লোডশেডিং নিয়ে ফানি ক্যাপশন, স্ট্যাটাস ও হাসির উক্তি
গরমের দিনে ফ্যানের নিচে একটু শান্তিতে বসেছি, এমন সময় হঠাৎ কারেন্ট চলে গেল! এরপর শুরু হয় হাতপাখা খোঁজা, ঘাম মোছা আর বারবার ঘড়ি দেখা—কারেন্ট কখন আসবে? তার ওপর মশার ফ্রি কনসার্ট তো আছেই! লোডশেডিংয়ের এই বিরক্তিকর পরিস্থিতি নিয়ে রাগ হলেও, মজার কিছু কথা দিয়ে বন্ধুদের হাসানো যায় অনায়াসেই। তাই আপনার ফেসবুক পোস্ট কিংবা ছবির ক্যাপশনের জন্য নিয়ে এসেছি লোডশেডিং নিয়ে ফানি ক্যাপশন, স্ট্যাটাস ও হাসির উক্তি। আর বিদ্যুৎ নিয়ে আরও মজার লেখা খুঁজলে আমাদের আগের আর্টিকেল কারেন্ট নিয়ে সেরা ফানি ক্যাপশন, স্ট্যাটাস ও হাসির উক্তি দেখে নিতে পারেন। চলুন, এবার লোডশেডিংয়ের কষ্ট ভুলে একটু হাসাহাসি করা যাক!
লোডশেডিং নিয়ে হাসির উক্তি
কারেন্ট যাওয়া আর প্রেমিকার রাগ—দুটোরই কোনো ঠিকঠিকানা নেই, কখন আসবে আর কখন যাবে, আল্লাহই জানেন!
লোডশেডিং আমাদের শেখায়, জীবনে আলো না থাকলেও হাতপাখা থাকাটা জরুরি।
কারেন্ট চলে গেলেই মোবাইলের কদর বাড়ে, আর চার্জ ১% হলে জীবনের মায়া বেড়ে যায়!
চাঁদের আলোতে বসে মনে হচ্ছে প্রকৃতি আমাকে ফ্রিতে এসি দিচ্ছে, শুধু বাতাসটা পাঠাতে ভুলে গেছে!
লোডশেডিং হলো মোমবাতির সেই সিনেমা, যেখানে নায়ক-নায়িকা আমরা আর ভিলেন মশা।
নিউটন বাংলাদেশে জন্মালে হয়তো মাধ্যাকর্ষণ নয়, কারেন্ট কখন যাবে তার সূত্র আবিষ্কার করতেন!
কারেন্ট আসার অপেক্ষায় বসে আছি। ততক্ষণে মোমবাতির আলোতেই ভবিষ্যৎ দেখার চেষ্টা করছি!
অন্ধকারকে ভয় পেতাম ছোটবেলায়, এখন ভয় পাই কারেন্ট গেলে চার্জার লাইটও না জ্বললে!
কারেন্ট গেলে মনে হয় পুরো দেশ বিশ্রাম নিচ্ছে, শুধু মশারাই ওভারটাইম করছে।
জীবনের অন্ধকার দূর করতে পারিনি, কিন্তু বিদ্যুৎ বিভাগ আমার ঘরের আলো দূর করতে একদম পটু!
আমাদের এখানে কারেন্ট থাকার চেয়ে যাওয়ার নিশ্চয়তা অনেক বেশি!
কারেন্টের সঙ্গে সম্পর্কটা এমন—একটু দেখা দেয়, আবার কোনো খবর না দিয়েই উধাও!
লোডশেডিং না হলে বুঝতেই পারতাম না, আমার ভেতরে এত রাগ আর এত ঘাম জমা আছে!
কারেন্ট চলে গেলে মনে হয় পৃথিবীটা আবার পুরোনো ভার্সনে ফিরে গেছে, শুধু মশাগুলো আপডেটেড!
মোমবাতি জ্বলছে, হাতপাখা চলছে, মশা গান গাইছে—লোডশেডিংয়ের পূর্ণাঙ্গ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান!
কারেন্ট এলে মুখে হাসি, আর চলে গেলে মুখে এমন ভাষা আসে, যা ভদ্রসমাজে বলা যায় না!
লোডশেডিংয়ের একটাই উপকার—মোবাইল থেকে চোখ তুলে আকাশের তারা দেখার সুযোগ পাওয়া যায়!
আলো আর অন্ধকারের খেলায় আমরা এতটাই অভ্যস্ত যে কারেন্ট এলে এখন অবাক হয়ে যাই!
বিদ্যুৎ বিভাগ আমাদের ধৈর্য শেখায়, আর মশারা শেখায় কীভাবে এক জায়গায় বসে থাকা অসম্ভব!
রিচার্জেবল ফ্যান আর চার্জার লাইটের আসল পরীক্ষা শুরু হয় কারেন্ট যাওয়ার পরেই।
কারেন্ট গেলেই পাড়ার সব মানুষ বাইরে আসে। মনে হয় কারও বাসায় বিনা দাওয়াতে মেলা বসেছে!
কারেন্ট না থাকলে শুধু অন্ধকার নয়, গরমও এসে বলে, ‘ভাই, আমিও আছি!’
এক ঘণ্টা কারেন্ট ছাড়া থাকলে মনে হয় ইতিহাস বইয়ের আদিম যুগের অধ্যায়টা নিজে গিয়ে দেখে এলাম।
আমাদের কারেন্টের যাতায়াত দেখে মনে হয়, সে কোনো বাসের হেলপার—কখন আসবে, কেউ জানে না!
কারেন্ট এলে মনে হয় স্বর্গে ফিরলাম, আর চলে গেলে বুঝি গরমের দেশে নির্বাসন হলো!
লোডশেডিং হলো সোশ্যাল মিডিয়া থেকে বিরতি নেওয়ার সরকারি ব্যবস্থা, যদিও ফোনের ডাটা তখনও চালু থাকে!
কারেন্ট মামা, তুমি যাও সমস্যা নেই; শুধু আমার ফোনের চার্জ ৩০ শতাংশের নিচে নামার আগে ফিরে এসো!
মোমবাতি, হাতপাখা আর মশার কয়েল—লোডশেডিংয়ের সময় এটাই আমাদের ভিআইপি প্যাকেজ!
কারেন্ট যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মশারা হাজির হয়। মনে হয় বিদ্যুৎ বিভাগের সঙ্গে তাদের গোপন চুক্তি আছে!
কারেন্ট কখন আসবে জানি না, তবে ততক্ষণে ঘামের পানিতে গোসলটা বিনা খরচেই হয়ে যাবে!
লোডশেডিং নিয়ে ক্যাপশন
মোমবাতির আলোতে নিজের ছায়া দেখে ভয় পেলাম, পরে বুঝলাম—অন্ধকারে আমিও বেশ রহস্যময়!
অন্ধকার যত বাড়ছে, কারেন্ট আসার আশায় আমার চোখ তত বড় হচ্ছে!
আজকের সন্ধ্যা: আমি, অন্ধকার, একখানা হাতপাখা আর মশাদের পারিবারিক সম্মেলন।
মোমবাতির আলোয় সেলফি তুললাম। ফিল্টার লাগেনি, কারেন্টই সব ব্যবস্থা করে দিয়েছে!
কারেন্ট চলে গেছে, কিন্তু আমার মেজাজ ফুল চার্জে আছে!
লোডশেডিং শুরু, হাতপাখার সঙ্গে আমার আনুষ্ঠানিক জিম সেশনও শুরু!
অন্ধকারের সঙ্গে এমন বন্ধুত্ব হয়েছে যে কারেন্ট এলেও বিশ্বাস করতে ইচ্ছে করে না!
কারেন্ট থাকলে জীবন রঙিন, আর না থাকলে জীবন সাদা-কালো সিনেমা!
ঘরে একদম নীরবতা—শুধু ঘাম ঝরার শব্দ আর মশার কানে কানে প্রেমের প্রস্তাব!
কারেন্ট যাওয়ার পর বুঝলাম, চার্জার লাইটকে এত দিন অবহেলা করে কত বড় ভুল করেছি!
ঘর অন্ধকার, মুখ গম্ভীর, আর মনে একটাই প্রশ্ন—কারেন্ট কি আমার ওপর ব্যক্তিগতভাবে রাগ করেছে?
কারেন্ট মামা, আমার সঙ্গে এমন লুকোচুরি খেললে কিন্তু আর তোমাকে ডাকব না!
বিদ্যুৎ বিভাগকে ধন্যবাদ, দিনে কয়েকবার পুরোনো দিনের জীবন উপভোগ করার সুযোগ দেওয়ার জন্য!
আলো নেই, ফ্যান নেই, তবু চিন্তা নেই—কারণ ঘামার জন্য আমার শরীর পুরো প্রস্তুত!
হাতপাখা চালাতে চালাতে মনে হচ্ছে, আর একটু পর নিজেই বাতাস উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের মালিক হয়ে যাব!
অন্ধকারে বসে আলোর অপেক্ষা করছি। এখানে আলো বলতে অবশ্যই কারেন্ট বুঝতে হবে!
লোডশেডিং আমার ধৈর্যের পরীক্ষা নিচ্ছে, আর আমি পরীক্ষার খাতা ছিঁড়ে ফেলতে চাইছি!
ফোনে চার্জ ৫%, ঘরে কারেন্ট নেই—জীবনের সব নাটক আজ একসঙ্গে চলছে!
মোমবাতি জ্বালিয়ে শান্তিতে বসতাম, যদি গরমটা এসে পাশে না বসত!
কারেন্ট ফিরে এলে যে শান্তি লাগে, সেটা কোনো দামী উপহার দিয়েও বোঝানো যাবে না!
লোডশেডিংয়ে ঘরের আলো নিভেছে, সঙ্গে আমার কাজ করার ইচ্ছাটাও ছুটি নিয়েছে!
অন্ধকার কেটে আলো আসবে, কিন্তু কারেন্ট মামার ঘুম কখন ভাঙবে, সেটাই রহস্য!
মোমবাতির সামনে বসে আছি, মনে হচ্ছে বিদ্যুৎ আবিষ্কারের আগের যুগে চাকরি নিয়েছি!
কারেন্ট নেই, তাই ফোনও চুপচাপ। এখন নিজের চিন্তার সঙ্গেই কথা বলতে হচ্ছে!
অন্ধকার ঘরে মোমবাতি জ্বলছে, আর আমি ভাবছি—এই গরমে মোমবাতিটাও আমার চেয়ে বেশি কষ্ট করছে!
গরম আর লোডশেডিং মিলে এমন বন্ধুত্ব করেছে যে দুজনের কাউকেই বাড়ি থেকে বের করা যাচ্ছে না!
কারেন্ট গেলে চোখ একটু বিশ্রাম পায়, কিন্তু মশার কামড় থেকে মন কোনো বিশ্রাম পায় না!
অন্ধকারে বসে মশাদের সঙ্গে ডুয়েট গাইছি। শ্রোতা আছে অনেক, শুধু সম্মানী নেই!
বিদ্যুৎহীন রাত এত লম্বা লাগে যে মনে হয় ঘড়ির কাঁটাও লোডশেডিংয়ে আটকে গেছে!
অন্ধকার রাত, হাতে পাখা, কপালে ঘাম—এই হলো আমার আজকের রাজকীয় জীবন!
লোডশেডিং নিয়ে ফানি ক্যাপশন
কারেন্ট গেলে বুঝি, আমি কত ভালো ব্যাডমিন্টন খেলি! সারারাত মশার সঙ্গে ম্যাচ চলে।
কারেন্ট চলে যাওয়ার পর শার্টের কাজ শুধু শরীর ঢেকে রাখা নয়, ঘাম মোছার দায়িত্বও তার!
লোডশেডিং আমাদের শেখায়, অন্ধকারে দেশলাই খুঁজতে গেলে আগে মোবাইলের চার্জ বাঁচিয়ে রাখতে হয়!
কারেন্ট আসার পর যে চিৎকার করি, পাশের বাসার মানুষ ভাবে বাংলাদেশ বুঝি বিশ্বকাপ জিতে গেছে!
ফোনের ফ্ল্যাশলাইট আগে শুধু ছবি তুলত, এখন সে ঘরের প্রধান আলো!
কারেন্ট গেলেই পরিবারের সবাই ড্রয়িংরুমে হাজির—মনে হয় বিদ্যুৎ বিলের টাকা ফেরত চাইতে মিটিং বসেছে!
গরমে কারেন্ট গেলে আমার অবস্থা এমন হয়, ফ্রিজে রাখলেও মনে হয় ঠান্ডা হব না!
ঘরের ছাদ এখন আমাদের ফ্রি রিসোর্ট। পার্থক্য শুধু, বাতাসের সঙ্গে মশাও ফ্রি!
বিদ্যুৎ বিভাগ হয়তো ভাবে, আমাদের ঘর বেশি উজ্জ্বল হয়ে গেছে। তাই মাঝেমধ্যে আলো কমিয়ে দেয়!
মোমবাতি জ্বালাতেই কারেন্ট চলে এল! এতক্ষণ কোথায় ছিলে ভাই, নাটকের শেষ দৃশ্য দেখতেই এলে?
কারেন্ট গেলেই হাতপাখার কদর বেড়ে যায়। এত দিন যে জিনিসটাকে অবহেলা করেছি, আজ সে-ই আমার জীবনসঙ্গী!
কারেন্টের সঙ্গে সম্পর্কটা আমার পুরোনো বন্ধুত্বের মতো—কখনো দেখা হয়, কখনো মাসের পর মাস খবর নেই!
লোডশেডিংয়ে আয়নার সামনে দাঁড়ালাম। নিজের ঘামে ভেজা চেহারা দেখে আয়নাটাই মনে হয় বলল, ‘ভাই, একটু দূরে থাকো!’
গরমের দিনে কারেন্ট যাওয়া আর পরীক্ষার আগের রাতে বই হারিয়ে যাওয়া—দুটোই সমান যন্ত্রণার!
কারেন্ট গেলেই আমার ভেতরের কবি জেগে ওঠে। কবিতার বিষয় একটাই—‘কারেন্ট তুমি কবে আসবে?’
লোডশেডিংয়ের কষ্ট বুঝেই রিচার্জেবল ফ্যান কিনেছিলাম। এখন ফ্যান বলে, ‘চার্জ শেষ, এবার নিজের ব্যবস্থা নিজে কর!’
কারেন্ট নেই, তবু স্বপ্ন রঙিন। শুধু স্বপ্ন দেখার সময়টায় একটু বাতাস পেলে ভালো হতো!
বিদ্যুৎহীন রাতে ভূতের ভয় নেই, ভয় শুধু মশার। ওরা অন্ধকারে আমাকে ঠিকই খুঁজে পায়!
মোমবাতি জ্বালিয়ে বসে আছি। পরিবেশ এমন, মনে হচ্ছে ভূতের সিনেমায় অভিনয়ের অডিশন দিতে এসেছি!
কারেন্ট আসার পর ফ্যান ঘোরার শব্দ শুনে মনে হয়, পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর গানটা অবশেষে শুরু হলো!
কারেন্ট চলে যাওয়ার পর বুঝলাম, আমাদের বাসায় এত মানুষ থাকে! সবাই এতক্ষণ কোথায় ছিল?
কারেন্ট থাকা এখন বিশেষ সুবিধা, আর চলে যাওয়া যেন প্রতিদিনের নিয়মিত অনুষ্ঠান!
মোমবাতির আলোয় বসে নিজেকে বিখ্যাত লেখক মনে হচ্ছে। পার্থক্য শুধু, লেখার চেয়ে ঘাম মোছার কাজ বেশি করছি!
কারেন্ট মামা, তোমার সঙ্গে কি আমার কোনো পুরোনো শত্রুতা আছে? আমার ঘুমের সময়েই কেন চলে যাও?
একটু বাতাস দাও ভাই, নইলে গরমে আমার অবস্থা দেখে ফ্রিজও আমাকে ঠান্ডা করতে রাজি হবে না!
লোডশেডিংয়ে ফ্রিজের ঠান্ডা পানি অমৃতের মতো লাগে। এক গ্লাস খেয়েই মনে হয় জীবনটা আবার সুন্দর!
আলো নেই, ফ্যান নেই, আছে শুধু ঘাম আর মেজাজের হাই ভোল্টেজ!
লোডশেডিংয়ের সময় মশারাই আমাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয়। সারাক্ষণ কানের কাছে এসে কথা বলে!
কারেন্ট মামা, তাড়াতাড়ি ফিরে এসো। তোমাকে ছাড়া আমার ঘুম, শান্তি আর মেজাজ—সব ছুটিতে গেছে!
কারেন্ট চলে গেছে, এখন আমার মেজাজ এত গরম যে থার্মোমিটার দেখালেও হয়তো বলবে, ‘ভাই, আমি পারব না!’
গরমে লোডশেডিং নিয়ে ক্যাপশন
গরমে লোডশেডিং মানে ঘরে বসে বিনা টিকিটে তন্দুরি হওয়ার প্রস্তুতি!
গরম + লোডশেডিং = এমন এক কম্বিনেশন, যা শত্রুকেও দেওয়া উচিত নয়!
এই গরমে কারেন্ট চলে যাওয়া মানে নরকের ট্রায়াল ভার্সন বিনা মূল্যে পাওয়া!
ঘাম ঝরানো এখন আমার নতুন ফ্যাশন। ডিজাইনারের নাম—লোডশেডিং!
এত ঘামছি যে বুঝতে পারছি না, আমি মানুষ নাকি গলে যাওয়া আইসক্রিম!
গরমের দিনে কারেন্ট যাওয়ার কষ্টটা শুধু ভুক্তভোগীরাই বোঝে, বাকিরা এসির নিচে বসে উপদেশ দেয়!
ফ্যান বন্ধ, বাতাস বন্ধ, শুধু আমার চোখ ফ্যানের দিকে তাকিয়ে আছে—কবে আবার ঘুরবে!
গরমে ঘামছি আমি, আর কারেন্ট মামা মনে হয় পাহাড়ে ছুটি কাটাচ্ছেন!
এই গরমে কারেন্ট গেলে মনে হয় জামাকাপড়সহ ফ্রিজে ঢুকে বসে থাকি!
আজ লোডশেডিংয়ের কাছে নতুন শিক্ষা পেলাম—মানুষ কত সহজে পানির কল হতে পারে!
ফ্যান বন্ধ হতেই মনে হচ্ছে, পৃথিবীর সব বাতাস কেউ নিজের পকেটে ভরে নিয়ে গেছে!
গরমে লোডশেডিং চলছে, আর আমার শরীর থেকে পানি বের হওয়ার প্রতিযোগিতা চলছে!
কারেন্ট মামা, এই গরমে একটু দয়া করো। ফ্যানটাকে অন্তত চাকরিতে ফিরতে দাও!
গরমে লোডশেডিং হলে মুখে একটাই কথা—আমি আর পারছি না, আমাকে বরফের বাক্সে রাখো!
হাতপাখা দিয়ে বাতাস করতে করতে হাতই গরম হয়ে গেল। এখন আমাকে বাতাস করবে কে?
লোডশেডিংয়ে মোমবাতি জ্বালানো মানে গরমের ওপর বাড়তি গরমের মশলা ছিটানো!
এত গরমে কারেন্ট চলে গেলে বিদ্যুৎ অফিসে গিয়ে একটু ফ্যানের নিচে বসে আসতে ইচ্ছে করে!
গরম আর লোডশেডিং একসঙ্গে এসেছে। মনে হচ্ছে দুজন মিলে আমার ধৈর্য পরীক্ষা নেওয়ার চুক্তি করেছে!
চৈত্র-বৈশাখের গরমে কারেন্ট যাওয়া মানে ধৈর্যের পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ছাড়াই পরীক্ষা দেওয়া!
গরম বাড়ছে, কারেন্টের দেখা নেই। মনে হয় কারেন্ট মামা আসার আগে আবহাওয়া অফিসের অনুমতি নেন!
ঘামে ভিজে আছি, মনে হচ্ছে কারেন্ট মামা দূরে বসেই আমাকে গোসল করিয়ে দিচ্ছেন!
এই গরমে লোডশেডিং মানে ফ্রিতে সনা বাথ, শুধু আরামটা বাদ!
গরমে কারেন্ট না থাকলে বারান্দাই পাঁচ তারকা হোটেল, যদি একটু বাতাস পাওয়া যায়!
একটু বাতাসের আশায় ছাদে গেলাম, সেখানে বাতাসের বদলে গরমের শুভেচ্ছা পেলাম!
গরমে গলে যাওয়ার আগে কেউ এক গ্লাস ঠান্ডা পানি দাও। কারেন্ট মামার ওপর আর ভরসা নেই!
ফ্যান বন্ধ, এসি বন্ধ, কিন্তু শরীরের ঘাম উৎপাদন কারখানা পুরোদমে চালু!
গরমের দিনে কারেন্ট না থাকলে বুঝি, ফ্যান আর এসি শুধু যন্ত্র নয়—জীবনের শান্তি!
বাইরে রোদ, ভেতরে গরম, মাঝখানে আমি। কারেন্ট না থাকলে জীবনটা সত্যিই কঠিন!
গরমে লোডশেডিং চলছে, আর আমার মেজাজ এমন গরম যে বরফও কাছে আসতে ভয় পাবে!
আজ গরমের কাছে হার মানলাম। কারেন্ট মামা পাশে থাকলে হয়তো এত সহজে হারতাম না!
লোডশেডিং নিয়ে দুই লাইনের ক্যাপশন
কারেন্ট গেল, আঁধার এলো,
মশার দল কনসার্ট মেলো!
কারেন্ট মামা দিচ্ছ ফাঁকি,
ফোনের চার্জও শেষের বাকি!
হাতপাখা মোর জিন্দাবাদ,
কারেন্ট গেলে মাথা গরম বাদ!
আলো তুমি কোথায় গেলে,
ঘাম ঝরিয়ে আমায় ফেলে!
ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করি,
কারেন্ট এলে রাজা হওয়ার স্বপ্ন ধরি!
অন্ধকার রাত, গরমের ঘোর,
হাতপাখা ছাড়া কে আছে মোর?
কারেন্ট আসার নেই গ্যারান্টি,
মোমবাতিই এখন শান্তির সঙ্গী!
ঘামে ভিজে গেলাম ভাই,
কারেন্ট মামার দেখা নাই!
কারেন্ট গেল, বাড়ল জ্বালা,
মশার গানে রাতটা কালা!
ফ্যানটা বন্ধ হতেই হায়,
ঘুমটা আমার পালিয়ে যায়!
বিজলি তুমি কার প্রেমে মজিলে,
আমার ঘরের ফ্যানটা থামিয়ে দিলে!
গরমের রাতে আঁধার ঘরে,
হাতপাখা ঘোরাই বসে বসে!
কারেন্ট গেল, মোমবাতি জ্বলে,
মশার কামড় সহ্য করি ছলে-বলে!
চার্জার ফ্যানও দিল জবাব,
লোডশেডিংয়ের এ কী স্বভাব!
অন্ধকারকে ভালোবাসি আজ,
কারণ মোমবাতি জ্বালানোই কাজ!
আলো আসুক, না আসুক,
হাতপাখাটা ঘুরতেই থাকুক!
একটুখানি বাতাসের আশাতে,
বসে আছি দরজার পাশে!
মোমবাতি জ্বলে মিটিমিটি,
মশার সঙ্গে ডিউটি রাতভর নিতি!
কারেন্ট এলে হাসে মুখ,
গেলে শুরু ঘামের দুঃখ!
আঁধার রাতে বসে আছি,
কারেন্ট মামার পথ চেয়ে আছি!
বাতাস নাই, শান্তি নাই,
কারেন্ট মামার দেখা চাই!
গরম আর লোডশেডিংয়ের আড়ি,
ঘামতে ঘামতে আমি ঘামের গাড়ি!
কারেন্ট তুমি ফিরে এসো,
ফ্যানের হাওয়ায় শান্তি দিও!
ঘরের ভেতর আঁধার কালো,
মোমবাতিতে মুখটা ভালো!
লোডশেডিংয়ের রাজত্ব আজ,
হাতপাখা ঘোরানো প্রধান কাজ!
চোখের সামনে অন্ধকার,
কারেন্ট মামার কী দরকার!
একটাই চাওয়া এই রাতে,
কারেন্ট আসুক ঘুমের সাথে!
মেজাজ আমার গরম খুব,
লোডশেডিংয়ে দিলাম ডুব!
ফ্যানের হাওয়া বন্ধ হলে,
ঘামটা নদী হয়ে চলে!
বিজলি মামা দিচ্ছে ফাঁকি,
হাতপাখা আর আমরা সাথি!
লোডশেডিং নিয়ে মজার স্ট্যাটাস
কারেন্ট চলে গেলে আমাদের বাসার ছাদ এমন জমে ওঠে, মনে হয় টিএসসির আড্ডা ভুল করে আমাদের পাড়ায় চলে এসেছে!
লোডশেডিং আমাকে শিখিয়েছে, জীবনে কারও ওপর বেশি নির্ভর করা ঠিক নয়—এমনকি বিদ্যুতের ওপরও না!
কারেন্ট গেলেই আব্বা বলেন, ‘আমাদের ছোটবেলায় এত কারেন্ট ছিল না, তবু বেঁচে ছিলাম!’ আব্বা, তখন তো আপনার হাতে স্মার্টফোনও ছিল না!
ফোনে চার্জ ৩০%, কারেন্ট নেই। এখন ফোনটা চালাব, নাকি শেষ সময়ের জন্য রেখে দেব—সেই চিন্তায় আছি!
কারেন্ট চলে গেছে, আর মশারা আমাকে ঘিরে জরুরি সভা বসিয়েছে। মনে হয় আমি তাদের আজকের প্রধান অতিথি!
বিদ্যুৎ বিভাগকে ধন্যবাদ, দিনে কয়েকবার ভৌতিক সিনেমার পরিবেশ তৈরি করে দেওয়ার জন্য!
লোডশেডিংয়ে ধৈর্য বাড়ে ঠিকই, কিন্তু মশার কামড় খেতে খেতে সেই ধৈর্য কোথায় পালায়, নিজেও জানি না!
মোমবাতির আলোয় রাতের খাবার খাচ্ছি। পরিবেশ পাঁচ তারকা, শুধু মেনুতে ঘাম আর মশা একটু বেশি!
কারেন্ট গেলে ফ্যানের সুইচ বারবার অন-অফ করি। মনে হয় সুইচটা আমার কথা শুনে নিজেই কারেন্ট এনে দেবে!
লোডশেডিং আমাদের বুঝিয়েছে, আলো না থাকলে কিছুই দেখা যায় না। আর টাকা না থাকলে বন্ধুরাও অনেক কিছু দেখতে পায় না!
কারেন্ট মামা হয়তো পরিবেশবান্ধব, তাই আমাদের হাতপাখা চালিয়ে শরীরচর্চার সুযোগ করে দেন!
লোডশেডিংয়ের মধ্যে রিচার্জেবল লাইট জ্বলে উঠলে মনে হয়, অন্ধকারের বিরুদ্ধে কোনো সুপারহিরো মাঠে নেমেছে!
পাড়ায় কারেন্ট গেলেই বোঝা যায়, প্রতিবেশীদের গলার আওয়াজ কত দূর পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে!
কারেন্ট গেলে একটা সুবিধা আছে—অন্ধকারে কেউ আমার ঘামে ভেজা চেহারা দেখে মন্তব্য করতে পারে না!
হাতপাখা এমন এক আবিষ্কার, যা কারেন্ট যাওয়ার পর সবাইকে নতুন করে বিজ্ঞানী বানিয়ে দেয়!
কারেন্ট নেই, সমস্যা নেই। মনের আলো জ্বলছে—যদিও শরীরের ঘাম দেখে মনে হচ্ছে সেটাও ফিউজ হয়ে গেছে!
কারেন্ট আসার পর দশ সেকেন্ডের মধ্যে আবার চলে গেলে বুঝি, সে শুধু হাজিরা দিয়ে চলে গেছে!
বিদ্যুৎ বিভাগ আমাদের অন্ধকারের সঙ্গে পরিচিত করাচ্ছে, আর মশারা পরিচিতিটা আরও গভীর করছে!
লোডশেডিংয়ের সময় ছাদের বাতাসও ভালো লাগে। তবে মশারা পাশে বসলে সেই রিসোর্টের রেটিং এক তারকায় নেমে যায়!
কারেন্ট চলে গেলে সবাই মোবাইল হাতে নিয়ে খোঁজে—শুধু আমাদের গেছে, নাকি পাশের বাসারও গেছে!
পাশের বাসায় আলো জ্বলতে দেখলে এমন কষ্ট হয়, মনে হয় ওদের কারেন্টের সঙ্গে আলাদা আত্মীয়তা আছে!
লোডশেডিংয়ের সময় মোমবাতি খুঁজতে গিয়ে দেখি, মোমবাতিই নেই। অন্ধকারের সঙ্গে এবার স্মৃতিচারণ করতে হবে!
কারেন্ট মামা, অনলাইন ক্লাসের সময় চলে গেলে শিক্ষককে বলব কী—স্যার, বিদ্যুৎও আজ ক্লাস ফাঁকি দিয়েছে!
লোডশেডিংয়ের একটা ভালো দিক আছে, পরিবারের সবাই একসঙ্গে বসে। খারাপ দিক হলো, সবাই একসঙ্গে গরমে হাঁসফাঁস করে!
মোমবাতির আলোয় ফেসবুক চালাচ্ছি। ব্যাটারি শেষ হওয়ার আগেই যদি কারেন্ট আসে, সেটাই হবে আজকের সবচেয়ে বড় সুখবর!
কারেন্ট গেলে পাওয়ার ব্যাংকের দিকে এমনভাবে তাকাই, যেন সে আমার পরিবারের শেষ ভরসা!
বিদ্যুৎ বিভাগ হয়তো আমাদের চোখের যত্ন নেয়, তাই মাঝে মাঝে আলো বন্ধ করে চোখকে বিশ্রাম দেয়—কিন্তু গরমের কী হবে?
কারেন্ট যাওয়ার পর বাইরে বেরিয়ে দেখি পুরো পাড়া রাস্তায়। মনে হচ্ছে বিদ্যুৎ নয়, সবাই একসঙ্গে ঘর থেকে বের হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে!
লোডশেডিংয়ের রাতে মশার ভ্যানভ্যানানি শুনে মনে হয়, আমার ঘরে বিনা টিকিটে গানের অনুষ্ঠান চলছে!
কারেন্ট আসা-যাওয়ার খেলায় আজও জয়ী হলো অন্ধকার, আর আমরা পেলাম ঘাম ঝরানোর পুরস্কার!
লোডশেডিং নিয়ে ট্রল স্ট্যাটাস
পাওয়ার সেক্টরের নতুন স্লোগান: ‘আলো চান? মোমবাতি কিনুন, আত্মনির্ভরশীল হোন!’
কারেন্টের আসা-যাওয়া দেখে মনে হয়, সে আমার বাসাকে শুধু দূর থেকে সালাম দিয়ে যায়!
লোডশেডিংয়ের পর কারেন্ট এলে মানুষের চিৎকার শুনে মনে হয়, বিশ্বকাপ ফাইনালে শেষ বলে ছক্কা হয়েছে!
বিদ্যুৎ বিভাগ এমন এক বিজ্ঞান আবিষ্কার করেছে, যেখানে মানুষ এক সেকেন্ডে আধুনিক যুগ থেকে মোমবাতির যুগে ফিরে যায়!
আমাদের এখানে কারেন্ট আসা খবর, আর চলে যাওয়া প্রতিদিনের ধারাবাহিক নাটক!
রিচার্জেবল ফ্যান বলছে, ‘আমার চার্জ শেষ। এবার তুই আমাকে বাতাস কর, বন্ধুত্বের পরীক্ষা দে!’
কারেন্ট মামা বলছেন, ‘আসব তো অবশ্যই, কিন্তু কখন আসব সেটা আমার ব্যক্তিগত গোপনীয়তা!’
মোমবাতির দোকানদারদের মনে হয় লোডশেডিংয়ের জন্য আলাদা করে ধন্যবাদ কার্ড ছাপানো উচিত!
বিদ্যুৎ নেই, কিন্তু মশাদের কনসার্ট বন্ধ নেই। মনে হয় তাদের জেনারেটর ব্যাকআপ আছে!
ফ্রিজের বরফ বলছে, ‘ভাই, কারেন্ট না এলে আমি আর বরফ থাকব না, স্মৃতি হয়ে যাব!’
লোডশেডিং বলছে, ‘অনেক স্মার্ট হয়েছিস? আয়, এবার হাতপাখা চালিয়ে ফিটনেস বাড়া!’
প্রতিবেশীর আইপিএস চালু হওয়ার শব্দ শুনে মনে হয়, পাশের বাসায় বিদ্যুৎ নয়, উন্নয়নের উদ্বোধন চলছে!
কারেন্ট যাওয়ার পর আমার মেজাজের অবস্থা—আই অ্যাম অন ফায়ার, আর ঘাম হলো তার প্রমাণ!
বিদ্যুৎ অফিসের কাল্পনিক ঘোষণা: ‘আমরা আলো কম দিই, যাতে আপনারা অন্ধকারের সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারেন!’
লোডশেডিং হলো একমাত্র ব্যবস্থা, যা মোবাইলের চার্জ শেষ হওয়ার আগেই মানুষকে বাস্তব জীবনে ফিরিয়ে আনে!
কারেন্ট এলে টিভি চলে, গেলে সব বন্ধ। আমার জীবনটা এখন বিদ্যুতের রিমোট কন্ট্রোলে চলছে!
ফ্যানের শব্দ বলছে, ‘আমি আবার ফিরে এসেছি!’ আর আমি বলছি, ‘ভাই, এবার প্লিজ পালিয়ে যাস না!’
লোডশেডিংয়ের সময় মশার কামড় খাওয়া আর গরমে বসে থাকা—দুটোই বিনা মূল্যে পাওয়া অতিরিক্ত সুবিধা!
ফোন চার্জে দিয়েই কারেন্ট চলে গেল। মনে হচ্ছে বিদ্যুৎ আমার সঙ্গে ব্যক্তিগত শত্রুতা করে!
কারেন্ট মামা বলছেন, ‘আমাকে মিস করছ? ঠিক আছে, আরও একটু অন্ধকারে বসে আমার কথা ভাবো!’
রিচার্জেবল লাইট বলছে, ‘চার্জ দেওয়ার সময় মনে ছিল না? এখন অন্ধকারে বসে আমার অভাব বোঝো!’
লোডশেডিং এমন এক দৈনিক অনুষ্ঠান, যার সময়সূচি আগে থেকে জানলে জীবনটা একটু সহজ হতো!
কারেন্ট গেলে ছাদ ফ্রি সিনেমা হল, পাশের বাসার ঝগড়া ফ্রি অডিও শো, আর মশা ফ্রি দর্শক!
বিদ্যুৎ বিভাগ বলছে, ‘চাঁদের আলো উপভোগ করুন।’ আমি বলছি, ‘আগে একটু বাতাসের ব্যবস্থা করুন!’
গরমে লোডশেডিং এমন অবস্থা করেছে যে আইসক্রিমও আমাকে দেখে বলছে, ‘ভাই, তুই আগে ঠান্ডা হ!’
কারেন্ট যাওয়ার পর পাশের বাসার চিৎকার শুনে বুঝলাম, আমাদের মতো তারাও আজ একই নাটকের দর্শক!
মোমবাতি বলছে, ‘আমাকে শুধু কারেন্ট গেলে মনে পড়ে, বাকি সময় কোথায় থাকো?’
আইপিএস ব্যবহারকারীদের দিকে তাকালে মনে হয়, লোডশেডিংয়ের সময় তারাই পাড়ার ভিআইপি!
লোডশেডিং আমাদের বুঝিয়েছে, আধুনিক প্রযুক্তির চেয়ে হাতপাখার ব্যাটারি অনেক বেশি নির্ভরযোগ্য—যতক্ষণ হাত চলে!
কারেন্ট চলে গেছে, সমস্যা নেই। মশারা তো আছেই, কানের পাশে সারাক্ষণ ডিজে বাজাবে!
লোডশেডিংয়ের কষ্ট নিয়ে স্ট্যাটাস
তীব্র গরমে লোডশেডিংয়ের কষ্টটা এমন, যেন ঘরের ভেতর বসেই ধৈর্যের পরীক্ষা দিতে হচ্ছে।
অন্ধকারের চেয়ে বেশি বিরক্তিকর হলো ফ্যান বন্ধ হওয়ার পর ঘরে জমে থাকা গরম।
সারাদিনের ক্লান্তি শেষে একটু বিশ্রাম নিতে বসি, আর তখনই কারেন্ট চলে গিয়ে সব শান্তি কেড়ে নেয়।
গরমে ছোট বাচ্চাদের কষ্ট পেতে দেখলে বোঝা যায়, লোডশেডিং শুধু বিরক্তি নয়, অনেকের জন্য বড় ভোগান্তি।
একটুখানি বাতাসের আশায় বসে থাকি, কিন্তু কারেন্ট আসার কোনো খবরই মেলে না।
ঘরে অসুস্থ মানুষ, বাইরে প্রচণ্ড গরম—এমন সময়ে বিদ্যুৎ না থাকা সত্যিই কষ্টকর।
অন্ধকারের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া যায়, কিন্তু গরমে ঘেমে একাকার হওয়ার সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া কঠিন।
লোডশেডিং হলে শুধু ঘরের আলো নয়, দৈনন্দিন কাজের গতিও থেমে যায়।
পড়তে বসে কারেন্ট চলে গেলে বইয়ের চেয়ে বেশি মনোযোগ চলে যায় ফ্যানের দিকে!
গরমের রাতে ঘুমাতে যাব, এমন সময় কারেন্ট চলে যায়। ঘুমও মনে হয় বিদ্যুতের অনুমতি নিয়ে আসে!
অন্ধকারে রাতের প্রশান্তি হারিয়ে যায়, আর ঘামে ভেজা শরীর নিয়ে শুধু সময় গুনতে হয়।
কারেন্ট না থাকলে গরম ঘরটাকে ছোট্ট একটা অস্বস্তির জায়গা মনে হয়, যেখানে সময় কাটানো কঠিন।
গরমে বিদ্যুৎ চলে গেলে শরীরের ক্লান্তি আরও বেড়ে যায়, আর মনটাও বিরক্ত হয়ে ওঠে।
ঘুমাতে যাওয়ার ঠিক আগে কারেন্ট চলে যাওয়ার মতো বিরক্তিকর ঘটনা আর কী হতে পারে!
মোমবাতির আলোতে কাজ করা যায়, কিন্তু গরমের অস্বস্তি দূর করার উপায় কোথায়?
লোডশেডিংয়ের কারণে কাজ থেমে যায়, সময় নষ্ট হয়, আর মেজাজও বিগড়ে যায়।
গরমে কারেন্ট না থাকলে মনে হয়, একটুখানি বাতাসই পৃথিবীর সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ।
সারা রাতের ঘুম নষ্ট করতে কখনো কখনো অল্প সময়ের লোডশেডিংই যথেষ্ট।
বিদ্যুৎ না থাকলে ব্যস্ত শহরটাও যেন কিছুক্ষণের জন্য থমকে যায়।
লোডশেডিংয়ের কষ্ট শুধু ঘামের নয়, অসময়ে কাজ আটকে যাওয়ার বিরক্তিও এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে।
গরমের রাতে হাতপাখা চালাতে চালাতে হাত ক্লান্ত হয়ে যায়, অথচ কারেন্ট আসার কোনো খবর নেই।
অন্ধকারে বসে অপেক্ষা করার সময় মনে হয়, ধৈর্যেরও বুঝি একটা শেষ সীমা আছে।
ফোনের চার্জ কমে যাচ্ছে, ঘরে কারেন্ট নেই—দুটো একসঙ্গে হলে দুশ্চিন্তা বাড়ে বৈকি!
সারাদিনের পরিশ্রম শেষে শরীর একটু স্বস্তি চায়, কিন্তু লোডশেডিং সেই সুযোগটুকুও কেড়ে নেয়।
তৃষ্ণা মেটাতে ঠান্ডা পানি আছে, কিন্তু গরমের মধ্যে একটুখানি বাতাসের অভাবটা থেকেই যায়।
দিনের প্রচণ্ড গরমের পর রাতেও কারেন্ট না থাকলে ঘরের ভেতরটা আরও অস্বস্তিকর হয়ে ওঠে।
বিদ্যুৎহীন সময়টা দ্রুত শেষ হোক—এটাই তখন সবার মনের একটাই চাওয়া।
অন্ধকার ঘরে বসে থাকা যতটা না কঠিন, তার চেয়ে বেশি কঠিন হলো অসহ্য গরমে স্বাভাবিক থাকা।
লোডশেডিংয়ের কারণে রাতটা দীর্ঘ মনে হয়, আর ঘড়ির কাঁটাও যেন ধীরে ধীরে চলে।
কারেন্ট আসবে কি না, সেই অপেক্ষার মধ্যে আশা আর বিরক্তি—দুটোই পালা করে আসে।
লোডশেডিং নিয়ে ফেসবুক পোস্ট
হে কারেন্ট মামা, আমাদের সঙ্গে আর কত লুকোচুরি খেলবে? আমরা মানুষ, তোমার খেলার মাঠ নই!
আজকের আবহাওয়া: গরম প্রচণ্ড, কারেন্ট অনিশ্চিত। সবাই হাতপাখা কাছে রাখুন এবং চার্জ বাঁচিয়ে চলুন!
ফেসবুকের বন্ধুদের জানিয়ে রাখি, কারেন্ট নেই বলে আমার মেজাজ এখন হাই ভোল্টেজে চলছে!
কারেন্ট চলে গেছে। মোমবাতির আলোয় পোস্ট লিখছি, আপনারা লাইক দিয়ে একটু মানসিক বাতাস দিন!
লোডশেডিংয়ের রাতে ফোন স্ক্রোল করার মজাই আলাদা, বিশেষ করে যখন চার্জ ৩% আর কারেন্টের খবর নেই!
কারেন্ট আসার কোনো লক্ষণ নেই। আজকের আড্ডা ছাদে হবে, সঙ্গে নিজের হাতপাখা নিয়ে আসবেন!
লোডশেডিংয়ের একটা ভালো দিক আছে—পরিবারের সবার সঙ্গে কথা হয়। যদিও কথার মাঝখানে সবাই ফ্যানের কথা মনে করে!
কারেন্ট নেই তো কী হয়েছে? আমার হাসিখুশি মনকে এখনো কেউ লোডশেডিং করতে পারেনি!
গরমে কারেন্ট চলে গেলে ট্রল না করে থাকা যায়? কমেন্টে জানান, আপনার এলাকায় কারেন্টের লুকোচুরি কেমন চলছে!
কারেন্টের অপেক্ষায় বসে থাকা এখন আমাদের দৈনন্দিন রুটিনের অংশ। শুধু রুটিনের সময়সূচিটা কেউ জানায় না!
আজ মোমবাতিও মনে হয় বিরক্ত হয়ে বলছে, ‘ভাই, আমাকে একটু বিশ্রাম দাও! সারাক্ষণ জ্বলে থাকতে ভালো লাগে?’
বিদ্যুৎ বিভাগের সঙ্গে আমার সম্পর্কের অবস্থা—ইটস কমপ্লিকেটেড! দেখা হয় কম, অপেক্ষা করতে হয় বেশি!
লোডশেডিংয়ের রাতে মশারাই আমার সবচেয়ে নিয়মিত ফলোয়ার। পোস্ট না দিলেও কানের কাছে হাজির!
কারেন্ট যাওয়ার পর মনে হচ্ছে, পৃথিবীটা ছোট হতে হতে মোমবাতির আলোয় এসে আটকে গেছে!
পাড়ায় কারেন্ট গেছে কি না নিশ্চিত হতে বারান্দায় দাঁড়িয়ে অন্য বাসার আলো দেখা—এটাই আমাদের বিশেষ প্রতিভা!
কারেন্ট এলে যে আনন্দ হয়, মনে হয় জীবনে প্রথমবার পরীক্ষায় পাস করেছি!
গরমের এই দিনে কারেন্ট মামাকে খুব মিস করছি। ভাই, রাগ করে থাকলে এবার ফিরে এসো!
মোমবাতির আলোয় বসে স্ট্যাটাস দিচ্ছি। লাইক-কমেন্ট দিয়ে একটু উৎসাহ দিন, বিদ্যুতের অভাবটা অন্তত ভুলে থাকি!
লোডশেডিংয়ের আসল কষ্ট তখনই, যখন চার্জার ফ্যানটাও বলে, ‘ভাই, আমার ব্যাটারিও শেষ!’
জীবনের অনেক অন্ধকার পার করেছি, কিন্তু গরমের রাতে কারেন্ট ছাড়া থাকা সত্যিই কঠিন!
কারেন্টের অপেক্ষা করতে করতে ভাবছি, হাতপাখার দোকান খুললে কেমন হয়? অন্তত নিজের সমস্যার সমাধান হবে!
কারেন্ট নেই? চিন্তা নেই, এই পোস্ট পড়ে একটু হাসুন। গরম কমাতে না পারলেও মেজাজটা হয়তো ভালো হবে!
আকাশের তারা দেখার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য বিদ্যুৎ বিভাগকে ধন্যবাদ। তবে ফ্যানের বাতাসটাও মাঝে মাঝে দিলে ভালো হতো!
কারেন্ট নেই, কিন্তু বন্ধুদের সঙ্গে আমাদের আড্ডার ভোল্টেজ এখনো ফুল!
ঘরে থাকা যাচ্ছে না, তাই সবাই ছাদে আসুন। সঙ্গে মশা তাড়ানোর ব্যবস্থা আনতে ভুলবেন না!
মোমবাতির আলোয় সেলফি তুললাম। ক্যাপশন ভাবছি—‘লোডশেডিংয়ের আলোয় আমার উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ!’
বিদ্যুৎহীন সন্ধ্যায় সবাইকে জানাই উষ্ণ শুভেচ্ছা। উষ্ণ কথাটা এখানে একদম আক্ষরিক অর্থে বলা!
কারেন্ট মামা, ফিরে এসো। ফ্যানের বাতাস ছাড়া তোমার সব গুণের কথা ভুলে যাচ্ছি!
লোডশেডিং মানেই ফোনের ডাটা অন করে ফেসবুকে আসা, তারপর কারেন্ট নিয়ে অভিযোগের স্ট্যাটাস দেওয়া!
এই অন্ধকার পোস্টটি পড়ে গেলে কমেন্টে আপনার এলাকার লোডশেডিংয়ের অভিজ্ঞতা জানাবেন। দেখি, কার কষ্ট বেশি আর কার হাতপাখা বেশি শক্তিশালী!
শেষ কথা
লোডশেডিং আমাদের দৈনন্দিন জীবনের এমন এক বিরক্তিকর অভিজ্ঞতা, যা নিয়ে রাগ করার পাশাপাশি মাঝেমধ্যে হাসাহাসিও করা যায়। আশা করি, এই ফানি ক্যাপশন, স্ট্যাটাস ও হাসির উক্তিগুলো আপনার ভালো লেগেছে এবং ফেসবুকে শেয়ার করার মতো নতুন কিছু পেয়েছেন। এবার আপনার পালা—আপনার এলাকায় কারেন্ট গেলে সবচেয়ে মজার বা বিরক্তিকর কী ঘটনা ঘটে? কমেন্টে লিখে জানান। আপনার অভিজ্ঞতা পড়ে হয়তো অন্যরাও হাসবে, আর লোডশেডিংয়ের একঘেয়েমির মধ্যে একটু আনন্দ খুঁজে পাবে!
