| |

ছেলেদের এলোমেলো চুল নিয়ে ক্যাপশন

ছেলেদের এলোমেলো চুলেও লুকিয়ে থাকে কখনো দুষ্টুমি, কখনো ভালোবাসা, আবার কখনো নিজের মতো করে বেঁচে থাকার গল্প। কারও কাছে এটা ঘুমের কারসাজি, কারও কাছে নতুন ফ্যাশন, আর প্রেমিকার চোখে হয়তো একরাশ মায়া। হাসি, মজা আর রোমান্টিক অনুভূতি মিলিয়ে এখানে থাকছে ছেলেদের এলোমেলো চুল নিয়ে ক্যাপশন, স্ট্যাটাস ও ছোট ছোট কবিতার সুন্দর সংগ্রহ।

ছেলেদের এলোমেলো চুল নিয়ে ক্যাপশন

চুলের অবস্থা দেখে ভয় পেয়ো না ভাই, ঘুমটা একটু বেশি ভালো হয়েছে, এই আর কী!

আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে চুল ঠিক করতে গিয়েছিলাম, আয়না এমন চেহারা দেখাল যে নিজেই আর সাহস পেলাম না।

আমার চুলের স্টাইল দেখে নাপিতও চিন্তায় পড়ে যায়, ভাবে এই ছেলের মাথায় কাঁচি চালাব, নাকি গবেষণা করব!

সকালে ঘুম থেকে উঠে চুল দেখে বুঝলাম, রাতে আমি ঘুমাইনি, মাথার ওপর দিয়ে একটা ঝড় বয়ে গেছে।

চিরুনিটা কিনেছিলাম শখ করে, এখন বেচারা ড্রয়ারে পড়ে থেকে আমার প্রতি অভিমান জমাচ্ছে।

চুল এলোমেলো বলে আমাকে পাগল ভাবার আগে একটু কথা বলো, পাগলামির পেছনে যথেষ্ট যুক্তি আছে!

মা রোজ বলে চুলটা আঁচড়ে নে, আমি বলি মা, সবাই যদি গোছানো হয়, তাহলে অগোছালো মানুষদের জায়গা কোথায়?

আমার চুলের কোনো স্থায়ী স্টাইল নেই, প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে নতুন একটা ডিজাইন আবিষ্কার করি।

বন্ধুরা চুল ঠিক করার পরামর্শ দেয়, অথচ তাদের নিজেদের জীবন দেখলে মনে হয় আগে নিজেদের সমস্যাগুলো আঁচড়ে নেওয়া দরকার।

বাতাস আমার চুল নিয়ে যা খুশি করতে পারে, অন্তত তার কাছে স্টাইল করার জন্য টাকা চাইতে হয় না।

চুল এলোমেলো দেখে কেউ হাসলে হাসুক, আমার ছবি দেখে আয়নাও যখন ভয় পায়, তখন মানুষের কাছে আর কী আশা করব!

হেলমেট খুলে চুল ঠিক করতে যাই না, কারণ ভেতরে যে নতুন ডিজাইন তৈরি হয়েছে, সেটা নষ্ট করার ইচ্ছা নেই।

চুলের প্রতিটা জট খুলতে বসলে সন্ধ্যা হয়ে যাবে, তার চেয়ে জীবনটা একটু গুছিয়ে নিই।

আমার চুল দেখে নাপিত একদিন বলেছিল, ভাই, আপনার মাথায় হাত দেওয়ার আগে একটু সাহস সঞ্চয় করে আসি!

চুলের যত্ন নেওয়ার কথা মনে পড়লেই বালিশের কথা মনে পড়ে, রাতের বেলায় দুজন মিলে যে কী কাণ্ড করে!

চুল এলোমেলো, জামাকাপড় সাধারণ, কিন্তু নিজের সম্পর্কে ধারণাটা একেবারে রাজকীয়!

আমার চুলের স্টাইল দেখে বন্ধুরা হাসে, পরে আবার নিজের ছবি তোলার সময় আমার মতো চুল রাখার চেষ্টা করে।

চিরুনি আর আমার সম্পর্কটা অনেকটা প্রাক্তন প্রেমের মতো, সামনে পড়লেও কেউ কারও সঙ্গে কথা বলে না।

চুল ঠিক করতে আয়নার সামনে দাঁড়িয়েছিলাম, পাঁচ মিনিট পর মনে হলো সমস্যাটা চুলে নয়, সমস্যাটা আমার ধৈর্যে!

আমার মাথার চুলগুলো স্বাধীন দেশের নাগরিক, কাউকে মানে না, কারও অনুমতিও নেয় না।

চুল এলোমেলো থাকলে কী হয়েছে, অন্তত নিজের মতো থাকতে পারি, প্রতিদিন আয়নার কাছে জবাবদিহি করতে হয় না।

চুলের দিকে তাকিয়ে ভাবলাম একটু কাটাব, তারপর মনে পড়ল, নাপিতের দোকানেও তো আমাকে টাকা দিয়ে অপমানিত হতে হবে!

আমার চুলের স্টাইল বুঝতে হলে সাধারণ জ্ঞান দিয়ে হবে না, এখানে একটু কল্পনাশক্তি লাগে।

বন্ধু বলল, চুলটা ঠিক কর, মানুষ কী বলবে? আমি বললাম, মানুষ তো এমনিতেই বলে, নতুন করে সুযোগ দিতে যাব কেন!

চুলের অবস্থা দেখে মনে হতে পারে জীবনে কোনো পরিকল্পনা নেই, অথচ মাথার ভেতর পরিকল্পনা এত বেশি যে চুল গোছানোর সময়ই পাই না!

ছেলেদের অগোছালো চুল নিয়ে ক্যাপশন

আমার চুল অগোছালো ঠিকই, কিন্তু কার সঙ্গে কতটুকু মিশতে হবে, সেই হিসাবটা বেশ গোছানো।

সকালে চুল দেখে মনে হলো, রাতে বালিশের সঙ্গে আমার কোনো বড় ধরনের ঝগড়া হয়েছে।

চুলের স্টাইল করতে গিয়ে সময় নষ্ট করি না, কারণ আয়নার সামনে দাঁড়ালেই আমার আত্মবিশ্বাসের পরীক্ষা শুরু হয়ে যায়।

আমার চুলের কোনো নির্দিষ্ট দিক নেই, বাতাস যেদিকে ঠেলে দেয়, সেদিকেই নতুন ফ্যাশন তৈরি হয়।

বন্ধু আমার চুল দেখে বলল, তোর মাথায় এত জট কেন? আমি বললাম, তোর প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই তো এত জট!

চুল অগোছালো বলে জীবনটাও অগোছালো, এমন ধারণা করলে আমার অসমাপ্ত কাজের তালিকা তোমাকে দেখাতে হবে!

আমার মাথার চুলের সঙ্গে চিরুনির সম্পর্কটা এমন, দুজনের দেখা হলেই একজন পালানোর রাস্তা খোঁজে।

চুল ঠিক করার জন্য আয়নার সামনে দাঁড়িয়েছিলাম, নিজের চেহারা দেখে শেষে মুখ ধুয়েই বেরিয়ে এলাম।

অগোছালো চুলে একটা সুবিধা আছে, কেউ নতুন স্টাইলের প্রশংসা না করলেও পুরোনো স্টাইলের অভিযোগ করতে পারে না।

আমার চুল দেখে বন্ধুরা যতটা হাসে, পরীক্ষার ফল বের হলে তাদের মুখ দেখে আমি তার চেয়ে বেশি হাসি।

চুলের যত্ন নেওয়ার ইচ্ছা আছে, শুধু ইচ্ছাটা প্রতিদিন সকালে ঘুমের কাছে হেরে যায়।

চুলে চিরুনি চালালে চুলগুলো এমন আচরণ করে, যেন তাদের ব্যক্তিগত স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করছি।

চুল অগোছালো হলেও কথা পরিষ্কার, পছন্দ না হলে সোজা বলো, ঘুরিয়ে ফিরিয়ে নাপিতের মতো কথা বলার দরকার নেই।

আমার চুলের স্টাইল প্রতিদিন বদলায়, অথচ জীবনের সমস্যাগুলো সেই আগের জায়গাতেই বসে আছে।

বালিশের সঙ্গে প্রতিদিন রাতের বন্ধুত্বের ফল সকালে মাথায় দেখা যায়, এই বন্ধুত্ব ভাঙার কোনো ইচ্ছা নেই।

চুলের অবস্থা দেখে কেউ যদি আমার ব্যক্তিত্ব বিচার করে, তাকে বলব, বইয়ের প্রচ্ছদ দেখে সব গল্প বোঝা যায় না!

আমার মাথার চুলগুলো নিজেদের মধ্যে এমন ঝামেলা পাকিয়েছে, একটা চিরুনি ঢোকালেই মনে হয় পারিবারিক বৈঠক বসেছে।

চুল অগোছালো বলে মন খারাপ করি না, জীবনে এর চেয়ে বড় বড় জট খুলতে গিয়ে অনেক সময় পার করেছি।

আয়না প্রতিদিন আমাকে নতুন করে সাজতে বলে, আমি প্রতিদিন তাকে বুঝিয়ে দিই, আমার হাতে অত সময় নেই।

চুলগুলো একটু বেয়াড়া, কিন্তু মনের ইচ্ছেগুলোকে বশে রাখতে শিখেছি, এতেই আপাতত শান্তি।

চুলের স্টাইল দেখে কেউ যদি আমাকে কবি ভাবে, তাহলে তাকে আগেই বলে রাখি, আমার মাথায় কবিতার চেয়ে ঘুমের চিন্তাই বেশি আসে।

আমার চুলের প্রতিটা জটের পেছনে একটা গল্প আছে, তবে সব গল্প শোনার ধৈর্য তোমার আছে কি না, সেটা আগে বলো।

অগোছালো চুল নিয়ে বাইরে বের হলে একটা সুবিধা হয়, কেউ আমাকে দেখে বুঝতে পারে না আমি সাজতে ভুলেছি, নাকি এটাই ফ্যাশন!

চুল ঠিক করতে গিয়ে যতবার ব্যর্থ হয়েছি, ততবার বুঝেছি, সবকিছু নিজের নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করাটাও একটা বাড়তি ঝামেলা।

আমার চুলের অবস্থা দেখে নাপিত বলেছে, ভাই, আগে একটু বুঝিয়ে বলুন আপনার মাথায় কী চলছে, তারপর কাঁচি চালাব!

ছেলেদের এলোমেলো চুল নিয়ে স্ট্যাটাস

সকালে ঘুম থেকে উঠে চুল দেখে মনে হলো, বালিশটা রাতে আমার মাথায় বসে নিজের প্রতিভা দেখিয়েছে!

চুল আঁচড়ানোর সময় নেই, তবে কে কী বলল, সেটা মনে রাখার সময় ঠিকই আছে!

আমার চুলের স্টাইল দেখে কেউ যদি ফ্যাশন শিখতে আসে, তাকে আগে এক কাপ চা খাইয়ে বিদায় করে দেব।

চুল এলোমেলো থাকুক, দিনটা অন্তত এলোমেলো না গেলেই হলো!

চিরুনি হাতে নিলেই মনে হয়, জীবনের সব সমস্যার সমাধান করতে বসেছি, অথচ পাঁচ মিনিট পরেই আবার আগের অবস্থা।

চুলের যত্ন নিতে গিয়ে বুঝেছি, কিছু জিনিস যতই ঠিক করতে চাও, তারা নিজের মতো থাকতেই বেশি পছন্দ করে।

আমার চুল দেখে হাসার আগে নিজের সকালের চেহারাটা একবার মনে করে দেখো, তারপর বিচার করতে এসো!

চুলের স্টাইল নিয়ে আমার কোনো দুশ্চিন্তা নেই, মাসের শেষে পকেটের অবস্থা নিয়েই যথেষ্ট চিন্তা আছে।

বালিশের সঙ্গে আমার বন্ধুত্ব এত গভীর যে সকালে বিদায় নেওয়ার সময় মাথার চুলগুলোও সঙ্গে যেতে চায়।

চুল এলোমেলো বলে আমাকে অবহেলা কোরো না, মাথার ভেতরে এমন কিছু পরিকল্পনা আছে, যা শুনলে তুমিও চিরুনি ভুলে যাবে।

আয়না বলল, আজ তোমাকে ভালো লাগছে না। আমি বললাম, তোর কাজ মুখ দেখানো, সমালোচনা করা নয়!

আমার চুলের স্টাইল প্রতিদিন নতুন, শুধু পকেটের ভেতরের বাতাসটা পুরোনো!

বন্ধুরা বলে একটু স্মার্ট হ, আমি বলি, আগে মাসের শেষ পর্যন্ত স্মার্টভাবে টিকে থাকার উপায় শেখা দরকার।

চুল ঠিক করতে গিয়ে আয়নার সামনে এত সময় কাটাতে পারব না, আমার তো এখনো অনেক স্বপ্নের সঙ্গে দেখা করা বাকি।

এলোমেলো চুলের একটা আলাদা সুবিধা আছে, হঠাৎ বৃষ্টিতে ভিজলেও মনে হয় না খুব বেশি ক্ষতি হয়েছে!

আমার চুল দেখে কেউ যদি ভাবে আমি সারারাত জেগেছি, তাকে বলব, ঘুমিয়েছি ঠিকই, শুধু বালিশটা একটু বেশি ভালোবাসা দেখিয়েছে।

চুল নিয়ে মানুষের পরামর্শের শেষ নেই, অথচ নিজের জীবনের পরামর্শ চাইলে সবাই হঠাৎ ব্যস্ত হয়ে যায়!

আমার চুলের সঙ্গে যুদ্ধ করে কোনো লাভ নেই, এই যুদ্ধে জয়ী হওয়ার চেয়ে শান্তিচুক্তি করাই ভালো।

চুল এলোমেলো, মুখে হাসি, পকেটে টাকা কম, তবু নিজের রাজ্যে আমি দিব্যি সুখে আছি।

আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে চুল ঠিক করার চেষ্টা বাদ দিয়েছি, কারণ প্রতিদিন একই ভুল করে নতুন ফল আশা করা বোকামি।

আমার চুলের স্টাইল দেখে নাপিতও একদিন ছুটি চেয়ে বসবে, তাই আপাতত ওকে শান্তিতে থাকতে দিচ্ছি।

চুলের জট খুলতে গিয়ে সময় নষ্ট করার চেয়ে বন্ধুর সঙ্গে বসে দুই কাপ চা খাওয়া অনেক বেশি লাভজনক।

আমার চুলের অবস্থা নিয়ে যারা চিন্তিত, তাদের বলছি, চিন্তার বিষয় আরও আছে, চাইলে একটা তালিকা দিতে পারি!

চুল অগোছালো দেখে প্রেমিকা না জুটলেও সমস্যা নেই, অন্তত আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে প্রেমের অভিনয় করতে হয় না।

চুলের স্টাইল ঠিক করতে গিয়ে জীবনটা যেন স্টাইলের পেছনেই হারিয়ে না যায়, এই ভেবেই চিরুনিকে দূরে রাখি।

ছেলেদের এলোমেলো চুল নিয়ে রোমান্টিক ক্যাপশন

তোমার এলোমেলো চুলগুলো দেখে মনে হয়, বাতাসও তোমার প্রেমে পড়ে একটু দুষ্টুমি করে গেছে।

তোমার চুলে হাত বুলিয়ে দিতে ইচ্ছে করে, তবে আগে অনুমতি চাইব, ভালোবাসি বলে সব অধিকার পেয়ে গেছি এমন তো নয়!

তোমার চুলগুলো যখন কপালের ওপর এসে পড়ে, তখন মনে হয় আমার প্রিয় মানুষটার মুখে মেঘের ছায়া নেমেছে।

তোমার এলোমেলো চুল ঠিক করে দেওয়ার অজুহাতে যদি একটু কাছে আসতে পারতাম, তাহলে চিরুনিটাকেও ভালোবাসতে শিখতাম।

তোমার চুলে বাতাসের দুষ্টুমি দেখতে ভালো লাগে, শুধু বাতাসটা যখন বেশি বাড়াবাড়ি করে, তখন একটু হিংসা হয়!

তোমার অগোছালো চুলে কোনো সাজানো গল্প নেই, অথচ তোমাকে দেখলেই আমার মনে কত শত গল্প তৈরি হয়।

তোমার চুলের আড়ালে লুকিয়ে থাকা চোখ দুটো দেখার জন্যই হয়তো বারবার তোমার দিকে তাকিয়ে থাকি।

তুমি চুল এলোমেলো করে সামনে এলে আমার সব অভিযোগ হারিয়ে যায়, তখন শুধু মনে হয়, মানুষটা আমার কত আপন!

তোমার চুল ঠিক করে দেওয়ার ইচ্ছেটা ছোট, কিন্তু সেই অজুহাতে তোমার পাশে বসে থাকার স্বপ্নটা বেশ বড়।

তোমার চুলে আঙুল ছোঁয়ানোর আগে হাজারবার ভাবি, আর একবার ছুঁতে পারলে হয়তো হাজারটা কথা ভুলে যাব।

তোমার এলোমেলো চুলের দিকে তাকিয়ে বুঝেছি, সৌন্দর্য সব সময় আয়নার নিয়ম মেনে চলে না।

তুমি যখন চুল সরিয়ে আমার দিকে তাকাও, তখন মনে হয় পৃথিবীর সব ব্যস্ততা একটু থেমে গেলে মন্দ হতো না।

তোমার চুলের গন্ধে কোনো দামি আতরের দরকার নেই, আমার কাছে তোমার পরিচিত ঘ্রাণটাই সবচেয়ে প্রিয়।

তোমার চুল এলোমেলো থাকলে ঠিক করে দিতে ইচ্ছে করে, আর তুমি রাগ করলে সেই রাগ ভাঙানোর জন্য আরও কাছে যেতে ইচ্ছে করে।

তোমার চুলে বাতাস হাত রাখলে আমার মনে হয়, আমার ভাগের আদরটুকু অন্য কেউ নিয়ে যাচ্ছে!

তুমি সাজো বা না সাজো, তোমাকে ভালো লাগার জন্য আমার কোনো বিশেষ দিনের দরকার হয় না।

তোমার এলোমেলো চুল আর ঘুমজড়ানো চোখ দেখে মনে হয়, সকালটা যদি তোমার পাশে বসেই কাটিয়ে দেওয়া যেত!

তোমার চুল ঠিক করার অজুহাতে কাছে আসব, তারপর বলব, চুল ঠিক হয়েছে কি না জানি না, তবে আমার মনটা ঠিক তোমার কাছেই আছে।

তোমার চুলের প্রতিটি বাঁকে সৌন্দর্য খুঁজে পাই না, আমি খুঁজে পাই সেই মানুষটাকে, যার পাশে থাকলে মনটা ভালো হয়ে যায়।

তোমার অগোছালো চুলে তোমাকে এত সুন্দর লাগে যে সাজতে বসলে মাঝে মাঝে তোমাকে থামিয়ে দিতে ইচ্ছে করে।

তুমি চুল এলোমেলো করে হাসলেই আমার মনে হয়, এই হাসির জন্য সারাদিনের ক্লান্তি অনায়াসে সহ্য করা যায়।

তোমার চুলের ওপর দিয়ে বাতাস বয়ে গেলে চুলগুলো উড়ে যায়, আর আমার মনটা উড়ে যায় তোমার কাছে।

তোমার চুল ঠিক করতে গিয়ে যদি হাতটা একটু বেশিক্ষণ থেকে যায়, বুঝে নিও, চিরুনির চেয়ে তোমার কাছেই আমার বেশি মন পড়ে আছে।

তোমার এলোমেলো চুলে কোনো নিখুঁত সাজ নেই, তবু আমার চোখে তোমাকে দেখার চেয়ে সুন্দর দৃশ্য আর কিছু নেই।

তোমাকে ভালোবাসার জন্য তোমার নিখুঁত হওয়ার দরকার নেই, তোমার নিজের মতো থাকাটাই আমার কাছে সবচেয়ে সুন্দর।

ছেলেদের এলোমেলো চুল নিয়ে দুই লাইনের ক্যাপশন

চুলের জট খুলতে গিয়ে চিরুনি আজ প্রায় হাল ছেড়ে দিয়েছে, আমার মাথার ওপর নতুন ফ্যাশনের জন্ম হয়েছে, সে বুঝি খবর পায়নি!

সকালে চুল দেখে আয়নাও মুখটা একটু বাঁকিয়ে নেয়, আমি হেসে বলি, ভাই, তোরও তো প্রতিদিন একই মুখ, তুই আগে বদলে আয়!

বালিশের সঙ্গে যুদ্ধ করে সকালে যে চুলের জন্ম হয়, সেই চুল নিয়েই বাইরে বের হই, কারণ আত্মবিশ্বাসের কোনো চিরুনি হয় না!

চুল এলোমেলো, জামা সাধারণ, পকেটে টাকাও কম, তবু আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে ভাবি, রাজকীয় ভাবটা আছে তো কম নয়!

চিরুনি আমার দিকে তাকিয়ে প্রতিদিন দীর্ঘশ্বাস ফেলে, আমি তাকে বুঝিয়ে বলি, সব প্রেমের গল্পের শেষ মিলন দিয়ে হয় না!

বাতাস এসে চুলগুলোকে নিজের মতো সাজিয়ে দিয়ে যায়, আমি ভাব নিই এমনভাবে, যেন এই স্টাইলের জন্যই মানুষ টাকা খরচায়!

চুলের জট দেখে নাপিত বলল, ভাই, এ কেমন অবস্থা! আমি বললাম, জীবনের সমস্যাগুলো দেখলে বুঝবে, এ তো সামান্য ব্যবস্থা!

চুল ঠিক করতে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে ছিলাম বেশ কিছুক্ষণ, শেষে বুঝলাম, চুলের চেয়ে আমার ধৈর্যেরই দরকার বেশি যত্ন!

আমার চুলের স্টাইল দেখে বন্ধুরা হাসে সকাল-বিকেল, তাদের প্রেমের খবর শুনলে আমার হাসি চলে যায় দ্বিগুণ বেড়ে!

চুল এলোমেলো হলেও স্বপ্নগুলো সাজানো আছে মনে, একদিন ঠিকই হাসব আমি নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে সবার সামনে!

তোমার চুলে বাতাস খেলে, আমার মনে প্রেমের ঢেউ, তোমায় একটু কাছে পেলে আর চাইব না কিছুই!

তোমার এলোমেলো চুলে চোখ দুটো যখন ঢাকা পড়ে যায়, তখন তোমায় দেখতে গিয়ে আমার চোখের পলক হারিয়ে যায়!

চুল ঠিক করার অজুহাতে তোমার কাছে আসতে চাই, চিরুনি থাকুক দূরে, তোমার হাতটা একটু ছুঁতে চাই!

তোমার চুলে আঙুল বোলানোর স্বপ্ন দেখি রাতভর, তুমি পাশে থাকলে প্রিয়, শীতও লাগে মধুরতর!

চুল এলোমেলো, মুখে হাসি, চোখে স্বপ্নের আলো, এমন সাধারণ ছেলেটাকেও নিজের কাছে রেখো ভালো!

আমার চুলের স্টাইল বুঝতে গেলে লাগবে অনেক জ্ঞান, চিরুনি দেখে পালিয়ে যায় আমার মাথার অভিমান!

চুলের জট খুলতে গিয়ে দিনটা হয়ে যায় শেষ, তাই নিজের মতো থাকি আমি, এটাই আমার বেশ!

আয়না বলে চুলটা ঠিক কর, মানুষ কী বলবে ভাই, আমি বলি, মানুষ তো বলবেই, তাদের থামানোর সাধ্য নাই!

চুল এলোমেলো দেখে ভেবো না, আমি ভীষণ উদাসীন, স্বপ্ন পূরণের হিসাব নিয়ে আমার সকাল-সন্ধ্যা রঙিন!

বালিশের কাছে হার মেনে চুল হয়েছে অগোছালো, তবু নিজের মতো বাঁচতে পারার আনন্দটাই ভালো!

তোমার চুলের নরম ছোঁয়া মনটা করে চুরি, তোমার পাশে বসে থাকলে দুনিয়াটা লাগে মধুরই!

চুলের স্টাইল নিয়ে আমার কোনো চিন্তা নেই আজ, জীবনটাকে সুন্দর করার চলছে আসল কাজ!

এলোমেলো চুলে আমার ছবিটা দেখতে লাগে মন্দ, তবু তোমার একটা হাসি পেলে সব অভিযোগ বন্ধ!

চুলের জট আর জীবনের জট, দুটোই আছে ভাই, চিরুনি দিয়ে প্রথমটা খুলব, দ্বিতীয়টার উপায় খুঁজি তাই!

চুল এলোমেলো, মনটা ভালো, মুখে মিষ্টি হাসি, নিজের মতো বাঁচতে পারাই আমার সবচেয়ে বড় খুশি!

তোর চুলের জট খুলতে সন্ধ্যা নেমে আসে। তবু তোকে ছেড়ে যেতে মন যে নাহি চায় পাশে।

চুল এলোমেলো করে যখন সামনে আসিস, আমার জমা রাগগুলোও হেসে বিদায় নিস!

তোর চুল নিয়ে কত কথা, কত যে খুনসুটি। তুই মুখ ফিরিয়ে নিলেই মনটা হয় ছটফটি!

তোর মাথায় হাত রেখে চুপটি করে বসি। কত কথা বলব ভেবে শুধু তোকে দেখি!

তোর চুলের ঘ্রাণে মেশে চেনা বিকেলবেলা। তোর পাশে বসে কাটুক আমার সারাবেলা।

তোর চুল উড়িয়ে বাতাস পালিয়ে যায় দূরে। আমার মনটা পড়ে থাকে তোরই চোখের নূরে।

তোর অগোছালো চুলে নেই সাজানো গল্প। তবু তুই আপন আমার, এটাই অনেক অল্প?

তুই চুল সরিয়ে যখন আমার দিকে তাকাস, মনে হয় এই মুহূর্তেই সবকিছু ফিরে পাস।

তোর চুলে হাত বুলিয়ে যদি রাত পেরিয়ে যায়, সেই রাতের স্মৃতিটুকু আজীবন মনে রয়।

তোর চুলে থাকুক জট, থাকুক হাজার ভুল। তুই যে আমার আপন, তুই-ই আমার ফুল।

ছেলেদের এলোমেলো চুল নিয়ে ছোট কবিতা

ঘুম থেকে উঠে চুলের দশা,
আয়না দেখে হাসি।
চিরুনি খুঁজে লাভ কী বলো,
ঘুমকেই ভালোবাসি!

আয়না বলে, মাথায় কীসের ঝড়?
আমি বলি, বুঝলি না?
বালিশের সঙ্গে যুদ্ধ করেছি,
এখন আবার সাজব না!

চুল আঁচড়াতে মা রোজ বলে,
আমি বলি, পরে।
চুলের চেয়ে ঘুমটা আমার
প্রিয় যে সবকিছুর উপরে!

চিরুনি হাতে নিলেই দেখি,
চুল করেছে বিদ্রোহ।
এমন অবাধ্য মাথার সঙ্গে
কীভাবে হবে সমঝোতা?

চুলের দশা দেখে বন্ধু
দিল আমায় উপদেশ।
বললাম, তোর প্রেমের খবর
দে, তারপর করব শেষ!

সকালে চুল দাঁড়িয়ে থাকে,
চারদিকে তার মুখ।
রাতে বালিশ কী করেছে,
সেটাই ভাবার সুখ!

বালিশের কাছে হেরে গিয়ে
চুলের এমন হাল।
তবু আয়নার সামনে আমার
ভাবখানা বিশাল!

চুলের জট খুলতে গেলে
দুপুর হবে পার।
তার চেয়ে চা খেয়ে নিই,
পরে দেখা যাবে আর!

চুলের স্টাইল দেখে নাপিত
বলে, ভাই, কী চাই?
আমি বলি, যা আছে তাই রাখ,
নতুন কিছু নাই!

চুল এলোমেলো দেখে কেউ
হাসলে হাসুক ভাই।
নিজের ছবি দেখে আমারও
হাসি থামে না তাই!

প্রেমিকের এলোমেলো চুল নিয়ে কবিতা

তোর চুলগুলো এলোমেলো,
তবু লাগে ভালো।
তুই হাসলেই মনটা আমার
হয়ে ওঠে আলো।

তোর চুলে হাত বোলানোর
ইচ্ছে জাগে মনে।
একটু কাছে আয় না বসি,
দুজন পাশাপাশি ক্ষণে।

বাতাস তোর চুল ওড়ায়,
আমার লাগে জ্বালা।
বিনা অনুমতিতে ব্যাটা
পায় আদরের পালা!

তোর চুল ঠিক করতে গিয়ে
থেমে যায় যে হাত।
কাছে পেলে তোকে আমি
ভুলে যাই সব কথা।

ঘুম থেকে উঠে তোর চুল
দেখে হাসি পায়।
এই পাগল ছেলেটার প্রেমে
মনটা হারিয়ে যায়।

তোর চুলে মুখটা লুকিয়ে
যখন আমায় হাসিস,
অভিমান সব ভুলিয়ে দিয়ে
মনটা চুরি করিস।

তোর চুলে চিরুনি চালাস,
আপত্তি আমার নেই।
তোর এলোমেলো রূপের মতো
সুন্দর কিছু নেই।

তোর মাথায় হাত রাখলে
মনটা জুড়িয়ে যায়।
সারাদিনের ক্লান্তিগুলো
কোথায় হারিয়ে যায়!

তোর চুলের মিষ্টি ঘ্রাণে
মনটা কেমন করে।
ইচ্ছে করে বসে থাকি
তোর পাশে ভোরের পরে।

তোর এলোমেলো চুলে
রাগ করব কী করে?
একটু হাসলেই রাগগুলো
পালায় কোন ফাঁকে!

ছেলেদের চুল নিয়ে রোমান্টিক ক্যাপশন

তোমার চুল এলোমেলো,
তবু চোখ ফেরাতে পারি না।
তুমি সামনে থাকলে আমি
অন্য কিছু ভাবতে পারি না।

তোমার চুল ঠিক করার
বাহানা খুঁজি মনে।
আসলে শুধু থাকতে চাই
তোমার কাছাকাছি ক্ষণে।

তোমার চুলে বাতাস খেলে,
আমার মনে রাগ।
বাতাস এত কাছে পায়,
আমার কেন লাগে ভাগ!

তুমি চুল এলোমেলো করে
যখন সামনে আসো,
আমার জমিয়ে রাখা অভিমান
হেসেই উড়িয়ে নাও।

তোমার চুলে হাত রাখার
সাহস হয়নি আজও।
তোমায় নিয়ে কত স্বপ্ন
দেখেছি তবু কত!

ঘুমজড়ানো মুখটা তোমার,
চুলগুলো এলোমেলো।
এমন সাধারণ দৃশ্যটাও
আমার ভীষণ ভালো।

তোমার চুল ঠিক করতে গিয়ে
যদি হাসি বারবার,
বুঝে নিও তোমার প্রেমে
আটকে গেছি এবার।

চুলের আড়ালে চোখ দুটো
কী যে মায়া ছড়ায়!
মন খারাপের দিনেও তারা
মুখে হাসি ফোটায়।

তুমি যেমন আছ,
তেমনই থেকো প্রিয়।
তোমার নিজের রূপটাই
আমার কাছে নিখুঁত।

তোমার এলোমেলো চুলে
ঘরোয়া মায়া আছে।
হাজার সাজের ভিড়েও
এমন সৌন্দর্য কোথায় আছে!

এলোমেলো চুল নিয়ে ভালোবাসার কবিতা

তোর চুলের জট খুলতে
সন্ধ্যা নেমে আসে।
তবু তোকে ছেড়ে যেতে
মন যে নাহি চায় পাশে।

চুল এলোমেলো করে
যখন সামনে আসিস,
আমার জমা রাগগুলোও
হেসে বিদায় নিস!

তোর চুল নিয়ে কত কথা,
কত যে খুনসুটি।
তুই মুখ ফিরিয়ে নিলেই
মনটা হয় ছটফটি!

তোর মাথায় হাত রেখে
চুপটি করে বসি।
কত কথা বলব ভেবে
শুধু তোকে দেখি!

তোর চুলের ঘ্রাণে মেশে
চেনা বিকেলবেলা।
তোর পাশে বসে কাটুক
আমার সারাবেলা।

তোর চুল উড়িয়ে বাতাস
পালিয়ে যায় দূরে।
আমার মনটা পড়ে থাকে
তোরই চোখের নূরে।

তোর অগোছালো চুলে
নেই সাজানো গল্প।
তবু তুই আপন আমার,
এটাই অনেক অল্প?

তুই চুল সরিয়ে যখন
আমার দিকে তাকাস,
মনে হয় এই মুহূর্তেই
সবকিছু ফিরে পাস।

তোর চুলে হাত বুলিয়ে
যদি রাত পেরিয়ে যায়,
সেই রাতের স্মৃতিটুকু
আজীবন মনে রয়।

তোর চুলে থাকুক জট,
থাকুক হাজার ভুল।
তুই যে আমার আপন,
তুই-ই আমার ফুল।

ছেলেদের এলোমেলো চুল নিয়ে বাংলা ক্যাপশন

চুলের অবস্থা দেখে
বিচার কোরো না ভাই।
ঘুম থেকে উঠে এমন দশা,
এতে আমার দোষ নাই!

মা বলে চুল আঁচড়া,
বন্ধু বলে কাট।
আমি বলি, থাম তোরা,
আগে খেতে দে ভাত!

চিরুনি কিনে রেখেছি,
ব্যবহার করা হয় না।
আমার চুলের সঙ্গে ওর
বনিবনা হয় না!

চুলের স্টাইল দেখে নাপিত
দূরে দূরে থাকে।
কাঁচি হাতে সাহস নিয়ে
তারপর দোকানে ডাকে!

বালিশের সঙ্গে রাতে
কী চুক্তি হয়েছে জানি না।
সকালে মাথা দেখে
নিজেকেই চিনি না!

চুলের স্টাইল নিয়ে
আমার দুশ্চিন্তা নেই।
মাসের শেষে পকেট সামলানো
কম ঝামেলা নয়!

বন্ধু বলে, চুল ঠিক কর,
দেখতে লাগে খারাপ।
আমি বলি, প্রেমের খবর
দে, তারপর করব আলাপ!

চুল এলোমেলো বলে
বাউন্ডুলে ভাবিস না।
মাথার ভেতর কী যে চলে,
তা তুই বুঝবি না!

আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে
চুলের সঙ্গে তর্ক।
চুল বলে, ছেড়ে দে ভাই,
স্বাধীন থাকাই শখ!

চুলের জট আর জীবনের জট,
দুটোই বড় ঝামেলা।
একটা খুলতে চিরুনি লাগে,
অন্যটায় ধৈর্যের খেলা!

শেষ কথা

এলোমেলো চুলে ছেলেদের ভাব,
দেখলেই লাগে প্রেমের আভাস!
চিরুনি বলে, একটু তো শোন,
ছেলে বলে, আগে প্রেমিকা জোটুক, তারপর সাজাব চুলের বন!

Similar Posts

One Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *