ছেলেদের নিয়ে ফানি ক্যাপশন
ছেলেদের নিয়ে মজার মুহূর্ত, বন্ধুত্ব, খাওয়া-দাওয়া, জন্মদিন, ঘুম কিংবা বিয়ের মতো পরিচিত বিষয়গুলো নিয়ে ফানি ক্যাপশন খুঁজছেন? এখানে বিভিন্ন ধরনের হাসির ক্যাপশন একসঙ্গে সাজানো হয়েছে, যা ফেসবুক পোস্ট, ছবি কিংবা বন্ধুদের সঙ্গে মজার কথোপকথনে ব্যবহার করতে পারবেন।
ছেলেদের নিয়ে ফানি ক্যাপশন
ছেলে আমার শান্ত, শুধু জেগে থাকলেই সমস্যা!
ছেলের ক্ষুধা আছে, কিন্তু খাবার দেখলে সেটা দ্বিগুণ হয়।
বললাম, পড়তে বসো। ছেলে বলল, “একটু পরে।” সেই একটু এখনো আসেনি।
ছেলের ঘর গুছিয়ে রাখি, সে আবার নিজের স্টাইলে সাজিয়ে দেয়!
ছেলে বড় হচ্ছে, আবদারও তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে বড় হচ্ছে।
ছেলের “এখনই আসছি” শুনলে আমি বসেই থাকি।
ছেলে চুপচাপ থাকলে বুঝি, কিছু একটা করেছে!
গোসল করতে বললেই ছেলে হঠাৎ খুব ব্যস্ত হয়ে যায়।
ছেলে ঘুমালে শান্তি, উঠলেই আবার সংসার জমজমাট!
পড়ার সময় ঘুম, খেলার সময় ফুল চার্জ!
ছেলে আগে “মা” বলে জড়িয়ে ধরে, তারপর আসল কথাটা বলে, “টাকা দাও।”
ছেলের স্কুলব্যাগে বইয়ের চেয়ে অপ্রয়োজনীয় জিনিস বেশি।
একবার বললে শোনে না, পাঁচবার বললে বলে, “শুনছি তো!”
ছেলের ঘর গুছানোর পর তার প্রথম কাজ, আবার অগোছালো করা।
ছেলে যত বড় হয়, মায়ের কাছে ততই ছোট থাকে। শুধু কোলে তুলতে গেলেই সমস্যা!
ছেলের “এক মিনিট” মানে নিজের মতো করে সময়।
পড়ার সময় পেট ব্যথা, খেলার সময় একদম ফিট!
ছেলে হাঁটে কম, দৌড়ায় বেশি।
ছেলের প্রশ্নের উত্তর দিতে দিতে আমার নিজেরই পরীক্ষা হয়ে যায়।
ছেলে আমার কলিজার টুকরো, তবে টুকরোটা বেশ শব্দ করে!
বন্ধুদের ঘুম নিয়ে ফানি ক্যাপশন
আমার বন্ধু ঘুমালে ডাকলেও শোনে না, ভূমিকম্প হলেও ভাববে স্বপ্ন দেখছে।
অ্যালার্ম বন্ধ হয়, বন্ধু হয় না।
বন্ধু বলল, “পাঁচ মিনিট ঘুমাব।” আমি জানি, আজকে আর দেখা নেই।
বন্ধুকে ঘুম থেকে তোলা মানে নিজের ধৈর্য শেষ করা।
বন্ধুর কাছে ঘুম শখ না, দৈনিক দায়িত্ব।
স্বপ্নে খাওয়া শেষ, উঠে আবার খাবার খোঁজে।
বই খুললেই ঘুম, ফোন খুললেই চোখ একদম টনটনে!
রাতে বলে জাগবে, দশ মিনিট পর নাক ডাকে।
বন্ধু ঘুমালে ফোনও যেন বিরক্ত করতে ভয় পায়।
বন্ধুর আসল প্রেম বালিশের সঙ্গে।
রাতে রাজা, সকালে উঠলে অসহায়!
অ্যালার্ম বন্ধ করার ব্যাপারে বন্ধু অসম্ভব দায়িত্বশীল।
ডাকলাম, উঠল না। আবার ডাকলাম, বলল, “উঠছি!” ঘুমের মধ্যেই।
বন্ধু বলে কম ঘুমায়, কিন্তু ঘড়ি অন্য কথা বলে।
বালিশ ছাড়তে বললেই বন্ধুর মুখ ভার।
ঘুম থেকে উঠে প্রথম প্রশ্ন, “কয়টা বাজে?” তারপর আবার ঘুম।
বন্ধুর ফোনে মিসড কল জমে, ঘুম ভাঙে না।
ভোরের আলো দেখেও বন্ধু বলে, “আর পাঁচ মিনিট।”
ঘুমের মধ্যে হাসে, উঠে পড়ার কথা শুনে মুখ শুকিয়ে যায়।
বন্ধুকে ঘুম থেকে তোলা বন্ধুত্ব না, এটা পরীক্ষা!
পেটুক বন্ধুদের নিয়ে ফানি ক্যাপশন
আমার বন্ধু খাবার দেখে আগে হাসে, পরে কথা বলে।
“একটু খাব” বলে যে বন্ধু, তার প্লেট আগে লুকাতে হয়।
পেটুক বন্ধুর সামনে ডায়েটের কথা বলাই ভুল।
পেট ভরা থাকলেও বন্ধুর মুখে একটাই কথা, “আরেকটু খাবি?”
বন্ধুর কাছে ভালো খাবার মানেই ভালো দিন।
খেতে বসলে বন্ধু এত চুপ থাকে, যেন খাবারের সঙ্গে কথা বলা নিষেধ।
ওর সঙ্গে প্রেম করলে রান্না জানাটা জরুরি!
ডায়েটের নামে সালাদ নিল, পাশে বিরিয়ানিও নিল। নিরাপত্তার জন্য!
খাবার দেখলে বন্ধুর মুখের হাসিটা আলাদা হয়ে যায়।
“শেষবার খাচ্ছি” কথাটা বন্ধু নিজেও বিশ্বাস করে না।
বন্ধুর প্লেট খালি হতে না হতেই প্রশ্ন, “আর কিছু আছে?”
খাবার নষ্ট করা বন্ধুর কাছে অপরাধ, সব শেষ করা দায়িত্ব।
“আজ কম খাব” বলে বন্ধু তিনবার প্লেট নেয়।
বন্ধু খেতে বসলে নিজের প্লেটটা আগে বাঁচাই।
জন্মদিনে কেকের আগে বন্ধু খাবারের খোঁজ নেয়।
খাবারের ছবি তোলার সময় বন্ধু শিল্পী, খাবার আসলে ক্ষুধার্ত মানুষ।
বন্ধুর পেট ভরলেও চোখ ভরে না।
পেটুক বন্ধুকে দাওয়াত মানে রান্না বেশি করা।
“একটু টেস্ট করব” বলে বন্ধু অর্ধেক খেয়ে ফেলে।
ডায়েট বন্ধুর কাছে আছে, শুধু মানার ইচ্ছেটা নেই।
বন্ধুর বাথডে নিয়ে ফানি ক্যাপশন
বন্ধুর জন্মদিন মানেই তার আনন্দ, আমাদের খরচ!
প্রতি বছর বন্ধু ১৮ হয়, শুধু ক্যালেন্ডারটা মানে না।
জন্মদিনে উপহারের চেয়ে বয়স লুকানোর চেষ্টা বেশি।
আজ বন্ধুর দিন, কিন্তু বিলটা কার দিন?
বন্ধু বলল, “আজ আমার দিন।” বললাম, “তাহলে বিলও তোমার!”
জন্মদিনে বন্ধু খাওয়াবে বলে, কিন্তু টাকা দেবে কে সেটা বলে না।
বন্ধুর জন্মদিন এলেই আমার পকেট চিন্তায় পড়ে।
বলে জন্মদিন মনে নেই, অথচ শুভেচ্ছার হিসাব ঠিকই রাখে।
কেকের বড় টুকরোটা বন্ধুর চোখে আগে ধরা পড়ে।
বয়স বাড়ে, বন্ধুর বুদ্ধি একই জায়গায় থাকে।
নতুন জামা পরে ছবি শেষ নেই, বিল দেখলে ছবি বন্ধ।
“গিফট লাগবে না” বলেই সবার গিফট দেখে।
বন্ধুর হাসি দেখে বুঝি জন্মদিন, বিল দেখে বুঝি বিপদ।
সবাই গান গায়, বন্ধু কেকের দিকে তাকিয়ে থাকে।
বয়স বাড়ছে, শয়তানি কমছে না।
জন্মদিনে পুরোনো কাণ্ড বের হলেই আসল পার্টি জমে।
বন্ধু প্রতি বছর বয়স বদলায়, আমরা হিসাব ভুলতে দিই না।
কেকের চেয়ে কেক মুখে মাখানোর ভয় বেশি।
সবাই পার্টি করে, বন্ধু ভাবে বিলটা কে দেবে।
জন্মদিনে বন্ধু রাজা, পরদিন আবার আমাদেরই বন্ধু!
বন্ধুর খাওয়া নিয়ে ফানি ক্যাপশন
বন্ধু খায় এমনভাবে, খাবার শেষ হওয়ার ভয় তার চোখে দেখা যায়।
ওর খাওয়ার গতি দেখে আমি এখন ধীরে খাওয়া শিখেছি।
খাওয়ার সময় বন্ধুকে কথা বলানো মানে খাবার থেকে মন সরানো।
বন্ধুর কাছে “ভালোবাসি”র সহজ অর্থ, “খাবি কিছু?”
“একটু দে” বলে বন্ধু আমার পুরো প্লেট দখল করে।
আমি পানি আনতে যাই, ফিরে এসে দেখি বন্ধুর খাওয়া শেষ।
অনেক খেয়ে বলে, “আরেকটু হলে ভালো হতো।”
বন্ধুর প্লেটে খাবার পড়ে থাকা বিরল ঘটনা।
খাবার আসার আগে ছবি, খাবার আসার পর শুধু খাওয়া।
সকালে ডায়েট, দুপুরে বিরিয়ানি। পরিকল্পনা সফল!
বন্ধুর পেট ভরে, কিন্তু খাওয়ার ইচ্ছা ভরে না।
বন্ধুর খাবারের বাজেট আলাদা করে রাখাই ভালো।
“শেষ কামড়” বলেও বন্ধু আবার কামড় দেয়।
বন্ধু বলে, “এই প্লেটটাই শেষ।” আমি চুপ করে অপেক্ষা করি।
খেতে বসলে বন্ধুর এমন মনোযোগ, যেন পরীক্ষা দিচ্ছে।
“আমি কম খাই” কথাটা শুনলেই হাসি পায়।
প্লেট পরিষ্কার করে উঠতে পারলেই বন্ধুর দিন সফল।
খাওয়ার সময় বন্ধু হাসে না, খাবার নষ্ট হওয়ার ভয়!
বন্ধুর পেটের কোনো আপডেট নেই, শুধু খাবার ঢোকে।
বিল আসার আগে বন্ধু নবাব, বিল আসতেই ফোনে ব্যস্ত!
বন্ধুর বিয়ে নিয়ে ফানি ক্যাপশন
বন্ধুর বিয়ের তারিখ ঠিক হতেই আমার পকেট বলল, “ভাই, আমাকে ছেড়ে দে!”
বিয়ের কথা শুনে বললাম, আগে গিফটের টাকা তুই জমা কর, পরে বিয়ে করিস।
বিয়ের আগে বন্ধু ছিল স্বাধীন, এখন ফোন ধরেও আস্তে কথা বলে!
বন্ধুর বিয়েতে সবাই খুশি, শুধু আমার পকেটটা মন খারাপ করে বসে আছে।
দোস্ত তুই বিয়ে করে ফেললি, আর আমি এখনো “কবে করবি?” প্রশ্নের উত্তর খুঁজি।
বিয়ের পিঁড়িতে বন্ধু হাসে, আর আমি মনে মনে গিফটের দাম গুনি।
বন্ধুর বিয়ে মানে একদিন খাওয়া, তারপর কয়েকদিন পকেট সামলানো।
বিয়ের মঞ্চে বন্ধু সাহেব, খরচের সময় আমাদের দিকে তাকায়!
বন্ধু বউ নিয়ে ঘরে ঢুকল, আমি নিজের খালি পকেট নিয়ে ঘরে ফিরলাম।
আগে বলত, “তোকে ছাড়া চলব না।” এখন বলে, “বউ ডাকছে, পরে কথা বলি।”
গায়ে হলুদে ছবি তুলতে তুলতে মনে হলো, বিয়ে তার নাকি আমাদের!
বিয়ের দিন বন্ধু কাঁদছিল, বুঝলাম এতদিনের স্বাধীনতার বিদায়টা সহজ না।
আগে সব কথায় বন্ধু হ্যাঁ বলত, এখন আগে বলে, “বউকে জিজ্ঞেস করি।”
স্যুট পরে বন্ধুকে দেখতে রাজা লাগছিল, হাঁটতে গিয়ে বুঝলাম রাজা নতুন জুতো পরেছে।
বিয়ের পর বন্ধুর রিপ্লাই আসে না, মনে হয় মেসেজও এখন অনুমতি নিয়ে যায়।
তোকে দেখে একটা শিক্ষা পেলাম, বিয়ে করার আগে আরও কিছুদিন চিন্তা করা দরকার।
বিয়ে বন্ধুর, কিন্তু সাজগোজ আর দৌড়াদৌড়িতে ক্লান্ত আমরা।
বন্ধু ভাবছে নতুন জীবন শুরু, আমরা ভাবছি পুরোনো আড্ডার শেষ!
আড্ডা ছেড়ে বন্ধু এখন কাজ শেষে সোজা বাসায় যায়। লোকটা সত্যিই বদলে গেছে!
বিয়ের আগে বন্ধু বলত, “জীবনটা নিজের মতো কাটাব।” এখন নিজের মতো বলতে কিছুই নেই!
বন্ধুর বাসর রাত নিয়ে ফানি ক্যাপশন
বাসর রাতের পর বন্ধুর ফোন সাইলেন্ট, আমাদের বন্ধুত্বও সাইলেন্ট।
সকাল হয়ে দুপুর, সাহেবের ঘুম এখনো শেষ হয়নি।
রাতে ফোন দিলাম, কেটে দিল। বুঝলাম বন্ধুর জীবনে নতুন অগ্রাধিকার এসেছে।
বন্ধু বাসর রাতে ব্যস্ত, আর আমি বসে বসে গেম খেলি।
সকালে দেখি বন্ধুর চোখ লাল। রাতটা যে শান্তিতে কাটেনি, বুঝতে বাকি রইল না।
বলেছিল রাতে ঘুমাবে না, সকাল এগারোটায়ও তাকে পাওয়া গেল না।
বাসর রাত শেষ, বন্ধুর চেহারায় নতুন দায়িত্বের ছাপ!
এতদিন রাতভর আড্ডা দিত, এখন রাতভর কার সঙ্গে কথা বলে কে জানে!
সকালে উঠে বন্ধু বলল, “ভাই, আগে খাবার দে।” রাতের গল্প আর করল না।
বাসর রাতের পর বন্ধু এমন চুপ, মনে হলো নতুন নিয়মকানুন শিখে এসেছে।
কাল পর্যন্ত ফোন ধরত, এখন ফোন ধরার আগে মনে হয় অনুমতি লাগে।
রাতে ফোন বন্ধ, সকালে এসে বলে, “তুই এখনো সিঙ্গেল?”
বিয়ের পর প্রথম দেখা, বন্ধু শুধু দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলল, “ভাই, জীবন বদলে গেছে।”
আমি রাতে জেগে ছিলাম, বন্ধু কেন জেগে ছিল সেটা জিজ্ঞেস করার সাহস হয়নি।
ঘরের দরজা বন্ধ দেখেই বুঝলাম, আজ বন্ধুর সঙ্গে আড্ডা হবে না।
বাসর রাতের কথা জিজ্ঞেস করতেই বন্ধু শুধু হাসে। এই হাসির মানে আজও বুঝিনি।
রাতে যত মেসেজ দিলাম, একটারও উত্তর নেই। সকালে এসে বলে, “ফোন দেখিনি!”
যে বন্ধু সকালে নয়টায়ও উঠত না, সে এখন নাকি সারারাত জেগে থাকে!
বন্ধুর বাসর রাত, আর আমার রাত কাটল ছাদে হাঁটতে হাঁটতে।
বিয়ের পর বন্ধু বদলায়নি, শুধু আমাদের জন্য তার সময়টা কমে গেছে!
ছেলেদের নিয়ে ফানি কমেন্ট
ছেলেরা ভুল করে না, ভুল করে তারপর বলে, “আমি তো ওইটা বুঝাইনি!”
সব পারে, কিন্তু আম্মা একবার ডাকলেই গলার আওয়াজ বদলে যায়।
ছেলেদের সবচেয়ে কঠিন কাজ, মায়ের কথা শুনে প্রথমবারেই কাজ করা।
প্রেমে পড়তে পাঁচ মিনিট, ভুলতে গেলে বন্ধুর পাঁচ বছর লাগে।
রান্না জানে বলে রান্নাঘরে ঢোকে, শেষে ম্যাগি বানিয়ে নিজেই শেফ!
শপিং করতে গিয়ে বলে, “দুই মিনিট লাগবে।” দোকানদারও হাসে।
নিজের ঘর পরিষ্কার না, কিন্তু মোবাইলের গ্যালারি একদম সাজানো!
গম্ভীর ভাব নিয়ে বসে থাকে, বন্ধু একটা কথা বললেই হাসতে হাসতে শেষ।
“একটু খাব” বলে প্লেট ভরে, তারপর বলে ক্ষুধা বেশি ছিল।
রাস্তার নাম জানে না, কিন্তু বন্ধুর বাসায় চোখ বন্ধ করে পৌঁছে যায়।
হেডফোন কানে দিয়ে বলে, “হ্যাঁ, শুনছি।” আসলে গানও শুনছে, কথাও না!
রাত তিনটায় বলে, “আরেকটা গেম খেলি।” সকাল হলে ঘুমের জন্য আফসোস।
প্রেমিকাকে বলে “তুমি খুব সুন্দর”, বন্ধুকে বলে “ভাই, টাকা আছে?”
ছেলেরা কাঁদে না, শুধু মুভির সময় চোখে কিছু একটা ঢুকে যায়!
পড়তে বসলে চোখ ভারী, গেম খেললে চোখে ঘুমের নাম নেই।
বলে খুব ব্যস্ত, অথচ অনলাইন গেমে কখন ঢুকল তার হিসাব নেই।
পেটের খবর গোপন থাকে না, খাবার দেখলেই সব বের হয়ে যায়।
“বদলে গেছি” কথাটা শুনলেই বুঝি, আগের মতোই আছে।
অ্যালার্ম বাজে, ছেলে বলে “আর পাঁচ মিনিট।” পাঁচ মিনিট পরে দুপুর!
দুনিয়ার সবার সঙ্গে তর্ক করতে পারে, মায়ের সামনে গিয়ে সব যুক্তি শেষ।
সিঙ্গেল ছেলেদের ফানি ক্যাপশন
মনে অনেক কথা, মুখে শুধু “কিছু না”।
ভালোবাসার দিনে অন্যদের ছবি দেখে নিজের ভাগ্যকে গালি দেয়।
বলে সিঙ্গেল থাকাই ভালো, ক্রাশ সামনে এলেই চুপ হয়ে যায়।
পকেটে টাকা জমে, কারণ খাওয়ানোর মতো কেউ নেই!
বলে বিয়ে করবে না, রাতে আবার ক্রাশের প্রোফাইল দেখে।
প্রেমের অভিজ্ঞতা নেই, কিন্তু পরামর্শ দিতে ওস্তাদ।
বাইরে খুব শক্ত, রাতে হেডফোনে বিরহের গান।
ইনবক্সে প্রেম নেই, শুধু বন্ধুদের “কই?” আর মায়ের “বাড়ি আয়।”
মুখে স্বাধীন, কাপল দেখলে চোখে আলাদা কষ্ট।
প্রেম নেই, তবে অন্যের প্রেমের পোস্টে রিয়্যাক্ট দিতে ভুল নেই।
সিঙ্গেল লাইফ সেরা বলে, কাপল দেখলেই মুখটা ছোট হয়ে যায়।
রাতে সবাই প্রেম করে, আর সে ফ্যানের দিকে তাকিয়ে ভবিষ্যৎ ভাবে।
ক্রাশের ছবিতে লাভ রিয়্যাক্ট দিয়ে আবার বলে, “আমি প্রেম করি না।”
জীবনের সবচেয়ে বিশ্বস্ত সঙ্গী এক বাটি গরম ম্যাগি।
বলে প্রেম করবে না, তারপর নিজেই কেন জানি মন খারাপ করে।
দূর থেকে তাকানো, মুচকি হাসা, তারপর বাসায় ফিরে আফসোস।
সবাই ভাবে খুব ব্যস্ত, আসলে ফোন হাতে নিয়ে বসে আছে।
বাস্তবে প্রেম নেই, স্বপ্নে অবশ্য নিয়মিত প্রেম চলছে।
কেউ প্রেমের প্রস্তাব দিলে আগে “না” বলে, তারপর পাঁচ মিনিট পর “আচ্ছা, বলো!”
প্রেমের বিষয়ে জ্ঞান অনেক, নিজের জীবনে প্রয়োগ শূন্য।
ছেলেদের নিয়ে ফানি জোকস
ছেলে: মা, বড় হয়ে ডাক্তার হব।
মা: আগে বইটা খুলে বস। রোগী দেখার আগে তোর পড়াশোনার চিকিৎসা দরকার!
ছেলে: ডাক্তার সাহেব, পড়তে বসলেই মাথা ঘোরে।
ডাক্তার: বইটা খুললেই হয়, নাকি শুধু নাম শুনলেই?
ছেলে: বাবা, আমি কোনোদিন বিয়ে করব না।
বাবা: এই কথাটা আমিও তোর বয়সে বলেছিলাম। তারপর তুই এলি!
মা: সারাদিন কী পড়লি?
ছেলে: বই খুলে বসেছিলাম।
মা: তারপর?
ছেলে: তারপর বইটা আমাকে ঘুম পাড়িয়ে দিল।
ছেলে: আমি ডায়েটে আছি।
বন্ধু: তাহলে তিন প্লেট বিরিয়ানি?
ছেলে: আজকে ডায়েটের ছুটির দিন!
ছেলে: আজ সারারাত পড়ব।
মা: তাহলে সকালে উঠবি কখন?
ছেলে: সেটা জানি না, ঘুমের সঙ্গে আলোচনা করিনি।
ছেলে: জীবনে কোনো মেয়েকে মন দেব না।
বন্ধু: তাহলে ওই মেয়ের নাম্বারটা কেন চাইছিস?
ছেলে: গবেষণার জন্য!
মা: ঘর পরিষ্কার করেছিস?
ছেলে: করেছি।
মা: দরজা বন্ধ কেন?
ছেলে: খুললেই আবার সব এলোমেলো হয়ে যাবে!
ছেলে: আমি খুব গম্ভীর মানুষ।
বন্ধু একটা জোক বলতেই ছেলে: হা হা হা হা!
ছেলে: টাকা জমাচ্ছি।
বন্ধু: কত জমেছে?
ছেলে: ছিল কিছু, এখন আর নেই। তুই তো জানিস!
মা: কাল থেকে সকালে উঠবি তো?
ছেলে: অবশ্যই।
মা: কয়টায়?
ছেলে: দুপুরের মধ্যে উঠলেই হবে।
মা: পড়তে বসেছিস?
ছেলে: হ্যাঁ।
মা: তাহলে রান্নাঘরে কী করছিস?
ছেলে: পড়ার আগে একটু শক্তি দরকার!
ছেলে: ওকে একটা সিরিয়াস কথা বলব।
মেয়েটা সামনে আসতেই: তুমি… মানে… ওই… থাক!
বন্ধু: জিমে যাচ্ছিস না?
ছেলে: গিয়েছিলাম।
বন্ধু: কবে?
ছেলে: একদিন। সেই দিন থেকেই শরীর বিশ্রামে আছে!
ছেলে: আজ নিজের হাতে রান্না করব।
মা: কী রান্না করবি?
ছেলে: নুডুলস।
মা: সেটাও আমি বানিয়ে দিই?
ছেলে: সিঙ্গেল থাকাই শান্তি।
ভ্যালেন্টাইন ডে: কারও সঙ্গে কথা বলার মানুষও তো নেই!
ছেলে: বড় হয়ে কোটিপতি হব।
মা: আগে বাজার থেকে দশ টাকার ধনেপাতা নিয়ে আয়।
ছেলে: আমি মোবাইল খুব কম চালাই।
বন্ধু: দিনে কত ঘণ্টা?
ছেলে: সেটা স্ক্রিন টাইমে গিয়ে দেখিনি!
ছেলে: কাল ভোর পাঁচটায় উঠব।
সকাল ১১টা: অ্যালার্মটা এত জোরে বাজল কেন, মানুষ ঘুমাতেও দেবে না?
বন্ধু: দোস্ত, তোর জন্য জীবন দিতে পারি।
বিল আসতেই: ভাই, তুই আগে দে, আমি পরে দিচ্ছি!
