| |

২১৯+আত্মীয় স্বজন নিয়ে সেরা কবিতা , ছন্দ ও শায়েরির সুন্দর সংগ্রহ

আত্মীয়তার সম্পর্ক কখনো ভালোবাসার আশ্রয়, আবার কখনো স্বার্থ ও হিংসার কঠিন বাস্তবতা। সুখের দিনে অনেকেই পাশে থাকে, কিন্তু বিপদের সময় চেনা যায় প্রকৃত আপনজনকে। আত্মীয়তার এমনই নানা রঙ, অভিমান, মায়া ও বাস্তবতার অনুভূতি ফুটে উঠেছে এই কবিতা, ছন্দ ও শায়েরিগুলোতে। এর আগে পড়তে পারেন [আত্মীয়-স্বজন নিয়ে উক্তি ক্যাপশন স্ট্যাটাস ও কবিতা]। এবার চলুন, আত্মীয়তার নানা রূপ নিয়ে লেখা কবিতা ও ছন্দের জগতে হারিয়ে যাই।

আত্মীয়স্বজন নিয়ে কবিতা

রক্তের টানে বাধা যে নাম,
মনেতে রাখে গভীর সম্মান।
হাসি-কান্নায় পাশে যে রয়,
সেই তো আপন, নাই কোনো ভয়।

স্বজনের প্রেমে প্রদীপ জ্বলে,
সুখের সুবাস বাতাসে দোলে।
হাতে হাত রেখে হাঁটে যে পথ,
পূরণ করে জীবনের রথ।

একই লতা যেন একই ছায়া,
আত্মীয় মানে গভীর মায়া।
দূরত্ব বাড়ে তবুও মনে,
টান রয়ে যায় গোপনে গোপনে।

সুখের দিনে হাসির আলো,
সব স্বজনকে লাগে ভালো।
কঠিন পথেও বাড়ায় হাত,
কাটে যেন সুখে কাটানো রাত।

একই শিকড়ে মোদের বাস,
মেটে না কখনো দেখার আশ।
সম্পর্কের বাঁধন শক্ত হলে,
দুঃখগুলো সব দূরে চলে।

আত্মীয়তার চিরন্তন টান,
হৃদয় মাঝে পায় যে স্থান।
একটি হাসিতে ভুলিয়ে দেয়,
জীবনের সব ক্লান্তি ও ভয়।

রক্তের সুতোয় বাঁধা হৃদয়,
আপনজন কভু পর না হয়।
দুঃখের মাঝে যে দেয় আলো,
সে স্বজনকে বাসি যে ভালো।

মেহমান এলে ঘরেতে হাসি,
আমরা সবাই সবারে বাসি।
পারিবারিক সেই মিঠে টান,
জুড়িয়ে দেয় আকুল প্রাণ।

একই বংশের প্রদীপ জ্বলে,
মনের যত কথা সে বলে।
ভালোবাসা দিয়ে ঘেরা মন,
এই তো মোদের প্রিয় স্বজন।

সংসারের এই গভীর মায়া,
আপনজনের স্নেহের ছায়া।
বিপদের মাঝেও পাশে থাকে,
স্নেহভরে মোরে ধরে রাখে।

হাসির মেলা ঘরের কোণে,
প্রিয় মুখগুলো ভাবি মনে।
স্বজন থাকলে পূর্ণ প্রাণ,
গাই একসাথে জয়ের গান।

ছোট ছোট কথা জমানো রাগ,
দিনের শেষে প্রেমে অর্ধেক ভাগ।
আত্মীয় মানে পরম পাওয়া,
একসাথে সুখে ভেসে যাওয়া।

জীবনের গানে তারা সুর,
স্মৃতিগুলো হয় না দূর।
রক্তের টানে যে বাঁধে ঘর,
সে কখনো হতে পারে না পর।

আপন মানুষ ঘরের সনে,
প্রশান্তি আনে সবার মনে।
দিনের শেষে একটি হাসি,
সব স্বজনকে ভালোবাসি।

যত দূরে থাকি রয় সে টানে,
হৃদয় মাঝে সুর যে আনে।
একই শিকড়ের ছায়াতলে,
সুখের গল্প চোখেতে বলে।

আত্মীয়তার বন্ধন ভালো,
অন্ধকারে সে জ্বালায় আলো।
সত্যিকারের যে প্রিয়জন,
সুখে-দুঃখে একই মন।

স্নেহের বাঁধন ভাঙার নয়,
আপন মানুষ চিরন্তন হয়।
দূরত্ব কভু দূরত্ব বাড়ায় না,
সাঁঝের প্রদীপ কখনো নেভে না।

এক সাথে বসা বিকেলের রোদ,
মনের মাঝে নেই কোনো ক্ষোভ।
ভালোবাসা দিয়ে জীবন গড়া,
স্বজনের হাত ধরে বেঁচে থাকা।

ঘর জোড়া শুধু হাসির কল্লোল,
হৃদয়ে বাজায় প্রেমের মাদল।
পরস্পরের হাত ধরে পথ চলা,
এই তো শেখায় স্বজনের মেলা।

রক্তের সাথে রক্তের মেলা,
কাটে আনন্দে প্রতি বেলা।
আপনজনের মিষ্টি হাসিতে,
জীবন কাটুক গভীর ভালোবাসাতে।

আরো থাকছে আপনাদের জন্য অনুভূতি নিয়ে ক্যাপশন, স্ট্যাটাস, কবিতা ও শায়েরির অনন্য সংকলন আমাদের এই আর্টিকেলটিও

স্বার্থপর আত্মীয় নিয়ে কবিতা

প্রয়োজন শেষে চিনে না আর,
বন্ধ করে মন দরজা তার।
স্বার্থের টানে আসে যে কাছে,
এমন আত্মীয় চারপাশে আছে।

মিষ্টি কথায় বিষের বাঁশি,
মুখে তাদের নকল হাসি।
নিজের কাজে আপন বলে,
প্রয়োজন ফুরালে অমনি চলে।

টাকার লোভে ভালোবাসার অভিনয়,
স্বার্থ ফুরালে আর আপন নয়।
এদের রূপ বড়ই বিচিত্র,
মনটা এদের নয় তো পবিত্র।

সুখের দিনে থাকে ঘেষি,
দেখায় ভালোবাসা বড্ড বেশি।
দুঃখের দিনে খোঁজ মেলে না,
এমন স্বজন মোদের লাগে না।

স্বার্থের টানে মেলায় হাত,
পিছন থেকে মারে যে খাত।
আপন সেজে বিষ ঢেলে দেয়,
সুযোগ বুঝে সব কেড়ে নেয়।

নকল স্নেহের ঢং দেখায়,
স্বার্থের কাছে মাথা নোয়ায়।
প্রয়োজনের এই বন্ধন যত,
মনে দিয়ে যায় গভীর ক্ষত।

টাকা থাকলে আত্মীয় অনেক,
টাকা না থাকলে চেনে না এক।
স্বার্থের দুনিয়া স্বার্থের খেলা,
এদের চেনা যায় কঠিন বেলা।

উপকার নিলে ভুলে যায় পরে,
খোঁজ নেয় না নিজের ঘরে।
এমন আত্মীয় দূর থেকে ভালো,
এদের মনে শুধুই আঁধার কালো।

মিছে মায়ায় জড়ায় কেন,
স্বার্থই তাদের লক্ষ্য যেন।
প্রয়োজন ফুরালে ছিটকে ফেলে,
সুযোগ পেলেই আগুন জেলে।

মুখের সামনে মিষ্টি বাণী,
পিছনে মারে বিষের বাণটি।
স্বার্থপরের এমন ধারা,
দিনের শেষে শুধুই একা তারা।

লোভের খেলায় মত্ত মন,
তারা নাকি মোদের আপনজন!
প্রয়োজন শেষে দূরে রয়,
এমনে কী আর সম্পর্ক হয়?

সম্পদ দেখলে আসে ছুটে,
ভাগ বসাতে মনটা উঠে।
বিপদের দিনে থাকে দূরে,
মিছে হাসির সুরটা ধরে।

স্বার্থের টানে হাসে মুখ,
অকূলে ভাসিয়ে খোঁজে সুখ।
আপন সেজে ক্ষতি করে,
এমন মানুষ থাকে প্রতি ঘরে।

প্রয়োজনের টানে প্রেম দেখায়,
অন্ধকারে একা ফেলে যায়।
স্বার্থ ছাড়া এক পা চলে না,
এদের ভালোবাসা আসল না।

টাকা-পয়সার এই জগতে,
স্বার্থ ঘোরে প্রতি পথে।
স্বজন সেজে যে দেয় কষ্ট,
তার মনটাই আসল নষ্ট।

কাজের বেলায় আপন ভারী,
কাজ শেষে দেয় আড়াআড়ি।
এমন আত্মীয়ে পূর্ণ দেশ,
তাদের অভিনয় হয় না শেষ।

স্বার্থপরের মিছে মায়া,
যেন কোনো বিষাক্ত ছায়া।
দূরে থাকাই পরম সুখ,
দেখতে নেই এদের মুখ।

মিথ্যার জালে বোনে জাল,
স্বার্থের টানে হারায় সামাল।
আপন হয়েও শত্রু হয়,
মনেতে এদের বিষের ভয়।

সুযোগ বুঝে পিঠে মারে ছুরি,
কথার ঝুড়িতে ভালোবাসার ঝুরি।
স্বার্থপর আত্মীয় চেনা যায় ঠিক,
সময়ের সাথে বদলায় দিক।

স্বার্থ ফুরালে রূপ বদলে যায়,
পরের মতো দূরে হেঁটে যায়।
রক্তের নামে এরা কলঙ্ক হয়,
ভালোবাসার মূল্য কভু দেয় না এরা নয়।

বিপদে আত্মীয়দের নিয়ে কবিতা

বিপদ এলে কে কোথায় হারায়,
কঠিন দিনে কজন পাশে দাঁড়ায়?
আপন ভেবে যাদের ডেকেছি মনে,
তারা পালিয়েছে দূর গহনে।

ঝড় এলে বোঝা যায় ঘরের জোর,
বিপদে চেনা যায় আত্মীয়ের মন।
সুখের দিনের পরম বন্ধু যারা,
দুঃখের দিনে দেয় না সাড়া।

বিপদের দিনে আড়ালে থাকে,
একটুও আর খোঁজ না রাখে।
যাদের জন্য সঁপেছি প্রাণ,
তারা আজ দেখায় মিথ্যে ভান।

কঠিন সময়ে কেউ হয় না আপন,
সবাই খোঁজে নিজের জীবন।
রক্তের সম্পর্কও থমকে দাঁড়ায়,
বিপদে স্বজন দূরে চলে যায়।

বিপদ দিলে দেয় পরম আলো,
কে শত্রু আর কে যে ভালো।
আত্মীয়রা যখন চোখ ফিরিয়ে নেয়,
আল্লাহ তখন নতুন পথ দেখায়।

আশা ছিল যাদের ওপর মেলা,
বিপদের দিনে তারা করল খেলা।
খোঁজ নিল না একটি বারও,
পর হয়ে গেল আপনজনও।

ঝড়ের রাতে একা আমার মন,
পাশে নেই কোনো প্রিয় স্বজন।
বিপদের এই কঠিন পরীক্ষায়,
মানুষের আসল রূপ দেখা যায়।

সুখের সময় সবাই ঘেরে,
বিপদ এলে পিঠ ফিরিয়ে হেরে।
এমনি করে চেনা যায় জীবন,
কে যে পর আর কে যে আপন।

বিপদের ছায়া যখন আসে,
কজন আর সত্যি ভালোবাসে?
আত্মীয়রা শুধু দূরে দাঁড়িয়ে দেখে,
কষ্টগুলো একা হৃদয়ে আঁকে।

হাতের মুঠোয় ছাই জমা হয়,
বিপদে স্বজন পর হয়ে যায়।
তবুও বেঁচে থাকার এই লড়াই,
একাই লড়ি, কারও সাহায্য না চাই।

বিপদে পড়ে বুঝেছি আজ,
কাদের মাথায় ভালোবাসার তাাজ।
আত্মীয়রা সব চুপটি করে,
নিজের সুখে মত্ত ঘরে।

ছায়ার মতো ছিল যারা পাশে,
বিপদে তারা দূরে যেয়ে হাসে।
আপনজনের এমন করুণ রূপ,
হৃদয় মাঝে ঘটায় বিষাদ-ঝড় চুপ।

বিপদের দিনে যে বাড়ায় হাত,
সেই তো আপন কাটায় রাত।
নচেৎ সব আত্মীয় মিথ্যে মায়া,
কঠিন দিনে মেলে না তাদের ছায়া।

হাত ধরে যারা বলেছিল পাশে রবো,
বিপদে ভেবেছিলাম তাদের সাথে চলবো।
সময় আসতেই সরে গেল তারা,
দিয়ে গেল শুধুই দুঃখের ধারা।

বিপদেই শেখায় বেঁচে থাকার পথ,
চেনা যায় স্বজনের আসল রথ।
যারা বিপদে ফেলে একা চলে যায়,
তাদের আত্মীয় বলা ভুল হয়ে যায়।

কঠিন সময়ে কাঁধে রাখেনি হাত,
অন্ধকারে একা কেটেছে রাত।
স্বজন হয়েও যারা পর হলো আজ,
তাদের চিনে নেওয়াই আমার কাজ।

দুঃখের দিনে নীরব কেন তারা,
সুখের দিনে যারা ছিল পাগলপারা?
বিপদের ধাক্কায় ভাঙল ভুল,
রক্তের সম্পর্কে মিলল না কূল।

বিপদ এলে চেনা যায় বাঁধন,
কে বন্ধু আর কে যে স্বজন।
মুখোশ খুলে পড়ে সবার অতি দ্রুত,
সম্পর্কগুলো হয়ে যায় যেন মৃত।

বিপদের ঝড়ে দোলে যখন ঘর,
আপন মানুষও হয়ে যায় পর।
কথা দিয়েও যারা রাখে না কথা,
তারা দিয়ে যায় শুধু গভীর ব্যথা।

বিপদের দিনে পাশে থাকা জনই আপন,
বাকি সব শুধুই মিছে প্রস্থাপন।
রক্তের সম্পর্কে চোখ জল আনে,
কঠিন দিনে আসল প্রিয়জন চেনে।

খারাপ আত্মীয় নিয়ে কবিতা

মুখের হাসিতে বিষের থাবা,
খারাপ আত্মীয়ের এই তো কাজ বাবা।
সামনে বসে প্রশংসার বাণী,
পিছনে মারে কষ্টের বাণটি।

অন্যের সুখে যাদের জ্বলে মন,
তারা নাকি মোদের ঘরের স্বজন!
খারাপ মানুষের রূপ চেনা দায়,
কথার ছলে ক্ষতি করে যায়।

মনের মাঝে হিংসার বিষ,
সব সময় চায় করতে নিঃশেষ।
আপন সেজে যে ক্ষতি চায়,
তার থেকে দূরে থাকা অতি ভালো হায়।

ঘরের শত্রু বিভীষণ যেন তারা,
অন্যের ভালো দেখলে হয় দিশেহারা।
খারাপ আত্মীয়ের বিষাক্ত ছোবল,
ভাঙে মনের সবটুকু বল।

সম্পর্ক নষ্ট করতে এরা ওস্তাদ,
মুখে মিঠে কথা মনে বড্ড অপবাদ।
ভালো চাইলে এরা সহ্য করে না,
এদের মন কভু ভালো হয় না।

বিষাক্ত সাপের চেয়েও তারা খারাপ,
কথায় কথায় দেয় মিথ্যা অভিশাপ।
রক্তের সুতোয় থেকেও শত্রু হয়,
এমন আত্মীয়ের নেই কোনো ভয়।

সামনে ডেকে গোপনে মারে পিঠে,
এদের মায়া বড়ই যে মিছে।
খারাপ স্বজন চিরদিন খারাপ থাকে,
অন্ধকারে তারা ফাঁদ পেতে রাখে।

সুখের ঘরে আগুন দিতে চায়,
নিজের বোনকে পর করে দেয় হায়।
খারাপ স্বভাব বদলায় না কভু,
এদের থেকে বাঁচাও মোরে প্রভু।

মিথ্যার বেড়াজালে বাঁধে জীবন,
তারা নাকি আমার পরম স্বজন!
কষ্ট দেওয়াই যাদের আসল কাজ,
তাদের মুখ দেখতে পাই না আজ।

মুখোশের আড়ালে শয়তানের বাস,
অন্যের পতন দেখতে ভালোবাস।
খারাপ আত্মীয়ের বিষের ছায়া,
নষ্ট করে সব স্নেহ ও মায়া।

পরের ভালো দেখলে চোখ টাটায়,
নিজের স্বার্থে সম্পর্কগুলো কাটায়।
খারাপ স্বজন বড়ই কঠিন অতি,
এরা আনে জীবনের সব ক্ষতি।

কথা দিয়ে কথা না রাখা অভ্যাস,
অন্যের সুখ দেখে ছাড়ে দীর্ঘশ্বাস।
খারাপ মানুষের এমন যে রূপ,
দেখে থমকে যায় হৃদয় চুপ।

স্নেহের নামে বিষ ঢালে তারা,
সংসার ভাঙতে হয় পাগলপারা।
খারাপ আত্মীয়কে চিনে রাখো আজ,
দূরে থাকাই পরম স্বস্তির কাজ।

পিছনে সমালোচনা করাই স্বভাব,
এদের মনে বড্ড ভালোবাসার অভাব।
রক্তের টানে মেলায় শুধু বিষ,
এমন আত্মীয়ের জীবন হোক নিঃশেষ।

মুখের হাসি মিথ্যা অভিনয়,
মনটা এদের আলোর মতো নয়।
কালো ছায়ে ঘেরা তাদের মন,
খারাপ স্বজন থেকে থাকো সচেতন।

নিজের দোষ ঢাকা দিতে পটু,
অন্যের ওপর ছড়ায় কথা কটু।
খারাপ মানুষ আত্মীয় হলেও পর,
এমন স্বজনে ভাঙুক তাদের ঘর।

কথার বিষে জর্জরিত জীবন,
এদের কি বলা যায় আপনজন?
খারাপ মানুষের রক্তে নাই টান,
নষ্ট করে অন্যের পরম মান।

ছোট করতে ভালোবাসে এরা সদা,
কথায় কথায় দিয়ে যায় গাদা গাদা ব্যথা।
খারাপ আত্মীয়ের থেকে দূরত্ব ভালো,
তবেই জীবনে আসবে সুখের আলো।

অন্যের পতন দেখে যারা হাসে,
তারা কি সত্যি কাউকে ভালোবাসে?
খারাপ আত্মীয়ের কুৎসিত চেহারা,
সময়ের স্রোতে পায় শাস্তি তারা।

ভালোবাসার নামে বিষের খেলা,
খারাপ স্বজন চেনা যায় প্রতি বেলা।
এদের মায়া কাটানো অতি দরকার,
তবেই শান্ত হবে নিজের সংসার।

আত্মীয়স্বজন নিয়ে ছন্দ

আত্মীয়ের ভিড়ে হাসি থির থির,
ভালোবাসা থাকলে থাকে মন স্থির।

আপনজন হাসলে হাসে মোদের ঘর,
প্রেমের সুতোয় বাঁধা আপন আর পর।

মিষ্টি কথায় মনের বাঁধন বাড়ে,
সত্যিকারের স্বজন কখনো না ছাড়ে।

সুখের মেলা ঘরের কোণে,
আত্মীয়ের কথা বাজে মনে।

একই রক্তে গড়া দেহ-মন,
ভালোবাসায় ঘেরা আপনজন।

দূর থেকেও টানে রক্তের বন্ধন,
স্বজনের হাসিতে জুড়ায় মন।

হাত ধরে চলি আঁকাবাঁকা পথে,
স্বজন থাকলে জয় আসে সাথে।

মেহমান এলে আনন্দের বান,
স্বজন থাকলে জুড়িয়ে যায় প্রাণ।

স্নেহের ছায়ায় ছোট ছোট আশা,
আত্মীয় মানে একবুক ভালোবাসা।

হৃদয়ে জমা কত মধুর স্মৃতি,
স্বজনের সাথে বাড়ে সুখ-প্রীতি।

হাসি আর কান্নায় জড়ানো নাম,
স্বজনের ভালোবাসায় মেলে আরাম।

স্বজনের আলোয় প্রদীপ জ্বলে,
মনটা আনন্দে দোলে।

হাতে হাত রেখে বলি একসাথে রব,
স্বজন থাকলে পূর্ণ সব।

একই সুতোয় গাঁথা ফুলমালা,
আত্মীয়তা ঘোচায় মনের জ্বালা।

সুখের সাগরে প্রিয় মুখগুলো,
স্বজনের স্নেহে মুছে কষ্টের ধুলো।

ঘরের কোণে মিষ্টি হাসি,
স্বজনদের ভালোবাসি।

জীবনের তরী, প্রিয় আপনজন,
পারিবারিক টানে বাঁধা মন।

দূরত্ব যতই হোক টান কমে না,
সত্যিকারের স্বজন পর হয় না।

একটি হাসিতে কাটে সারাদিন,
স্বজন থাকলে সুখ রঙিন।

ভালোবাসায় ভরাব স্বজনের হিয়া,
একসাথে থাকব একই টান নিয়া।

আত্মীয়দের নিয়ে বাস্তব ছন্দ

টাকা থাকলে আত্মীয় ঘরে ঘরে,
টাকা না থাকলে সবাই দূরে সরে।

পকেটে টাকা থাকলে সবাই আপন,
খালি পকেটে চেনা যায় জীবন।

সামনে ভালো, পিছনে নিন্দা,
এমন স্বজনের সমাজে ভিড়টা মন্দ।

সুখের দিনে সবাই ভাগ বসায়,
দুঃখের দিনে খোঁজও না নেয়।

রক্তের সম্পর্ক মানেই নয় ভালোবাসা,
স্বার্থের ভিড়ে হারায় কত আশা।

বিপদের দিনে কেউ দেয় না হাত,
স্বজন ব্যস্ত নিজের স্বার্থে রাত।

মিষ্টি কথার আড়ালে বিষের ছায়া,
সুযোগ খোঁজে স্বার্থের মায়া।

সফল হলে স্বজন বাড়ে হাজার,
ব্যর্থ হলে চেনা মুখ অচেনা আজ।

আপন মানুষ দেয় বেশি কষ্ট,
বাস্তবতা শেখায় কঠিন স্পষ্ট।

আত্মীয় অনেক, কাজের বেলা শূন্য,
পর মানুষও কখনো হয় অমূল্য।

অন্যের পতনে কারও মুখে হাসি,
বাস্তবে কজন ভালোবাসে খাঁটি?

খবর নেওয়ার ছলে হিংসার খোঁজ,
ভালো আছি কি না, নেই তার বোধ।

উপকারের কথা ভুলে যায় সবাই,
স্বার্থ ফুরালে আসল রূপ পাই।

টাকার জোরে স্বজনের ভিড় বাড়ে,
অভাবে অনেকেই দূরে সরে।

রক্তের টানেও স্বার্থের ছায়া,
বাস্তবতা শেখায় জীবনের মায়া।

বিপদে ফোন বন্ধ থাকে স্বজনের,
কষ্ট জমে একা নিজের মনে।

প্রয়োজনে আপন, অপ্রয়োজনে পর,
এমন বাস্তবতায় ভাঙে কত ঘর।

অন্যের ভালো দেখলে চোখ টাটায়,
মিথ্যা ছলে সম্পর্ক কাটায়।

তোমার উন্নতি সহ্য হয় না যাদের,
দূরত্ব রাখাই ভালো তাদের।

প্রয়োজনের বন্ধন বেশিদিন টেকে না,
ভালোবাসা ছাড়া সম্পর্ক বাঁচে না।

আত্মীয়তার সম্পর্ক নিয়ে ছন্দ

সম্পর্কের সুতোয় বাঁধা জীবন,
ভালোবাসাতেই আসল আপনজন।

দূরত্ব সম্পর্ক মুছতে পারে না,
হৃদয়ের টান কখনো হারায় না।

বিশ্বাস-শ্রদ্ধায় সম্পর্কের ডোর,
ভালোবাসায় কাটে আঁধার ঘোর।

একটু ছাড় দিলে সম্পর্ক রয়,
অহংকারে বাঁধন নষ্ট হয়।

পারিবারিক মায়ায় ভরা প্রাণ,
সম্পর্ক বাঁচানো বড় দান।

রক্তের টানে গভীর অনুভূতি,
আত্মীয়তায় মেলে শান্তি।

ছোট ভুলগুলো ভুলে যেতে হয়,
তবেই সম্পর্ক চিরদিন রয়।

সম্পর্ক ফুলের মতো যত্ন চায়,
অবহেলায় তার সৌন্দর্য হারায়।

টাকা নয়, ভালোবাসাই আসল,
সম্পর্কেই জীবনের ফসল।

হাতে হাত রেখে বলি তোমায়,
সম্পর্কের আলো হৃদয়ে জ্বলে যায়।

সুখে-দুঃখে একসাথে চলা,
স্বজনের ভালোবাসায় জীবন গড়া।

মান-অভিমান থাকবেই মনে,
ভালোবাসা জয়ী হয় শেষে।

আত্মীয়তার বন্ধন বটের ছায়া,
হৃদয়ে জাগায় মিষ্টি মায়া।

রক্তের সম্পর্ক ওপরের দান,
সুন্দর রাখা নিজের সম্মান।

পরকে আপন করে যে টান,
সেখানেই মেলে সুখের সন্ধান।

ভালোবাসা দিলে ভালোবাসা মেলে,
সম্পর্ক বাঁচে মনের আলো জ্বলে।

আত্মীয়তা মানে কাঁধে হাত,
একসাথে কাটে সুখের রাত।

সম্পর্কের মূল্য বোঝে গুণীজন,
স্বজনের মাঝেই সুখের ভুবন।

শ্রদ্ধা-স্নেহে সম্পর্ক গড়া,
ভালোবাসায় মন থাকে ভরা।

জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত থাকুক টান,
আত্মীয়তার বন্ধনে জুড়িয়ে থাক প্রাণ।

আত্মীয়দের মুখোশ নিয়ে ছন্দ

মিষ্টি হাসির আড়ালে বিষাক্ত মন,
মুখোশধারী আত্মীয় বড়ই অচেনা জন।

সামনে ভালো, পিছনে ছাই,
মুখোশধারীর বিশ্বাস নাই।

রক্তের টানের অজুহাতে মুখোশ পরে ঘোরে,
সুযোগ পেলেই বিষ ছড়ায় ঘরে।

আসল রূপ ঢেকে আপন সেজে রয়,
মুখোশধারীর থেকে সাবধান হও সদাই।

সুখের দিনে মুখোশ পরে হাসে,
দুঃখে আসল রূপ প্রকাশ পায় শেষে।

ভালোবাসার ঢং, মনে বিষ,
এমন স্বজন থেকে থেকো দূরে নিশ্চয়।

চেনা মুখের আড়ালে অচেনা রূপ,
মুখোশ খুললে সবাই চুপ।

কথায় মধু, মনে আগুন,
মুখোশধারী স্বজন থেকে সাবধান।

উপকারের নামে ক্ষতি করে যারা,
মুখোশের আড়ালে লুকায় তারা।

আপন হয়েও শত্রুর মতো,
মুখোশের দুনিয়া বড় অদ্ভুত।

নকল স্নেহের চাদর গায়ে,
কষ্ট দিয়ে যায় অবহেলায়।

মুখোশধারী স্বজন চিনে নিও ভাই,
পর মানুষও কখনো ভালো পাই।

মিথ্যা ভালোবাসা, স্বার্থের টান,
দূরে থাকাই শান্তির স্থান।

ঘরের ভেতর শত্রু ঘোরে,
আত্মীয়তার মুখোশ পরে।

সামনে হাসে, পিছনে গর্ত খোঁড়ে,
মুখোশধারী স্বজন এমনই করে।

চোখের সামনে মিঠে হাসি,
আড়ালে থাকে হিংসার ফাঁসি।

রক্তের টানে বিশ্বাস ভাঙে যারা,
মুখোশধারী স্বজন তারা।

সময় এলেই মুখোশ খসে,
আসল মানুষ চেনা যায় শেষে।

নকল ভালোবাসায় বেঁধো না মন,
মুখোশ খুললেই চিনবে আপনজন।

মুখোশধারী চিনে দূরে রাখো,
নিজের জীবনে শান্তি মাখো।

আত্মীয়স্বজন নিয়ে শায়েরি

রক্তের টানে বাঁধা ঘর,
আপন মানুষ হয় না পর।
হৃদয়ে যার মিষ্টি বাস,
তার সাথেই কাটে বারো মাস।

সুখের সাগরে একসাথে ভাসি,
স্বজনদের জন্য হাসি।
ভালোবাসায় ভরা মন,
তারাই তো আপনজন।

দূরত্ব যতই আসুক জীবনে,
স্বজন থাকে হৃদয়ের গহনে।
ডাকলেই যে দেয় সাড়া,
তাদের ছাড়া জীবন দিশেহারা।

হাসির রোদে ভালোবাসার দীপ,
স্বজনের স্নেহে জীবন হোক মিষ্টি।
রক্তের বন্ধন অমূল্য উপহার,
ভালোবাসায় থাকুক সবার সংসার।

একসাথে বসা, একসাথে হাসা,
স্বজনের মাঝেই ভালোবাসা।
কষ্টগুলো দূরে যায়,
আপনজন পাশে দাঁড়ায়।

মেহমান এলে আনন্দের ঢেউ,
স্বজনের মতো আপন নয় কেউ।
পারিবারিক এই বন্ধন,
জুড়িয়ে দেয় মন।

জীবনের গানে মিষ্টি সুর,
স্বজনের মায়া থাকে ভরপুর।
হাতে হাত রেখে কাটে বেলা,
ভালোবাসায় জমে মেলা।

রক্তের সুতোয় বাঁধা আনন্দ,
স্বজনের মাঝে প্রেমের ছন্দ।
বিপদেও মেলে ছায়া,
ভোলা যায় কি সেই মায়া?

একই গাছের ফুটন্ত ফুল,
স্বজনের ভালোবাসা অমূল্য।
হৃদয়ের দুয়ার খুলে আলো,
আপনজনকে বাসি ভালো।

দুঃখের দিনে মুছে দেয় জল,
স্বজনেরাই আসল বল।
ভালোবাসায় গড়ি ঘর,
রক্তের টানে কেউ নয় পর।

মিষ্টি স্মৃতিতে চেনা মুখ,
স্বজনের হাসিতে আসল সুখ।
দিনের শেষে নিজের নীড়ে,
শান্তি মেলে স্বজনের ভিড়ে।

ভালোবাসার বন্ধন থাকুক চিরকাল,
স্বজনের সাথে কাটুক সব কাল।
একটু হাসি, একটু টান,
এ নিয়েই বাঁচুক প্রাণ।

সংসারের ঝড়ে ভেঙো না মন,
পাশে আছে প্রিয় স্বজন।
একসাথে থাকলে দূর হয় ভয়,
ভালোবাসাতেই জীবনের জয়।

রক্তের মায়া পরম টান,
হৃদয়ে পায় সম্মানের স্থান।
আপনজনের প্রেমে ভেসে যাই,
তাদের ভালোবাসা চিরদিন চাই।

একটুখানি হাসি, অনেক ভালোবাসা,
স্বজনদের ঘিরে জীবনের আশা।
সুখের হাওয়ায় দোলে মন,
চিরকাল বেঁচে থাকুক আপনজন।

হৃদয়ের কথা বোঝে যারা,
স্বজনেরাই আপন সারা।
কখনো অভিমান, কখনো হাসি,
সবাইকে একসাথে ভালোবাসি।

আঁকাবাঁকা জীবনের পথে,
স্বজনেরা থাকে পাশে।
ধন্য আমার জীবন,
পেয়েছি এত আপনজন।

ছোট মুহূর্তে গভীর মায়া,
স্বজন যেন বটের ছায়া।
রক্তের বন্ধন অটুট থাক,
ভালোবাসার সুবাস ছড়াক।

এক সুতোয় গাঁথা ঘর,
স্বজনের ভালোবাসায় কাটে ঝড়।
হাসি-কান্নার মেলা,
একসাথে কাটুক বেলা।

রক্তের টানে হৃদয় আলো,
স্বজনদের বাসি ভালো।
ভালোবাসায় পূর্ণ মন,
ধন্য আমার জীবন।

আত্মীয়দের হিংসা নিয়ে শায়েরি

অন্যের পতনে মুখে হাসি,
হিংসুক স্বজন কেমন করে বাসি?
উন্নতি দেখলে চোখ টাটায়,
হিংসার আগুন মনে জ্বালায়।

সামনে মধুর কথার ঝুরি,
পিছনে হিংসার ধারালো ছুরি।
তোমার সুখে যাদের জ্বালা,
তাদের থেকে দূরে থাকা ভালো।

নিজের সুখে শান্তি নেই,
হিংসুক স্বজনের শেষ নেই।
সফল হলে দোষ খোঁজে,
হিংসা লুকায় মনের মাঝে।

বিষাক্ত মন, কঠিন আচরণ,
সুযোগ পেলেই করে ক্ষতি।
অন্যের ভালো সয় না যাদের,
দূরত্ব রাখো তাদের থেকে।

হৃদয়ে হিংসার আগুন জ্বলে,
তোমার সুখে মনটা জ্বলে।
হাসির আড়ালে লুকায় মন,
চিনে রেখো এমন স্বজন।

তোমার সাফল্যে কেন জ্বালা?
হিংসুক মনে কথার মালা।
পিছনে নিন্দা করাই কাজ,
সম্পর্ক ভাঙে প্রতিদিন আজ।

রক্তের টানেও হিংসার বাস,
অন্যের সুখে দীর্ঘশ্বাস।
পরের ভালো সহ্য হয় না,
এমন স্বজন আপন না।

ঘরের খবর নিতে আসে ছুটে,
হিংসার কথা মনে ওঠে।
ভালো চাওয়া মেলে না কাছে,
এমন মানুষ চারপাশে আছে।

মিষ্টি কথায় হিংসার বিষ,
তোমার কষ্টে পায় সুখ নিশ্চয়।
মুখোশ চিনে দূরে থাকো,
নিজের শান্তি আগলে রাখো।

তোমার খুশিতে কেন বিষাদ?
ভুলে যায় রক্তের সম্পর্কের স্বাদ।
অন্যের ক্ষতি যাদের আশা,
তাদের মনে নেই ভালোবাসা।

নিজের অভাব ঢাকতে গিয়ে,
অন্যকে ছোট করে দিয়ে।
রক্তের টানেও শত্রু হয়,
এমন স্বজন থেকে সাবধান রয়।

সফলতার পথে এগিয়ে চলো,
হিংসুকদের কথা ভুলে ভালো।
তোমার লক্ষ্য তোমার জয়,
অন্যের হিংসায় থেমো না ভয়।

হিংসার আগুন পোড়ায় হিয়া,
তোমার হাসি দেখে বিষাদ নিয়ে।
কুৎসিত চিন্তা যাদের সঙ্গী,
দূরে থাকাই বুদ্ধির ভঙ্গি।

অন্যের সুখে জ্বলে যারা,
হারায় মনের আলো তারা।
হিংসার তীর ছুড়ে দেয়,
নিজের ফাঁদে একদিন পড়ে যায়।

চোখে হিংসা, মুখে প্রীতি,
নষ্ট করে সম্পর্কের নীতি।
ঝগড়া বাধানো যাদের কাজ,
দূরত্ব রাখাই ভালো আজ।

তোমার উন্নতিতে ঘুম হারায়,
হিংসুক স্বজন নিন্দা ছড়ায়।
মিথ্যা কথার শেষ নেই,
তাদের চিনতে বাকি নেই।

রক্তের সম্পর্ক, মনটা পর,
হিংসার আগুনে পুড়ে ঘর।
স্বার্থ আর হিংসা যাদের মনে,
সাবধানে থেকো তাদের সনে।

তোমার সফলতা তাদের জ্বালা,
কথায় কথায় করে ঝামেলা।
মুখে হাসি, মনে বিষ,
দূরে থাকাই শান্তির দিশা।

তোমার কষ্টে যারা হাসে,
আপনজন তারা নয় শেষে।
হিংসুক মানুষ চিনে রাখো,
নিজের জীবন ভালো রাখো।

হিংসার আগুন নেভে না মনে,
অপপ্রচারে কাঁদায় গোপনে।
হিংসুক স্বজন থেকে দূরে থেকো,
নিজের সুখের স্বপ্ন দেখো।

রক্তের সম্পর্ক নিয়ে শায়েরি

রক্তের টান ছিঁড়ে না যায়,
দূরত্বেও ভালোবাসা রয়।
একই নাড়ির বাঁধনে প্রাণ,
রক্তের সম্পর্ক অমূল্য দান।

পৃথিবীর সম্পর্ক বদলায়,
রক্তের টান হৃদয়ে রয়।
দুঃখের দিনে পাশে দাঁড়ায়,
ভালোবাসায় মানুষ বাঁধায়।

একই শিকড়ের ছায়াতলে বাস,
রক্তের টানে পূরণ হয় আশ।
হাতে হাত রেখে কাটুক সময়,
এই বন্ধন অটুট রয়।

কথার আঘাতে ভাঙে মন,
তবু আপন রক্তের বন্ধন।
ঝগড়ার শেষে আবার হাসি,
রক্তের মানুষকে ভালোবাসি।

একই রক্তে বাঁধা মন,
তারাই জীবনের আপনজন।
মায়ার বাঁধন ভাঙা দায়,
রক্তের টান হৃদয়ে রয়।

দূর আকাশে উড়ে যায় মন,
রক্তের টানে ফেরে আপনজন।
ধন-সম্পদ সবই তুচ্ছ,
ভালোবাসাই সবচেয়ে উচ্চ।

বিপদের দিনে বাড়ায় হাত,
পাশে থাকে দিন ও রাত।
কেনাবেচার নয় এই টান,
রক্তের সম্পর্ক অমূল্য দান।

অভিমানের মেঘ সরে যায়,
ভালোবাসার বৃষ্টি ঝরায়।
ভুল বোঝাবুঝি ভুলে যাই,
রক্তের বাঁধন আগলে চাই।

একই বংশের প্রদীপ জ্বলে,
সম্পর্কের মান হৃদয়ে চলে।
ভালোবাসা ছড়াক মনে,
রক্তের টান থাকুক জীবনে।

বাইরের মানুষ পর হয় সহজে,
রক্তের সম্পর্ক থাকে হৃদয়ে।
যত কষ্ট আসুক পথে,
একসাথে চলব ভালোবাসাতে।

হৃদয়ের গভীরে রক্তের সুর,
প্রিয় মুখগুলো নয় যে দূর।
শেষ নিশ্বাস পর্যন্ত মায়া,
স্বজন যেন বটের ছায়া।

টাকা দিয়ে কেনা যায় না টান,
রক্তের সম্পর্কেই লুকায় প্রাণ।
যতদিন থাকবে হৃদয়ে মায়া,
ততদিন থাকবে ভালোবাসার ছায়া।

সংসারের ঝড়ে ভাঙবে না বাঁধন,
রক্তের মানুষ পরম ধন।
হাসি-কান্নায় কাটুক কাল,
ভালোবাসা থাকুক চিরকাল।

নিজের মানুষকে কষ্ট দিও না,
রক্তের টান ভুলে যেয়ো না।
পরের কথায় ভেঙো না মান,
সম্পর্কেই মানুষের সম্মান।

রক্তের টানে মিলে মিশে সুখ,
স্বজনের হাসিতে মুছে দুঃখ।
একসাথে চলার মাঝে বল,
সম্পর্ক রাখে জীবন সফল।

সম্পর্কের ভিড়ে রক্তের টান,
ভালোবাসায় পায় সম্মান।
মায়ার বাঁধন ভাঙে না সহজে,
আপনজন থাকে হৃদয়ের মাঝে।

একই গাছে ফুটে ফুল,
সম্পর্ক ভোলা বড় ভুল।
বিষাদেও থাকব সঙ্গী,
রক্তের টান চিরঋণী।

স্বার্থের ভিড়ে রক্তের আলো,
সবকিছুর ঊর্ধ্বে বাসি ভালো।
একসাথে ভাসুক সুখের তরী,
সম্পর্কের মান রাখি ধরি।

অভিমান ভুলে কাছে আসা,
রক্তের টানে ভালোবাসা।
একে অন্যের পাশে থাকি,
সম্পর্কের মায়া আগলে রাখি।

রক্তের টান কখনো নয় দূর,
হৃদয়ে বাজে মিষ্টি সুর।
ভালোবাসায় আগলে রাখো,
শেষ দিন পর্যন্ত সম্পর্ক বাঁচাও।

শেষ কথা

আত্মীয়তার সম্পর্ক কখনো মায়ার, কখনো অভিমানের, আবার কখনো কঠিন বাস্তবতার। তবে সব সম্পর্কের ভিড়ে সত্যিকারের ভালোবাসা ও বিশ্বাসের মানুষগুলোই জীবনের অমূল্য সম্পদ। তাই স্বার্থের চেয়ে সম্পর্কের মর্যাদা দিন, আর আপন মানুষগুলোকে ভালোবাসায় আগলে রাখুন।

আপনার জীবনে আত্মীয়দের কোন রূপটি বেশি দেখেছেন—নিঃস্বার্থ ভালোবাসা, নাকি স্বার্থপরতা ও হিংসা? আপনার বাস্তব অভিজ্ঞতা কমেন্টে জানাতে পারেন।

Similar Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *