ফানি ক্যাপশন (পাট ২)
এবার একটু বেশি স্বাভাবিক, কৌতূহল তৈরি করে এমনভাবে দিলাম, যাতে শুরুতেই পাঠক পরের অংশ পড়তে আগ্রহী হয়।
একটু হাসি, একটু দুষ্টুমি আর পরিচিত জীবনের কিছু মজার মুহূর্ত মিলেই তৈরি হয় আসল ফানি ক্যাপশন। ফানি ক্যাপশন পার্ট ১–এ যারা মজার ক্যাপশন খুঁজে পেয়েছেন, তাদের জন্য এই পর্বে থাকছে আরও কিছু নতুন ও ভিন্ন স্বাদের লেখা। খাবার থেকে শুরু করে প্রেম, ঘুম, মেসেঞ্জার কিংবা ফেসবুকের নিত্যদিনের কাণ্ডকারখানা, সবকিছু নিয়েই আছে হাসির খোরাক। সঙ্গে ছেলেদের নিয়ে ফানি ক্যাপশন এবং মেয়েদের নিয়ে ফানি ক্যাপশন–ও থাকছে, যেখানে নিজের বা বন্ধুর সঙ্গে মিলে যাওয়ার মতো অনেক কথাই খুঁজে পাবেন। পুরো তালিকাটা একবার দেখলেই হয়তো নিজের পছন্দের ক্যাপশনটা খুঁজে নিয়ে পোস্ট করে ফেলতে ইচ্ছে করবে।
খাবার নিয়ে ফানি ক্যাপশন
সোমবার থেকে ডায়েট করব, এই সোমবারটা শুধু খুঁজে পাচ্ছি না।
বিরিয়ানির গন্ধ পেলেই ডায়েটের কথা মাথা থেকে উধাও।
পেট ভরাতে বসিনি, স্বাদ দেখতে গিয়ে তিন প্লেট শেষ।
চোখ খুললেই খাবার, চোখ বন্ধ করলেই ঘুম।
ঘরের ভাত যতই ভালো হোক, ফাস্টফুডের কাছে মন হার মানে।
রান্না করতে গিয়ে খাবারের চেয়ে ধোঁয়াই বেশি হলো।
খালি পেটে আমি মানুষ না, একদম রাগী সংস্করণ।
ফ্রিজে কিছু নেই, তবু বারবার খুলে দেখি।
বন্ধুকে খাবার দেব, কিন্তু শেষ টুকরোটা না।
মন খারাপ হলে ফ্রিজ খুলি, কী আছে জানি না।
যে খাবারের বিল অন্যজন দেয়, সেটাই সবচেয়ে সুস্বাদু।
ঠান্ডা খাবারেও আমার আপত্তি নেই, পেটের তো নেই।
ভাত শেষ, কিন্তু মিষ্টির জন্য পেট এখনো খালি।
বাঙালির ডায়েট মানেই ভাত কম, বাকি সব বেশি।
খিদে কখন আসবে, আমার ঘড়িও সেটা জানে না।
মেনু হাতে আমি নবাব, বিল এলে চুপ।
মায়ের রান্নার প্রশংসা করলেই পাতে ভাত বাড়ে।
রাত দুইটায় ফ্রিজ খোলার আনন্দটাই আলাদা।
পাতে খাবার রেখে দেওয়া পাপ, তাই সব শেষ করে দিলাম।
মন বলছে থাম, পেট বলছে আরেকটু খা।
মেসেঞ্জার ফানি ক্যাপশন
মেসেজ দেখেও রিপ্লাই নেই, মানুষটা বোধহয় ভাবছে কী লিখবে।
সিন করে চুপ থাকাটা এখন আলাদা এক প্রতিভা।
অনলাইনে আসি, কিন্তু কথা বলার মানুষ খুঁজে পাই না।
“কী করো?” এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই সময় চলে যায়।
পোস্টে লাইক নেই, মনে হচ্ছে সবাই অফলাইনে।
পাঁচ মিনিটের ভয়েস পাঠালাম, উত্তর এলো “হুম”।
চ্যাটের “হুম” কথাটা অনেক কিছু বুঝিয়ে দেয়।
সকালে কথা, দুপুরে ঝগড়া, রাতে ব্লক।
মেসেজ দেখেই উধাও, এমন গতি কোথায় পেলে?
পড়তে বসেছি বলে মেসেজ দিলাম, তারপর রিলস দেখা শুরু।
ইনবক্স খুলে দেখি, আমার আর বটের বসবাস।
ভুল মেসেজ পাঠিয়ে আনসেন্ড করার গতি দেখার মতো।
সবসময় অনলাইন থাকি, কাজের বেলায় খুঁজে পাওয়া যায় না।
“পরে কল দিচ্ছি” মানে আজ আর কল আসছে না।
স্ট্যাটাসে শান্তি, বাস্তবে মাথার ভেতর ঝড়।
ঝগড়া বেশি হলে ব্লক, প্রেমের সহজ সমাধান।
টাইপিং দেখে অপেক্ষা করলাম, শেষে এলো “K”।
পাঠানোর আগে দশবার ভাবি, পাঠিয়ে আবার আফসোস করি।
মেসেঞ্জারের শব্দ শুনে ফোন দেখি, অফার মেসেজ।
“মিস করছি” লিখলাম, উত্তর এলো “আপনি কে?”
প্রেম নিয়ে ফানি ক্যাপশন
প্রেমে পড়লাম, পরে দেখি আমি একাই পড়েছি।
প্রেম অন্ধ না হলে আমার দিকে তাকাত।
প্রেম করার আগে অনেক হিসাব করেছিলাম, হিসাবটাই ভুল ছিল।
যার জন্য মন কাঁদে, সে হয়তো জানেই না।
প্রেমে পড়া সহজ, টিকিয়ে রাখাই আসল ঝামেলা।
“আই লাভ ইউ” বলতে টাকা লাগে না, পরে লাগে।
একবার ব্রেকআপ, আবার প্রেম। জীবনটা রিসাইকেল বিন।
বলল, “তুমিই আমার নিঃশ্বাস”, বিলটা অবশ্য আমার হাতে দিল।
প্রেমে ঘুম কমে, খাওয়া কমে, চিন্তা বাড়ে।
আমার প্রেমের শুরু হাই দিয়ে, শেষ হয় ব্লকে।
প্রেমের সময় নিজেকে রাজা মনে হয়, ব্রেকআপে সব শেষ।
“তোমাকে ছাড়া বাঁচব না” বলেও সবাই দিব্যি বেঁচে থাকে।
প্রেমে পড়লে পাসওয়ার্ডও আর নিজের থাকে না।
ভ্যালেন্টাইনে কাপল দেখি, তারপর নিজের জীবন ভাবি।
সব কথা বললাম, উত্তর এলো, “তুমি তো আমার ভালো বন্ধু!”
প্রেমে পড়ে কবি হলাম, সে পড়ে গেল অফলাইনে।
প্রেম শুরু হলেই পকেটের হিসাব বদলে যায়।
প্রেম করব ঠিকই, প্রেমটাই আমাকে পাত্তা দেয় না।
প্রেমে মানুষ বোকা হয়, আমি একটু আগেই বোকা ছিলাম।
ভালোবেসে ভাই ডাক শুনেছি, এরপর আর কিছু বলার নেই।
ঘুম নিয়ে ফানি ক্যাপশন
ঘুমকে চাই, ঘুম আমাকে চায় না।
রাত হলে মাথায় হাজার চিন্তা, সকাল হলে কিছুই মনে নেই।
ঘুমাব বলে ফোন হাতে নিই, তারপর সকাল হয়ে যায়।
শরীর ঘুম চায়, মাথা পুরোনো গল্প মনে করায়।
অ্যালার্ম ছয়টায়, ঘুম ভাঙে এগারোটায়।
বালিশ আর কম্বল থাকলেই জীবন সুন্দর।
দিনে ঘুম পায়, রাতে ঘুম পালায়।
লাইট বন্ধ করলেই মাথায় নতুন নতুন চিন্তা আসে।
রাত জাগার কারণ নেই, তবু রাত জাগি।
অ্যালার্ম বন্ধ করার কাজে আমি বেশ দক্ষ।
ঘুমের মধ্যে জীবনটা সুন্দর, উঠলেই বাজারের চিন্তা।
পাঁচ মিনিট চোখ বন্ধ করেছিলাম, পাঁচ ঘণ্টা কোথায় গেল?
আমার ঘুমের কোনো সময়সূচি নেই।
ফোন চার্জে দিয়ে শুয়েছিলাম, ফোন নিয়েই আবার জেগে গেলাম।
ঘুম দরকারের সময় আসে না, কাজের সময় এসে হাজির।
রাতে জীবন নিয়ে ভাবি, সকালে শুধু চায়ের কথা মনে হয়।
ঘুম ভাঙার পরও বিছানা ছাড়তে মন চায় না।
শোয়ার আগে পানি খাই, রাতে বারবার উঠি।
মশা আর অ্যালার্ম, শান্তির দুই শত্রু।
কাজ দেখলে ঘুম পায়, ঘুমাতে গেলেই কাজ মনে পড়ে।
বাংলা ফেসবুক ফানি ক্যাপশন
ছবি দিলাম, লাইক নেই। আমি কি অদৃশ্য?
সকালে পরিচয়, দুপুরে প্রেম, রাতে ব্লক।
ছবিতে লাইক দিয়ে জিজ্ঞেস করল, “এই মানুষটা কে?”
ফ্রেন্ডলিস্টে হাজার মানুষ, দরকারে কাউকে পাওয়া যায় না।
পঞ্চাশটা ছবি তুলে একটা পোস্ট করি।
স্ট্যাটাসে সুখী, বাস্তবে ঘরেই বন্দি।
কেউ কমেন্ট না করলেও আম্মু ঠিকই বলেন, “খেয়ে নিস।”
ফেসবুকে কুল, বাজারে গেলে হাতে থলে।
“ফিলিং লোনলি” লিখে একাকীত্ব ঘোষণা করছি।
যাকে রিকোয়েস্ট পাঠাই, সে রিকোয়েস্টটা ঝুলিয়ে রাখে।
আইডি আছে, দর্শক নেই।
পড়তে বসলে ঘুম, ফেসবুকে বসলে চোখে জোর।
“আজ থেকে ফেসবুক বন্ধ” লিখেই কমেন্ট দেখতে বসি।
ঝগড়া হলে ব্লক, সমস্যার সমাধান এক ক্লিকেই।
কেউ লাইক দেয় না? নিজের পোস্টে নিজেই লাইক দিই।
ফেসবুকে বড় তারকা, এলাকায় গেলে কেউ চেনে না।
হাসির ছবি দিই, পেছনে মন খারাপ থাকে।
ফ্রেন্ডলিস্ট বড়, কিন্তু জন্মদিনে শুভেচ্ছা আসে অটো মেসেজে।
পোস্টে লাইক না এলে মনে হয় আইডিটাই শেষ।
ফেসবুকের সব কথা সত্যি না, কিছু শুধু সাজানো গল্প।
বিড়াল নিয়ে ফানি ক্যাপশন
বিড়াল পুষেছি, এখন বুঝি আমি ওর ভাড়াটে।
বিছানাটা আমার, ঘুমটা বিড়ালের।
বিড়ালকে আদর করি, বদলে নখের দাগ পাই।
ঘরের মালিক বিড়াল, আমি শুধু দেখাশোনার লোক।
মাছ দেখলে বিড়ালের চোখে প্রেম জাগে।
আমার ঘুম ভাঙে, বিড়ালের রাজত্ব শুরু হয়।
বিড়ালের মেজাজ বুঝতে গেলে জ্যোতিষী লাগবে।
খাবার দেরি হলেই বিড়ালের সংসদ বসে যায়।
আমি সোফায় বসি, বিড়াল এসে জায়গা দখল করে।
বিড়ালের কাছে আদরও যেন করসহ আসে।
ঘর পরিষ্কার করি, বিড়াল এসে পরিদর্শন করে।
বিড়ালের ছবি তুলতে তুলতে গ্যালারি শেষ।
ও ঘুমায় রাজকীয় ভঙ্গিতে, আমি পাশে গুটিসুটি।
বিড়ালকে শাসন করতে গিয়ে নিজেই চুপ হয়ে যাই।
ওর এক ডাকেই রান্নাঘরে আমার হাজিরা।
বিড়াল রাগ করলে ঘরটা হঠাৎ থমথমে।
ওর চোখে তাকালেই মনে হয়, আমি আসামি।
বিড়াল আমার পোষা নয়, আমিই ওর পোষা।
ভালোবাসা আছে, তবে মাছের ভাগটা আগে।
jokes ফানি ক্যাপশন বাংলা
ফ্রিজ খুলি ক্ষুধায়, বন্ধ করি আফসোসে।
ডায়েট শুরু করব, আগে শেষ করি খাবারটা।
টাকা এলেই পকেটটা কেমন যেন লজ্জা পায়।
ঘুম থেকে উঠি, আবার ঘুমানোর পরিকল্পনায়।
বই খুললেই চোখে ঘুমের জাতীয় উৎসব।
বন্ধু পড়ে গেলে হাসি, উঠলে হাত বাড়াই।
ভুল করি না, ভাগ্যকে একটু পরীক্ষা করি।
প্রেমে মন লাগে, বিলে মানিব্যাগ লাগে।
ফোনে চার্জ কমলে জীবনটাও কেমন কমে যায়।
অলস নই, শরীরকে বিশ্রামের সুযোগ দিই।
কাজের পাহাড় দেখি, পাশ দিয়ে হেঁটে যাই।
সকালে কফি, বিকেলে কফি, রাতে কফির কথা।
ডায়েটের টাকা বাঁচিয়ে ফুচকা খাই।
পরীক্ষার হলে উত্তরগুলো সবাই অপরিচিত লাগে।
বিয়ের আগে প্রেম, পরে বাজারের তালিকা।
মায়ের কাছে বয়স বাড়ে, বুদ্ধি বাড়ে না।
হাসি দেখে ভুল করবেন না, ভেতরে কিস্তি চলছে।
রাত জাগি নিজের ইচ্ছায়, সকালটা কাটে অনিচ্ছায়।
বৃষ্টিতে প্রেমিকের কবিতা, আমার জুতায় পানি।
খাবারের সাথে আমার সম্পর্কটা সবচেয়ে বিশ্বস্ত।
বেস্ট ফানি ক্যাপশন বাংলা
টাকা আসে অতিথির মতো, থাকে না এক রাতও।
বিরিয়ানি ডাকলে অপেক্ষা করার সাধ্য নেই।
ঘুম আমাকে ডাকে, দায়িত্ব এসে ফোন কেটে দেয়।
প্যারা খেতে খেতে এখন প্যারা-প্রুফ হয়ে গেছি।
বন্ধু এমন এক বিপদ, নিজেই ডেকে আনা।
পকেট ফাঁকা হলে প্রেমও কবিতা হয়ে যায়।
অপেক্ষা করি ঠিকই, ধৈর্যটা দরজায় রেখে আসি।
হাসিটা আসল, কারণটা একটু সন্দেহজনক।
রাতে জাগি বীরের মতো, সকালে উঠি পরাজিতের মতো।
ভুলেরও একটা সম্মান আছে, সেটা আমার জীবনে বেশি।
চা খেলে মন ভালো, বিল দেখলে আবার খারাপ।
অলসতা না, আমি সময়কে একটু ধীরে নিই।
জীবনটা শান্ত ছিল, আমি নিজেই নষ্ট করেছি।
চোখে পানি মানেই দুঃখ নয়, পেঁয়াজও থাকতে পারে।
ফিটনেস করি, ফ্রিজ থেকে বিছানা পর্যন্ত।
দৌড় শুরু করি, পাঁচ মিনিট পর দর্শক হয়ে যাই।
মাথায় চিন্তা কম, চুলে চিন্তার ছাপ বেশি।
দুনিয়ার খবর কম, কোথায় ভালো খাবার জানি।
পরামর্শ দেব, তবে খাবারটা নিরাপদে রাখবেন।
জীবন ছোট, কিন্তু সমস্যার লাইন বেশ লম্বা।
বার্থডে ফানি ক্যাপশন বাংলা
জন্মদিনে বয়স বাড়ে, বুদ্ধি ছুটিতে যায়।
কেক দেখলেই বয়সের হিসাব ভুলে যাই।
কেক কাটার সাহস আছে, বিল দেওয়ার নেই।
দাওয়াতে সবাই আপন, বিল এলে সবাই ব্যস্ত।
বয়স বাড়ছে, পাগলামি একই রয়ে গেছে।
মোমবাতিতে ফুঁ, মনে মনে টাকার প্রার্থনা।
উইশ অনেক, নগদটা এখনো নিখোঁজ।
জন্মদিনে বন্ধু মানেই ফ্রি খাবারের আশ্বাস।
বড় হয়েছি, কিন্তু দায়িত্বটা এখনো ছোট।
আজ আমার দিন, মেনুতেও আমার অধিকার।
কেকের শেষ টুকরোতেই আসল বন্ধুত্ব পরীক্ষা হয়।
জন্মদিনে ডায়েট করলে কেক অপমানিত হয়।
বয়স বাড়ে চুপচাপ, বিল বাড়ে শব্দ করে।
আজ রাজা আমি, কাল থেকে আবার সাধারণ প্রজা।
পরিবার আছে, বন্ধু আছে, খাবার থাকলেই পূর্ণতা।
সবাই উইশ করে, আমি মেনু দেখি।
ইচ্ছা অনেক, বাজেটটা একটু লাজুক।
আজকে আমার জন্মদিন, তাই ভুলগুলোও উৎসবমুখর।
কেক ছাড়া জন্মদিন মানে চায়ের কাপ ছাড়া বিস্কুট।
উপহার পরে দেখব, আগে কেকটা নিরাপদ করি।
জন্মদিনের ফানি ক্যাপশন বাংলা
জন্মদিন মানেই কেকের সামনে আমার হাজিরা।
বয়স বাড়ে, শখের পাগলামি কমে না।
কেক কাটব, স্পন্সর কোথায়?
আজ খাওয়া ফ্রি, তাই হাসিটাও আসল।
জন্মদিনে পরিবার, বন্ধু আর পেটের মিলনমেলা।
বড় হলাম, বুদ্ধিটা এখনো পথে।
উইশ পেলাম, টাকা পেলাম না।
খাবার এলে সবাই ভাই, বিল এলে সবাই অপরিচিত।
আজকের দিনটা আমার, কেকটাও আমার।
মোমবাতি নিভল, কেকের আশা জ্বলল।
উপহার খুলব পরে, আগে পেটটা খুলি।
আজ ডায়েটের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন।
বয়সে বড়, কাজে এখনো ছোট ভাই।
ফ্রি খাবারে আমার জন্মদিন আরও সুন্দর।
মনে ইচ্ছা অনেক, পকেটের আপত্তি বেশি।
আজ কেকটা পুরো আমার, বন্ধুত্ব পরে দেখা যাবে।
ছবি তুলছি, কারণ কেকটা প্রমাণ হিসেবে লাগবে।
আজ নিজেকে হিরো লাগে, কেকটাই আসল কারণ।
জন্মদিন শুভ, পেটও শুভ।
আজকের আনন্দের অর্ধেক কেক, বাকিটা খাবার।
মেয়েদের নিয়ে ফানি ক্যাপশন
মেয়েদের মেজাজ বোঝা মানে আবহাওয়া পড়া।
“কিছু হয়নি” শুনলেই সাবধানে হাঁটি।
মেয়েরা চুপ থাকলে, গল্প তখনই শুরু।
মেয়েদের হাসি মিষ্টি, রাগটা বেশ ঝাল।
আয়নার সামনে সময় যায়, সময়ের হিসাব যায় না।
বান্ধবীর কাছে গোপন কথা রাখা বিপজ্জনক।
মেয়েদের রাগেরও নিজস্ব ক্যালেন্ডার আছে।
সব জানে, শুধু মুখে কিছু বলে না।
মেয়েদের মুড বদলায়, ছেলেদের ভয় বাড়ে।
একটা “ঠিক আছে” অনেক বড় বাক্য।
মেয়েদের যুক্তি শুনে চুপ থাকাই বুদ্ধিমানের কাজ।
হাসছে মানেই শান্ত, এমন ভুল করবেন না।
মেয়েদের বন্ধুত্ব মানে খবরের পূর্ণাঙ্গ সংস্করণ।
সাজতে সময় লাগে, ছবি তুলতে তার দ্বিগুণ।
মেয়েদের মন বুঝতে গেলে চা লাগবে, অনেক চা।
রাগ কমে যায়, কিন্তু কারণটা থেকে যায়।
মেয়েদের চোখ হাসে, মুখ পরে হিসাব নেয়।
নরম কথা, শক্ত সিদ্ধান্ত।
মেয়েদের মুড বুঝতে গিয়ে ছেলেরা দার্শনিক হয়।
মেয়েদের রহস্য থাক, তাতেই পৃথিবী মজার।
গরম নিয়ে ফানি ক্যাপশন
রোদ দেখে মনে হয় সূর্য আজ ব্যক্তিগত শত্রু।
গরমে হাঁটি, ঘাম আগে পৌঁছে যায়।
ফ্যান ঘোরে, কিন্তু বাতাসটা কোথায়?
পানি খাই, তেষ্টা বলে আরও চাই।
বাইরে বের হলেই শরীর প্রতিবাদ শুরু করে।
এসি বন্ধ হলে আমার হাসিও বন্ধ।
ফ্রিজের ভেতর থাকার ইচ্ছাটা দিন দিন বাড়ছে।
গরমে বিছানাও যেন গরম তাওয়া।
গোসল করি, পাঁচ মিনিটেই আবার ঘাম।
রোদে বের হওয়া মানে নিজের বিপদ নিজে ডাকা।
পানির বোতল এখন আমার ছায়ার মতো।
গাছের নিচে বসাই এখন জীবনের বড় অর্জন।
এক হাতে পাখা, অন্য হাতে ঠান্ডা শরবত।
ফ্যানের সামনে বসে মনে হয় জীবন মোটামুটি সুন্দর।
গরমে ক্ষুধা কমে, ঠান্ডা জুসের প্রেম বাড়ে।
বাইরে রোদ, ঘরে আমি এবং আমার হতাশা।
ঠান্ডা পানি গায়ে পড়লেই আত্মা ফিরে আসে।
শরবত দেখলেই মন বলে, আরেক গ্লাস দাও।
ছাতা ছাড়া রোদে বের হওয়া সাহস নয়, ভুল।
গরমে মানুষ নয়, মোমবাতি মনে হয় নিজেকে।

One Comment