বিড়ি খোরদের নিয়ে ফানি ক্যাপশন, স্ট্যাটাস, জোকস ও কবিতা

বন্ধুদের আড্ডা, চায়ের দোকান আর বিড়ি খোর দোস্তদের বিচিত্র কাণ্ডকারখানা নিয়ে হাসির শেষ নেই। কারও পকেটে টাকা নেই, অথচ ভাবটা নবাবি! আবার কেউ বিড়ি ধার নেওয়ার সময় যতটা আপন, ফেরত দেওয়ার সময় ততটাই অচেনা। এমন মজার সব ঘটনা নিয়ে সাজানো হয়েছে বিড়ি খোরদের নিয়ে ফানি ক্যাপশন, স্ট্যাটাস, জোকস ও কবিতা।

বিড়ি খোর বন্ধুকে নিয়ে ফানি ক্যাপশন

বন্ধুর পকেটে টাকা থাকুক আর না থাকুক, বিড়ির প্যাকেট চাই, চায়ের বিল দিতে বললেই তার পকেটে যেন হাওয়া ছাড়া কিছুই নাই!

বন্ধুর প্রেমিকা রাগ করলে সে হয়ে যায় কবি, বিড়ি না পেলে তার মুখ দেখে মনে হয় পৃথিবী ছেড়ে যাবে এখনই!

দোস্তের জীবনে সমস্যা হাজার, সমাধান একটাই, সব দুঃখ ভুলে বিড়ি ধরায়, তারপর বলে—জীবনে শান্তি নাই!

বন্ধুর কাছে টাকা ধার চাইলে বলে, পকেট একদম ফাঁকা, বিড়ি কেনার সময় দেখবি, পকেটে টাকা জমা রাখা!

দোস্তের ভালোবাসা সত্যি, বন্ধুত্বও দারুণ খাঁটি, কিন্তু বিড়ির শেষ টানটা চাইলে দেখবি, বন্ধুত্বে পড়ে ভাঁটি!

বন্ধু বলে, জীবনটা ভাই একেবারে তেজপাতা, বিড়ি হাতে নিলেই আবার সে হয়ে যায় দার্শনিক দাদা!

দোস্তের পকেটে টাকা নেই, মুখে হাজার বুলি, বিড়ির দোকানে গেলেই তার সব হিসাব যায় খুলে!

বন্ধু আমার এমনই এক বিরল প্রতিভার অধিকারী, নিজের বিড়ি শেষ করেও অন্যের প্যাকেটে নজরদারি!

দোস্তের কাছে প্রেমের গল্প শুনতে বসলে রাত পেরিয়ে যায়, কিন্তু বিড়ি চাইলে বলে, ভাই নিজেরটাও তো নাই!

বন্ধু আমার বড়ই চালাক, কথায় কথায় জেতে, বিড়ি ধার নিয়ে ফেরত দিতে তার ক্যালেন্ডার লাগে না কোনো মতে!

দোস্তের পকেটে খুচরা নেই, তবু ভাবটা নবাবি, বিড়ি কিনতে টাকা চাইলে বলে—বন্ধু, করিস না বেয়াদবি!

বন্ধুর জীবনে প্রেম নেই, তবু দুঃখের শেষ নেই, বিড়ি শেষ হলে তার মতো অভাগা এই দুনিয়ায় আর কেউ নেই!

দোস্ত বলে, ধূমপান নাকি তার জীবনের এক অধ্যায়, বিল দেওয়ার সময় সেই অধ্যায়ের লেখককে আর খুঁজে পাওয়া যায় না হায়!

বন্ধু আমার ধোঁয়ার রাজা, কথায় বিরাট ওস্তাদ, চায়ের বিল সামনে এলেই হঠাৎ হয়ে যায় নির্বাক!

দোস্তের কাছে টাকা চাইলে শোনায় অভাবের গান, বিড়ি কেনার সময় দেখি, বদলে গেছে তার প্রাণ!

বন্ধুর মুখে বড় বড় কথা, জীবন নিয়ে জ্ঞান, নিজের বিড়ি শেষ হলে বলে—দোস্ত, তুই তো আমার জান!

দোস্তের প্রেম ভেঙেছে, তাই নাকি মনটা ভার, বিড়ি ধার চাইতে কিন্তু তার নেই কোনো অস্বীকার!

বন্ধু আমার এমনই এক হিসাবি মানুষ ভাই, নিজে দশটা টান মারে, অন্যকে বলে—আর টানিস নাই!

দোস্তের স্টাইল দেখে মনে হয় সিনেমার হিরো, পকেট খালি, ধার বাকি—তবু ভাবটা জিরো থেকে হিরো!

বন্ধু বলে, টাকা জমিয়ে একদিন হবে বড়লোক, আজকে আবার বিড়ির জন্য আমার পকেটেই তার চোখ!

দোস্তের দুঃখ শুনলে মনে হয় কাঁদবে আকাশ-বাতাস, বিড়ির প্যাকেট হাতে পেলেই মুখে ফিরে আসে উল্লাস!

বন্ধু আমার বড্ড মজার, কথায় কথায় জ্ঞানী, বিড়ি ধার নিয়ে ফেরত দেওয়ার বেলায় ভীষণ অচেনা প্রাণী!

দোস্তের কাছে ধার চাইলে বলে, ভাই আমি গরিব, নিজের বিড়ি শেষ হলে বলে—তোর প্যাকেটটা একটু দিবি?

বন্ধু আমার দার্শনিক, জীবন নিয়ে কত কথা, চায়ের বিলের নাম শুনলেই তার শুরু হয় মাথাব্যথা!

দোস্তের পকেটে টাকা নেই, তবু তার রাজকীয় চাল, ধার করে বিড়ি খাওয়ার বেলায় সে এক নম্বর বাঙাল!

বন্ধু বলে, একদিন আমি দুনিয়া কাঁপিয়ে দেব, আগে নিজের বিড়ির টাকা দে, তারপর স্বপ্ন দেখব!

দোস্তের মুখে প্রেমের কবিতা, চোখে বিরহের জল, বিড়ি শেষ হয়ে গেলে তার সব রোমান্স টলমল!

বন্ধু আমার চায়ের দোকানে রোজই দেয় ভাষণ, বিল দেওয়ার সময় তার মনে পড়ে জরুরি প্রয়োজন!

দোস্তের সঙ্গে বন্ধুত্ব করা সত্যিই বিরাট ভাগ্য, বিড়ি কিনতে পকেট হাতড়ে বলে—ভাই, তুই তো আমার অর্ধেক সম্পদ!

বন্ধু আমার বিড়ি খোর, ভাবটা তার জমিদার, ধার শোধের কথা তুললেই বলে—ভাই, পরে করিস বিচার!

বিড়িখোরদের নিয়ে কিছু কথা

বিড়ি খোরদের পকেটে টাকা থাকুক বা না থাকুক, আত্মবিশ্বাসে ঘাটতি নেই। কারণ তারা জানে, বন্ধুদের দলে অন্তত একজন আছে যার কাছ থেকে ধার পাওয়া যাবে!

কিছু মানুষ চায়ের দোকানে যায় চা খেতে, আর কিছু মানুষ যায় বন্ধুদের পকেট পরীক্ষা করতে। বিড়ি খোর বন্ধুরা সাধারণত দ্বিতীয় দলের সদস্য!

বিড়ি খোর বন্ধুর সবচেয়ে বড় গুণ হলো, নিজের প্যাকেট শেষ হলেও বন্ধুত্বের প্যাকেট কখনো শেষ হতে দেয় না—বিশেষ করে অন্যের প্যাকেট থাকলে!

তাদের কাছে টাকা ধার চাইলে অর্থনীতির দুরবস্থার গল্প শোনা যায়। কিন্তু বিড়ির দোকানের সামনে দাঁড়ালে সেই অর্থনীতি হঠাৎ ঘুরে দাঁড়ায়!

বিড়ি খোরদের মুখে জীবন নিয়ে এত জ্ঞান থাকে যে মনে হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক। শুধু পরীক্ষার হলে নয়, চায়ের বিলের সময়ও তাদের জ্ঞান কাজে লাগে না!

একজন বিড়ি খোর বন্ধু কখনো একা বিড়ি খেতে চায় না। তার মতে, ধোঁয়ারও সামাজিক জীবন থাকা দরকার!

বিড়ি খোরদের কাছে বন্ধুত্বের সংজ্ঞা খুব সহজ—তোমার প্যাকেট আমার প্যাকেট, কিন্তু আমার প্যাকেট শুধু আমার!

কেউ ভবিষ্যতের জন্য টাকা জমায়, কেউ বিপদের জন্য। আর কিছু বন্ধু আছে, যারা টাকা না জমিয়ে বন্ধুর পকেটে জরুরি তহবিল খুঁজে বেড়ায়!

বিড়ি খোর বন্ধুর কাছে প্রেমের কষ্টের গল্প শুনলে মনে হবে বিরহের কবি। কিন্তু ধার শোধের কথা বললেই তার কবিতার ছন্দ হারিয়ে যায়!

তাদের জীবনে দুঃখের কারণ অনেক, কিন্তু সমাধানের জন্য বন্ধুর পকেটই প্রথম ঠিকানা!

বিড়ি খোরদের স্মৃতিশক্তি আশ্চর্য রকমের ভালো। কে কবে ধার দিয়েছে, সেটা ভুলে যায়; কিন্তু কে বিড়ি দিতে অস্বীকার করেছে, সেটা বছর বছর মনে রাখে!

চায়ের দোকানে বসে তারা দেশের অর্থনীতি থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক রাজনীতি—সবকিছু নিয়ে আলোচনা করে। শুধু নিজের পকেটের অর্থনীতি নিয়ে প্রশ্ন করলে আলোচনা বন্ধ!

বিড়ি খোর বন্ধুরা এমনভাবে ধার চায়, যেন টাকা না দিলে বন্ধুত্বের সংবিধান লঙ্ঘন হয়ে যাবে!

তাদের কাছে পাঁচ টাকা হলো ছোট অঙ্ক, যদি সেটা অন্যের কাছ থেকে নিতে হয়। নিজের পকেট থেকে দিতে হলে সেই পাঁচ টাকাই জাতীয় বাজেট!

বিড়ি খোরদের একটা বিশেষ ক্ষমতা আছে—পকেট খালি থাকলেও মুখের ভাব দেখে মনে হবে, আজ পুরো চায়ের দোকানের মালিক তার চেনা!

বন্ধুরা যখন ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা করে, বিড়ি খোর বন্ধু তখন পরিকল্পনা করে কীভাবে আজকের খরচটা অন্যের ঘাড়ে দেওয়া যায়!

তাদের কাছে বিড়ির প্যাকেট শুধু প্যাকেট নয়, বন্ধুত্ব যাচাইয়ের পরীক্ষাও। নিজেরটা শেষ হলে বোঝা যায়, কে আসল বন্ধু!

বিড়ি খোর বন্ধুরা সব সমস্যার সমাধান জানে, শুধু নিজের অভ্যাসের ক্ষতি আর খরচের হিসাবটা বুঝতে চায় না!

কেউ বলে, সময়ই সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ। বিড়ি খোর বন্ধুরা বলে না ঠিকই, কিন্তু চায়ের দোকানে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থেকে কথাটা প্রমাণ করে!

তাদের জীবনে সঞ্চয় কম, উপদেশ বেশি। আর বন্ধুর কাছ থেকে ধার নেওয়ার সময় মুখে থাকে পৃথিবীর সবচেয়ে মিষ্টি হাসি!

বিড়ি খোর বন্ধুদের কাছে টাকা ফেরত চাওয়া মানে পুরোনো ইতিহাস নতুন করে লেখা। তারা এমনভাবে অবাক হয়, যেন ধার নেওয়ার ঘটনাটাই ঘটেনি!

তাদের বন্ধুত্বে হিসাবের খাতা থাকে না, কারণ হিসাব রাখলে অনেক গোপন তথ্য বেরিয়ে আসতে পারে!

বিড়ি খোর বন্ধুদের পকেটে খুচরা না থাকাটা কাকতালীয় নয়; এটা যেন তাদের দলের অলিখিত ঐতিহ্য!

তারা চায়ের দোকানে বসে জীবন বদলে দেওয়ার পরিকল্পনা করে। তারপর বাড়ি ফেরার সময়ও বন্ধুর কাছ থেকে ভাড়া ধার নেয়!

বিড়ি খোর বন্ধুরা এমনভাবে বলে, “শেষবার নিচ্ছি”, যেন তাদের জীবনে শেষবার বলে আলাদা কোনো দিন আছে!

তাদের কাছে বন্ধুর প্যাকেটের খবর নিজের প্যাকেটের চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ নিজেরটা কোথায় আছে, সেটা তো তারা জানেই!

বিড়ি খোরদের মুখে আত্মসম্মানের কথা শুনলে মন ভরে যায়। শুধু ধার ফেরত দেওয়ার সময় সেই আত্মসম্মান কোথায় যায়, তা কেউ জানে না!

বন্ধুদের আড্ডায় বিড়ি খোররা হাসির খোরাক হতে পারে, কিন্তু তাদের ধার দেওয়ার অভিজ্ঞতা যাদের আছে, তারাই আসল কষ্টটা বোঝে!

তাদের জীবনে টাকা আসে, টাকা যায়; কিন্তু বন্ধুর কাছে ধার চাওয়ার সাহস কখনো কমে না!

বিড়ি খোর বন্ধুদের একটা কথা মনে রাখা দরকার—বন্ধুত্ব অমূল্য, কিন্তু বন্ধুর পকেটেরও একটা সীমা আছে!

বিড়ি খোরদের নিয়ে ফানি স্ট্যাটাস

আমার বন্ধু বিড়ি খায় আর জীবন নিয়ে চিন্তা করে, চায়ের বিল দিতে বললে চিন্তায় চিন্তায় বাড়ি চলে!

বন্ধুর পকেট সব সময় খালি, মুখে অভাবের গান, বিড়ির দোকানে গেলেই দেখি, ফিরে আসে আত্মবিশ্বাসের প্রাণ!

বিড়ি খোর বন্ধুর কাছে ধার চাইলে সে হয় দুঃখী, নিজে ধার চাইতে এলে তার হাসিটা হয় সুখী!

দোস্ত বলে, জীবনে শান্তি নেই, চারদিকে শুধু ঝামেলা, বিল দেওয়ার সময় তার মনে পড়ে—বাড়িতে আছে জরুরি মেলা!

বন্ধুর বিড়ি শেষ হলে বন্ধুত্ব হয় গভীর, প্যাকেট ভরে গেলে আবার সে ব্যস্ত, বন্ধু হয়ে যায় অধীর!

বিড়ি খোর বন্ধুরা বড়ই দয়ালু, সবার খোঁজখবর রাখে, বিশেষ করে কার পকেটে টাকা আছে, সেই খবরটা ভালো জানে!

বন্ধু আমার জীবন নিয়ে দেয় বিরাট ভাষণ, নিজের ধার শোধের কথা উঠলেই বদলে যায় তার আসন!

দোস্তের পকেটে টাকা নেই, তবু ভাবটা রাজা, বিড়ি ধার চাইতে গেলে বলে—বন্ধু, তুই তো আমার আপন সাজা!

বন্ধুর মুখে হাজার স্বপ্ন, চোখে ভবিষ্যতের আলো, বিড়ির টাকা ধার না দিলে বন্ধুত্ব নাকি আর ভালো না!

বিড়ি খোর বন্ধুদের যুক্তি শুনে বিজ্ঞানও হার মানে, নিজের টাকা বাঁচানোর বুদ্ধি শুধু অন্যের পকেট জানে!

চায়ের দোকানে বসে দোস্ত দেশের উন্নতি নিয়ে ভাবে, চায়ের বিলটা সামনে এলেই উন্নতি থেমে যায় অভাবে!

বন্ধু বলে, দোস্ত তুই আমার জীবনের সেরা মানুষ, বিড়ি ধার না দিলে সেই মানুষই হয়ে যায় বড্ড নিষ্ঠুর!

বিড়ি খোর বন্ধুরা বন্ধুত্বের পরীক্ষায় পাস, তবে ধার শোধের পরীক্ষায় তাদের ফলাফল সর্বনাশ!

দোস্তের কাছে টাকা চাইলে শুনি পকেট একেবারে ফাঁকা, তারপর দেখি নতুন প্যাকেট নিয়ে বসে আছে একা!

বন্ধু আমার এতই সৎ, মিথ্যা বলে না কখনো, শুধু ধার নেওয়ার ইতিহাস মনে রাখে না কোনোদিনও!

বিড়ি খোর বন্ধুরা নাকি দুঃখ ভুলতে ধোঁয়া ওড়ায়, কিন্তু ধার শোধের কথা উঠলে দুঃখটা আবার ফিরে পায়!

বন্ধুর কাছে বিড়ি চাইলেই সে বলে, নিজেরটা শেষ, পাঁচ মিনিট পর অন্যের প্যাকেট থেকে টান দেয় বেশ!

দোস্তের প্রেম ভেঙেছে, তাই সে আজ বড়ই উদাস, বিড়ি ধার পেয়ে গেলেই আবার মুখে হাসির প্রকাশ!

বিড়ি খোর বন্ধুর পকেটে টাকা থাকলে সে নবাব, টাকা শেষ হলেই বন্ধুরা হয়ে যায় তার হিসাবের খাতা!

বন্ধু বলে, জীবনটা ভাই খুবই কঠিন লড়াই, চায়ের বিল দিতে বললে বলে—আজকে আমার টাকা নাই!

বিড়ি খোর বন্ধুরা ধার নেয় এমন মিষ্টি সুরে, ফেরত চাইলে তাদের দেখা মেলে বহু দূরে!

দোস্তের পকেটে টাকা নেই, কিন্তু জ্ঞান আছে পাহাড়, নিজের খরচ কমানোর বেলায় সে ভীষণ অসহায় আর!

বন্ধুর বিড়ি শেষ হলে তার চোখে নামে রাত, অন্যের প্যাকেট দেখলেই আবার ফুটে ওঠে প্রভাত!

বিড়ি খোর বন্ধুদের কাছে পাঁচ টাকা খুবই সামান্য, নিজের পকেট থেকে দিতে বললে ব্যাপারটা হয়ে যায় ভয়ানক!

দোস্ত বলে, একদিন আমি হব বিরাট ধনী, আজকে বিড়ির টাকা দে, পরে তোকে দেব গুণে গুণে!

বন্ধু আমার বিড়ি খায় আর দেয় জীবনের ব্যাখ্যা, নিজের পকেটের হিসাব করতে গেলেই মাথায় আসে বাধা!

বিড়ি খোর বন্ধুরা সব সময় বন্ধুদের পাশে থাকে, বিশেষ করে কার পকেটে নতুন প্যাকেট আছে, তা দেখে!

দোস্তের কাছে ধার চেয়ে আমি পেলাম বিরাট জ্ঞান, নিজের টাকা বাঁচিয়ে রাখাই নাকি জীবনের প্রধান কাজ!

বন্ধুর পকেটে খুচরা নেই, তবু সে বড় উদার, অন্যের বিড়ি শেষ করতে তার নেই কোনো দরকারি বিচার!

বিড়ি খোর বন্ধুরা বলে, বন্ধুত্বে হিসাব চলে না, কিন্তু নিজের প্যাকেট থেকে কাউকে দিতে মন সায় দেয় না!

বিড়ি খোরদের নিয়ে ফানি জোকস

বন্ধু: দোস্ত, একটা বিড়ি দে তো!

আমি: তোর নিজের প্যাকেট কোথায়?

বন্ধু: শেষ হয়ে গেছে।

আমি: তাহলে তুই আমার বন্ধু না, তুই আমার চলন্ত খরচ!

বন্ধু: ভাই, টাকা ধার দে।

আমি: কী করবি?

বন্ধু: খুব জরুরি কাজ।

আমি: কী কাজ?

বন্ধু: বিড়ি কিনে তোর কাছে আবার ধার চাইব!

বন্ধু: দোস্ত, জীবনটা খুব কষ্টের।

আমি: কী হয়েছে?

বন্ধু: পকেটে টাকা নেই।

আমি: তাহলে বিড়ি খাস কীভাবে?

বন্ধু: বন্ধুদের জন্যই তো বেঁচে আছি!

দোকানদার: টাকা দাও।

বন্ধু: কাল দেব।

দোকানদার: কালও তো এই কথা বলেছিলে!

বন্ধু: তাই তো, দেখেন কত নিয়মিত ক্রেতা আমি!

আমি: তুই প্রতিদিন বিড়ি খাস কেন?

বন্ধু: মন ভালো করার জন্য।

আমি: মন ভালো হয়?

বন্ধু: না, তবে পকেট খারাপ হওয়ার কারণটা বুঝতে পারি!

বন্ধু: দোস্ত, তুই আমার আসল বন্ধু তো?

আমি: অবশ্যই!

বন্ধু: তাহলে একটা বিড়ি দে।

আমি: বন্ধুত্ব প্রমাণ করতে করতে আমার প্যাকেটই শেষ!

আমি: তোর জীবনের লক্ষ্য কী?

বন্ধু: বড়লোক হওয়া।

আমি: কীভাবে?

বন্ধু: আগে তোর কাছ থেকে ধার নেওয়া বন্ধ করব—কিন্তু আজকে একটা বিড়ি দে!

বন্ধু: আজ থেকে আর বিড়ি খাব না!

আমি: বাহ, ভালো সিদ্ধান্ত!

বন্ধু: তাই তো, আজ তোর প্যাকেট থেকে খাব।

আমি: তোর সিদ্ধান্তে আমার সর্বনাশ!

দোকানদার: আর বাকিতে দেব না।

বন্ধু: কেন ভাই?

দোকানদার: তোমার আগের বাকি অনেক।

বন্ধু: তাহলে আগেরটা বাদ দেন, নতুন করে শুরু করি!

আমি: তুই বিড়ি খেতে খেতে এত শুকিয়ে গেছিস কেন?

বন্ধু: চিন্তায়।

আমি: কীসের চিন্তা?

বন্ধু: আজকে কার কাছ থেকে বিড়ি ধার নেব!

বন্ধু: দোস্ত, তোর পকেটে টাকা আছে?

আমি: আছে।

বন্ধু: তাহলে একটা বিড়ি কিনে দে।

আমি: তোর নিজের টাকা নেই?

বন্ধু: আছে, কিন্তু সেটা ভবিষ্যতের জন্য!

আমি: তুই সব সময় চায়ের দোকানে বসে থাকিস কেন?

বন্ধু: মানুষের সঙ্গে মিশতে ভালো লাগে।

আমি: আর বিড়ি?

বন্ধু: ওটা মানুষের সঙ্গে মেশার অজুহাত!

বন্ধু: আজকে আমার মনটা খুব খারাপ।

আমি: কেন?

বন্ধু: প্যাকেট শেষ।

আমি: আর কিছু?

বন্ধু: তুই বুঝবি না, এটা গভীর সংকট!

আমি: তুই ধার নেওয়ার সময় এত হাসিস কেন?

বন্ধু: যাতে তুই না বলতে লজ্জা পাস!

আমি: আর ফেরত দেওয়ার সময়?

বন্ধু: তখন লজ্জাটা আমার হয়, তাই সামনে আসি না!

বন্ধু: ভাই, একটা বিড়ি দে।

আমি: তুই তো বলেছিলি আর খাবি না!

বন্ধু: ঠিকই বলেছি, নিজেরটা খাব না।

আমি: তোর যুক্তি শুনে মাথা ঘোরে!

দোকানদার: তোমার কাছে টাকা নেই?

বন্ধু: না ভাই।

দোকানদার: তাহলে বিড়ি কিনতে এসেছ কেন?

বন্ধু: আশা নিয়ে বাঁচি ভাই, আশা!

আমি: তুই বিড়ি খেয়ে কী শিখেছিস?

বন্ধু: ধৈর্য।

আমি: কীভাবে?

বন্ধু: বন্ধুরা টাকা ফেরত দেওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে করতে!

বন্ধু: দোস্ত, পাঁচ টাকা দে।

আমি: আগের পাঁচ টাকা ফেরত দে।

বন্ধু: আগেরটা অতীত, নতুন পাঁচ টাকা ভবিষ্যৎ!

আমি: তুই তো দেখি অর্থনীতিবিদ!

আমি: তোর পকেটে সব সময় খুচরা থাকে না কেন?

বন্ধু: বড় স্বপ্ন দেখি বলে।

আমি: স্বপ্নের সঙ্গে খুচরার সম্পর্ক কী?

বন্ধু: খুচরা থাকলে তো বিড়ি কিনে ফেলতাম!

বন্ধু: আজকে থেকে সঞ্চয় করব।

আমি: খুব ভালো! কত টাকা জমাবি?

বন্ধু: সেটা পরে দেখব। আগে তোর কাছ থেকে একটা বিড়ি নিই!

আমি: তুই আমাকে এত ভালোবাসিস কেন?

বন্ধু: তুই আমার সবচেয়ে কাছের মানুষ।

আমি: সত্যি?

বন্ধু: হ্যাঁ, তোর পকেটও আমার সবচেয়ে কাছের!

বন্ধু: দোস্ত, বিড়ি খাওয়া ছেড়ে দেব ভাবছি।

আমি: তাহলে ছেড়ে দে।

বন্ধু: আজকে শেষবার।

আমি: গতকালও শেষবার ছিল!

বন্ধু: শেষবারেরও তো একটা পরিবার আছে!

আমি: তুই টাকা ধার নিয়ে ফেরত দিস না কেন?

বন্ধু: ভুলে যাই।

আমি: তাহলে বিড়ি খাওয়ার কথা ভুলে যাস না কেন?

বন্ধু: ওটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়!

বন্ধু: ভাই, আমার জীবনে কোনো শান্তি নেই।

আমি: কী হয়েছে?

বন্ধু: পকেটে টাকা নেই, বিড়ি শেষ।

আমি: আর প্রেম?

বন্ধু: ওইটা থাকলে তো কথাই ছিল না!

দোকানদার: আজ টাকা না দিলে আর বিড়ি পাবেন না।

বন্ধু: ঠিক আছে ভাই।

দোকানদার: তাহলে যাচ্ছেন?

বন্ধু: না, আপনার মন পরিবর্তনের অপেক্ষায় আছি!

আমি: তুই বন্ধুদের কাছে এত ধার চাস কেন?

বন্ধু: বন্ধুত্বের পরীক্ষা নিই।

আমি: ফেরত দিস না কেন?

বন্ধু: পরীক্ষা তো একবার নিলে হয় না, বারবার নিতে হয়!

বন্ধু: দোস্ত, তুই আমাকে ভুলে যাবি না তো?

আমি: না রে।

বন্ধু: তাহলে একটা বিড়ি দে।

আমি: বুঝলাম, স্মৃতি ধরে রাখার খরচও আমাকে দিতে হবে!

আমি: তোর সবচেয়ে বড় শত্রু কে?

বন্ধু: খালি পকেট।

আমি: সবচেয়ে বড় বন্ধু?

বন্ধু: যার পকেটে টাকা আর প্যাকেট—দুটোই আছে!

বন্ধু: দোস্ত, আমার ভাগ্যটাই খারাপ।

আমি: কেন?

বন্ধু: যখনই বিড়ি চাই, তুই বলিস নেই।

আমি: কারণ তুই নিজের প্যাকেট কখনো কিনিস না!

আমি: তুই সারাদিন কী করিস?

বন্ধু: জীবন নিয়ে ভাবি।

আমি: আর কাজ?

বন্ধু: ভাবতে ভাবতেই সময় শেষ, কাজটা কাল থেকে শুরু!

বিড়ি খোরদের জন্য ফানি কবিতা

পকেটের নবাব

পকেটে টাকা নেই একটাও,
ভাবটা তার নবাব।
বিড়ি ধার না দিলে বন্ধু,
শুরু করে হিসাব!

ধারবাজ দোস্ত

দোস্ত বলে, ভাই রে ভাই,
একটা বিড়ি দে।
ফেরত চাইলে এমন পালায়,
খুঁজে পাওয়া দায় যে!

চায়ের দোকানের নেতা

চায়ের দোকানে বসে নেতা,
দেশের চিন্তা করে।
বিলের কথা উঠলে আবার,
পেছন দরজা ধরে!

বিড়ির শেষ টান

নিজের প্যাকেট শেষ হয়েছে,
বন্ধুর দিকে তাকায়।
বন্ধু যদি না করে দেয়,
মুখটা কালো হয়!

দুঃখী বন্ধু

প্রেমে নাকি কষ্ট পেয়েছে,
চোখে নাকি জল।
বিড়ি হাতে পেতেই দেখি,
হাসি টলমল!

টাকার অভাব

টাকা নেই রে পকেটজুড়ে,
কথায় বড় ধনী।
বিড়ির টাকা ধার চাইতে,
সবার আগে তিনি!

বন্ধুত্বের পরীক্ষা

বন্ধুত্ব নাকি অমূল্য ভাই,
হিসাব রাখা পাপ।
ধার ফেরত চাইলে বলে,
বন্ধুত্বে কেন চাপ?

দোকানদারের বাকি

দোকানদারের খাতায় লেখা,
বাকির লম্বা লাইন।
বন্ধু বলে, চিন্তা কোরো না,
একদিন হব ফাইন!

শেষবারের প্রতিজ্ঞা

আজকে থেকে খাব না আর,
শপথ করে ভাই।
পরের দিনেই ধার চাইতে,
তার জুড়ি আর নাই!

বিড়িখোরের জীবন

সকালবেলা ধার খোঁজে,
বিকেলবেলা চা।
রাতের বেলা শপথ করে,
কাল থেকে আর না!

শেষ কথা

বিড়ি খোর দোস্তদের নিয়ে হাসি, আড্ডা আর মজার কথা তো চলতেই থাকবে। তবে হাসির ছলে একটা কথা মনে রাখা ভালো—ধূমপান স্বাস্থ্যের ক্ষতি করে, তাই অভ্যাসটা ছেড়ে দেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।

দোস্তের পকেট নিয়ে হাসি হোক, আড্ডায় জমুক মজার ঢেউ। ধূমপান ছেড়ে সুস্থ থাকুক, বন্ধু থাকুক আপন কেউ!

Similar Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *