঝে ছোড় দিয়া।
বিশ্বাসের প্রতিদান কি এমন কষ্টের হয়?
তোমার দেওয়া স্মৃতি আজও মনে রয়।
খামোশি মে গুজর রহি হ্যায় মেরি জিন্দেগি,
তেরি বেওফাই সে বদল গয়ি মেরি বন্দেগি।
বিশ্বাস ভাঙার কষ্ট তুমি বুঝবে কেমনে?
তুমি তো ব্যস্ত নিজের রঙিন স্বপনে।
হামনে তো সোচা থা তুম হামারে রাহবার হো,
তুম তো নিকলে অচেনা, বেওফাই কা রূপ হো।
বিশ্বাসের ঘরে তুমি জ্বালালে অন্ধকার,
ভালোবাসার বদলে দিলে কষ্টের ভার।
দিল কে দরদ কো ছুপায়ে ফিরতে হ্যায়,
হাম তনহা হি ইস জামানে মে জিতে হ্যায়।
বিশ্বাসের ভাঙন দেখে চোখের জল ঝরে,
তোমার স্মৃতি মনে পড়ে নীরব রাতের পরে।
তেরি ইয়াদোঁ মে রাতোঁ কো জাগতা হুঁ,
খামোশি মে আপনা দরদ লিখতা হুঁ।
বিশ্বাসের দেয়াল ভেঙে গেলে ছলে,
জীবনের রঙও বদলে যায় সময়ের তলে।
হামে বরবাদ কর কে তুম সুকুন পা সকে?
মেরি ওয়ফা কো তুম কভি সমঝ না সকে।
বিশ্বাসের নামে দিলে মিথ্যে ধোঁকা,
ভালোবেসে ভুল করেছিলাম, ছিলাম বড় বোকা।
মেরি খামোশি মে তেরা হি নাম হ্যায়,
তেরি বেওফাই সে দিল পরেশান হ্যায়।
বিশ্বাসের ভাঙন দেখে আকাশও কাঁদে,
স্মৃতিগুলো আজও আমায় রাখে বাঁধে।
জখম-এ-দিল কো ছুপায়া নেহি জাতা,
তেরি বেওফাই কা দাগ মিটায়া নেহি জাতা।
বিশ্বাসঘাতকতার স্মৃতি সহজে ভোলে না মন,
তবু নতুন করে শুরু হয় জীবন।
উসনে তোড় দিয়া মেরা পেয়ারা খোয়াব,
আব কিসসে মাঙ্গু মহব্বত কা জবাব?
বিশ্বাসের ঘর ভেঙে আজ একা,
তবু নতুন আশায় খুঁজব সুখের দেখা।
তেরি খতা কি সাজা হাম ভুগত রহে হ্যায়,
আনসুওঁ কে সাথ দিন গুজার রহে হ্যায়।
বিশ্বাসের গাছে ফুটেছিল ভুলের ফুল,
তোমায় আপন ভাবাই ছিল আমার ভুল।
দিল টুটনে কা শোর কিসি নে সুনা নেহি,
উসনে মুঝে কভি আপনা বনা কর চুনা নেহি।
বিশ্বাসের রূপ ধরে এলে অচেনা হয়ে,
আমার কষ্টের দিন কাটে স্মৃতি বয়ে।
সব কুছ খো দিয়া হামনে তেরি মহব্বত মে,
আব তো সর্ফ দরদ হ্যায় দিল কি হালত মে।
বিশ্বাসের আমানত ভেঙে দিলে অনায়াসে,
মনের কান্না আজও ভেসে আসে বাতাসে।
তেরি বেওফাই কা তোহফা মিল গয়া,
মেরা খাঁটি পেয়ার ধুলো মে মিল গয়া।
বিশ্বাসের চাদর ছিঁড়ে দিলে তুমি,
তবু নতুন আশায় বাঁচবে আমার ভূমি।
আনসুওঁ সে লিখি হ্যায় মেরি হর শায়েরি,
তেরি বেওফাই বন গয়ি মেরি ডায়েরি।
বিশ্বাস ভেঙে তুমি ভাবছ সুখে আছ,
তবু আমার গল্পে তুমি স্মৃতি হয়ে আছ।
বিশ্বাসঘাতকতা নিয়ে বাস্তবধর্মী শায়েরি
বাস্তব জীবনে সব সম্পর্ক একরকম হয় না। কারও কাছে বিশ্বাস অমূল্য, আবার কেউ নিজের স্বার্থে সেই বিশ্বাস ভেঙে দেয়। জীবনের এই তিক্ত অভিজ্ঞতা ও মানুষ চেনার শিক্ষা নিয়ে রইল বাস্তবধর্মী কিছু শায়েরি।
দুনিয়া মে মখমলি চেহরে বহুত মিলতে হ্যায়,
লেকিন অন্দর সে সব সর্দ হোতে হ্যায়।
বিশ্বাসের দোহাই দিয়ে মানুষ ঠকায় আজ,
মুখোশের আড়ালে লুকিয়ে থাকে আসল সাজ।
ওয়ফা কি উম্মিদ আজ কি দুনিয়া মে কম রাখো,
লোগ আপনা মতলব নিকালা করতে হ্যায়।
বিশ্বাসের দাম এখানে সবাই দেয় না আর,
স্বার্থ শেষ হলে অনেকেই হয়ে যায় পর।
জিস পে করোগে অন্ধ বিশ্বাস,
ওহি তোড় সকতা হ্যায় দিল কে এহসাস।
বাস্তবতা হলো মানুষ বদলায় ক্ষণে ক্ষণে,
তাই বুঝে বিশ্বাস রেখো সম্পর্কের বন্ধনে।
ইনসান সব কুছ ভুল সকতা হ্যায় জামানে মে,
লেকিন বেওফাই কা দরদ রহতা হ্যায় দিল মে।
বিশ্বাসের আঘাত গভীর হতে পারে,
তবু সময় নতুন আশা ফিরিয়ে আনে।
সবসে জ্যাদা দরদ ওহি ইনসান দেতা হ্যায়,
জিসে হাম আপনা সবসে খাস মানতে হ্যায়।
বিশ্বাসের সুবাদে মুখোশধারীরা কাছে আসে,
স্বার্থ ফুরিয়ে গেলে দূরে সরে যায় অনায়াসে।
পয়সোঁ সে খরিদি যা সকতি হ্যায় হর চিজ,
লেকিন সচ্চি ওয়ফা নেহি মিলতি হর জগহ।
বিশ্বাসঘাতকতা শেখায় মানুষ চিনতে,
সম্পর্কের সত্য বুঝতে হয় সময় নিতে।
মিঠে আলফাজোঁ পে কভি ভরোসা মৎ করো,
আচরণ দেখো, তারপর বিশ্বাস করো।
বিশ্বাসের নাম ভাঙিয়ে চলে কত চাল,
মানুষ চেনার শিক্ষা দেয় জীবনের কাল।
দিল কে রিশতে কাগজ কে টুকড়ে নেহি,
লেকিন হর রিশতে মে সচ্চাই ভি নেহি।
বিশ্বাসের মূল্য কখনো ধুলোয় পড়ে,
বাস্তবতা শেখায় মানুষ চিনতে ধীরে ধীরে।
অন্ধা ভরোসা কভি-কভি দরদ দেতা হ্যায়,
ওয়াক্ত হর ইনসান কা চেহরা দিখাতা হ্যায়।
বিশ্বাসের দরজা বন্ধ করার দরকার নেই,
শুধু বুঝে চললে কষ্টের আশঙ্কা কমে।
চেহরে সে সচ্চা লাগনে ওয়ালা ভি ধোকা দে সকতা হ্যায়,
জিস পে হো একিন, ওহি দিল দুখা সকতা হ্যায়।
বাস্তব দুনিয়ায় আস্থার পরীক্ষা হয়,
কথার চেয়ে কাজে মানুষের পরিচয়।
মতলব কি দুনিয়া মে কিসকা ভরোসা করেগা?
আজ জো আপনা হ্যায়, কাল বদল ভি সকতা হ্যায়।
বিশ্বাসের হাত ধরে যে হাঁটতে শুরু করে,
সে-ও কখনো প্রতারণার মুখোমুখি পড়ে।
ইনসানিয়াত খোতি নেহি হর জামানে মে,
সচ্চে দিল ভি মিলতে হ্যায় ইস দুনিয়া মে।
বিশ্বাস ভাঙার ঘটনা সত্যি হলেও,
সব মানুষ এক নয়—এ কথাও মনে রেখো।
জিস গাছ কি ছায়া মে তুম বৈঠতে হো আজ,
উসকি হিফাজত করনা ভি হ্যায় তেরা কাজ।
কাছের মানুষের আঘাত বেশি লাগে মনে,
তাই সম্পর্কের যত্ন রেখো দুজনের বন্ধনে।
ওয়াদা ও কসম কেবল কথারই খেলা নয়,
সত্যিকারের সম্পর্ক শুধু কথায় গড়া নয়।
বিশ্বাসের আড়ালে স্বার্থের লেনদেন,
আচরণেই প্রকাশ পায় মানুষের মন।
মিথ্যা আশার সাগরে সাঁতার কাটা ভুল,
প্রতারণার মানুষ দেয় না সুখের ফুল।
বিশ্বাসের নামে যারা আঘাত করে পিঠে,
তাদের থেকে দূরে থাকাই ভালো জীবনের পথে।
পেয়ার কা নাম সর্ফ দিখাওয়া নেহি,
দিল সে দিল কা রিশতা খেলনা নেহি।
বিশ্বাসের রং চটে যায় মিথ্যার আঘাতে,
সত্যিকারের সম্পর্ক টিকে থাকে যত্নে।
ভরোসা কাঁচ কি তরহ নাজুক হো সকতা হ্যায়,
এক বার টুটনে পে জুড়না মুশকিল হো সকতা হ্যায়।
বিশ্বাসঘাতকতার পর সতর্ক হওয়া স্বাভাবিক,
তবু সবার প্রতি অবিশ্বাস করা জরুরি নয়।
জিসে হামনে দিয়া দুনিয়া সে জ্যাদা মান,
উসনে হি কভি-কভি দিয়া দিল কো নুকসান।
বিশ্বাসের জায়গাটা ছোট হয়ে যায়,
তবু ভালো মানুষ চেনার আশা রয়ে যায়।
লোগ ওয়ফা কা তোহফা দেকর ঠগতে হ্যায়,
আপনা বনা কর পিছে সে ছোড়তে হ্যায়।
বাস্তবতার পথে বিশ্বাসের দাম কম মনে হয়,
তবু সততা আজও মানুষের বড় পরিচয়।
ঝুটি সচ্চাই সে তো সচ্চা ঝুট ভালো হোতা হ্যায়,
বেওফাই সে ভালো একলা রহনা হোতা হ্যায়।
বিশ্বাসের প্রদীপ নিভিয়ে যারা সুখ খোঁজে,
সত্যের মুখোমুখি একদিন তারাও হয়।
শেষ কথা
বিশ্বাসঘাতকতা কষ্ট দেয়, বিশেষ করে যখন আঘাতটা আসে খুব কাছের মানুষের কাছ থেকে। তবে একটি খারাপ অভিজ্ঞতা যেন আপনার জীবনের সব সম্পর্কের ওপর থেকে বিশ্বাস কেড়ে না নেয়। আশা করি, বিশ্বাসঘাতকতা নিয়ে এই কবিতা, ছন্দ ও শায়েরিগুলো আপনার মনের অনুভূতি প্রকাশ করতে সাহায্য করবে।
এই সংকলনের কোন কবিতা বা শায়েরিটি আপনার হৃদয় ছুঁয়েছে? আপনার পছন্দের পংক্তিটি কমেন্ট করে জানান। আপনার জীবনের অভিজ্ঞতা বা মনের কথাও চাইলে আমাদের সঙ্গে ভাগ করে নিতে পারেন।
