মেয়েদের নিয়ে ফানি ক্যাপশন (যে বান্দবি হৃদয়ের আপন জন )
মেয়েদের নিয়ে ফানি ক্যাপশন মানেই শুধু হাসি-ঠাট্টা নয়, এর সঙ্গে মিশে থাকে দৈনন্দিন জীবনের ছোট ছোট মজার ঘটনা, বন্ধুত্বের খুনসুটি, প্রেমের মিষ্টি ঝামেলা আর পরিচিত কিছু অভ্যাস। এসব মুহূর্তকে একটু মজার করে তুলে ধরলেই তৈরি হয় সুন্দর ফানি ক্যাপশন। এই লেখায় মেয়েদের নিয়ে ফানি ক্যাপশনের পাশাপাশি ছেলেদের নিয়ে ফানি ক্যাপশন, বান্ধবীদের আড্ডা, প্রেম, চুড়ি, খাবার ও প্রিয় বিড়ালকে ঘিরেও রয়েছে নানা মজার ক্যাপশন। ফেসবুক পোস্ট, ছবি কিংবা বন্ধুদের সঙ্গে মজার মুহূর্ত শেয়ার করার জন্য এগুলো ব্যবহার করতে পারেন।
মেয়েদের নিয়ে ফানি ক্যাপশন
মেয়েরা পারফিউমের দাম জিজ্ঞেস করে এমনভাবে, যেন দাম শুনলেই কিনে ফেলবে।
মেয়েদের কাছে পাঁচ মিনিট মানে আসলে কত মিনিট, সেটা তারাই জানে।
“কাজ প্রায় শেষ”—এই কথাটা শুনলে বুঝবেন, কাজ এখনো বাকি।
মেয়েদের ব্যাগে কিছু খুঁজতে গেলে ধৈর্য সঙ্গে রাখবেন।
যেটা খুঁজছেন, সেটা সবার শেষে পাওয়া যাবে।
কোনো মেয়ে রাগ করলে কারণ জিজ্ঞেস করবেন না।
তাতে নতুন কারণ যোগ হতে পারে।
মেয়েদের কাছে আয়না শুধু আয়না না।
এটা এক ধরনের প্রিয় বন্ধু।
মেয়েদের সাথে তর্কে জেতার চেষ্টা করে আজ পর্যন্ত কতজন যে হেরেছে!
“কিছু হয়নি” কথাটা শুনেই শান্ত হয়ে যাবেন না।
বিপদ হয়তো কাছেই আছে।
গ্যালারিতে হাজার ছবি থাকলেও কথা একটাই, “কোনোটাই ভালো হয়নি।”
কেনাকাটা করলে মেয়েদের মন ভালো হয়।
বিল দেখলে আবার মন খারাপ।
ঘুম থেকে ওঠা সহজ।
বিছানা ছাড়া কঠিন।
মেয়েরা পুরোনো কথা ভুলে যায় না।
সুযোগ পেলে ঠিক মনে করিয়ে দেয়।
মেয়েদের মনের খবর নিতে গেলে আগে নিজের সাহসটা দেখে নিন।
“আমি রেডি”—এই কথার পরও একটু সময় হাতে রাখবেন।
মেয়ের মিষ্টি হাসি দেখে বেশি খুশি হবেন না।
আপনার কোনো কাণ্ড ধরা পড়েও থাকতে পারে।
একটা গল্প মেয়েরা অনেকবার বলতে পারে।
মজার ব্যাপার হলো, প্রতিবারই নতুন মনে হয়।
“আচ্ছা ঠিক আছে” শুনে খুশি হওয়ার কিছু নেই।
এর পরের পর্বটা বেশ জমতে পারে।
একটা ছবি তুলতে গিয়ে অনেকগুলো ছবি ওঠে।
শেষে পছন্দ হয় প্রথমটাই।
“আজ রান্না কে করবে?”
এই প্রশ্নেই অনেক সময় রান্নার আগেই ঝামেলা শুরু হয়।
মেয়েদের কাছে গোপন কথা বলার আগে ভালো করে ভাবুন।
খবরটা আপনার আগেই অন্যরা জেনে যেতে পারে।
মেয়েদের মেজাজ আর বাংলাদেশের আবহাওয়া, দুটোই কখন বদলাবে বলা কঠিন।
মেয়ে পটানোর ফানি ক্যাপশন
চাঁদ দেখতে ইচ্ছে করছিল।
পরে ভাবলাম, তোমাকেই দেখি।
তোমার হাসিটা দেখলেই মনটা ভালো হয়ে যায়।
বিনামূল্যের চিকিৎসা বলতে পারো।
তোমার সাথে কথা না বললে দিনটা কেমন জানি ফাঁকা লাগে।
তোমাকে দেখলে বুক ধড়ফড় করে না।
মনে হয় ভেতরে অনুষ্ঠান চলছে।
চা যেমন মাথা ঠান্ডা করে,
তোমার হাসিও তেমন কাজ করে।
তোমার বুদ্ধির সাথে পাল্লা দেওয়া কঠিন।
তাই চুপ থাকাই নিরাপদ।
দিনে রোদের জন্য চোখে পানি আসে,
রাতে তোমার কথা ভেবে ঘুম আসে না।
তোমাকে পটানোর জন্য বড় ডায়লগ নেই।
চলো চা খাই, বিলটা আমি দেব।
তোমার মেসেজ না এলে বারবার ফোন দেখি।
নিজেকেই তখন সন্দেহ হয়।
তোমার সাথে কথা শুরু করলে সময়ের হিসাব থাকে না।
তোমাকে নিয়ে ভাবতে ভাবতে মাথা গরম হয়ে যায়।
তারপরও ভাবি।
তোমাকে দেখার পর বুঝলাম,
মেজাজ খারাপও সুন্দরভাবে ভালো হতে পারে।
মেঘলা দিনে রোদ যেমন ভালো লাগে,
তোমার হাসিটাও তেমন।
তুমি পাশে থাকলে চারপাশের ঝামেলাগুলো একটু কম মনে হয়।
তোমাকে বোঝা সহজ না।
তবে চেষ্টা করতে আপত্তি নেই।
তোমাকে নিয়ে কবিতা লিখতে বসেছিলাম।
দুই লাইন পরেই মাথা খালি।
তোমার সাথে সময় কাটালে মনে হয় ঘড়িটা আমার বিরুদ্ধে।
তোমার মুখটা দেখলেই রাগটা কোথায় যেন পালিয়ে যায়।
তুমি আসো আর আমার শান্ত মাথাটা অশান্ত করে চলে যাও।
ভালো লাগার কথাটা বলেই দিতাম।
ভয় শুধু, এরপর ব্লক না খাই!
বান্ধবীদের নিয়ে ফানি ক্যাপশন
বান্ধবী এমন এক মানুষ,
যে আপনার সব কাণ্ড জানে।
বান্ধবীদের সাথে বের হলে টাকা কমে।
হাসি বাড়ে।
বান্ধবী ছাড়া আড্ডা জমে না।
কথার মাঝখানে কেউ “চুপ কর” বলবে কে?
সবাই মিলে ছবি তোলে অনেক।
শেষে পোস্ট হয় একটা।
নিজের বিপদে বান্ধবী আগে হাসবে।
তারপর ঠিকই পাশে দাঁড়াবে।
বান্ধবীদের আড্ডায় চা কম,
গল্প বেশি।
বান্ধবী পাশে থাকলে চার্জার না থাকলেও চলে।
তবে ফোনের চার্জটা শেষ হওয়া চলবে না।
কয়েকজন বান্ধবী একসাথে বসলেই দুনিয়ার অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যায়।
শুধু বিলটা কে দেবে,
এই সমস্যার সমাধান হয় না।
আপনার পুরোনো ভুলগুলো বান্ধবী ভুলে না।
সময়মতো মনে করিয়ে দেয়।
বান্ধবীদের সাথে ঘুরতে গেলে গন্তব্য লাগে না।
রাস্তাটাই যথেষ্ট।
আপনার পছন্দের মানুষকে নিয়ে বান্ধবীর আগ্রহটা একটু বেশিই থাকে।
বান্ধবীদের সামনে গোপন কথা বলা মানে,
নিজেই খবর ছড়িয়ে দেওয়া।
বিপদে বান্ধবী আগে হাসবে।
তারপর বলবে, “আচ্ছা চল দেখি কী করা যায়।”
অন্যের প্লেটের খাবার সব সময় নিজেরটার চেয়ে ভালো লাগে।
বান্ধবী সত্যি কথা মুখের ওপর বলে।
তারপর এমন হাসে যে রাগও করা যায় না।
রাতে আড্ডা দিতে মজা।
পরদিন ঘুম ভাঙলে আফসোস।
আপনার প্রাক্তনকে বান্ধবী আপনার থেকেও বেশি অপছন্দ করতে পারে।
ট্যুরে দুইটা বেড থাকলেও সবাই এক বিছানায় গাদাগাদি করবে।
বান্ধবী থাকলে একটু পাগলামি করতেই হয়।
নইলে বন্ধুত্বের মান থাকে কোথায়?
বান্ধবী ছাড়া আড্ডা অনেকটা মসলা ছাড়া তরকারির মতো।
বান্ধবীকে নিয়ে ফানি ক্যাপশন
আমার বান্ধবী আমার সব কাণ্ড জানে।
তারপরও এখনো বন্ধুত্ব করছে।
আমার ক্রাশের নাম আমি ভুলে গেলেও,
ও ভুলবে না।
ওকে ছাড়া আমার দিনটা বেশ পানসে লাগে।
আমি কাঁদলে ও আগে হাসে।
তারপর আবার আমাকেই শান্ত করে।
ওর মুখের সত্যি কথাগুলো মাঝে মাঝে থাপ্পড়ের মতো লাগে।
আমার সব গোপন কথা ও জানে।
মনে হয় সুযোগের অপেক্ষায় আছে।
আমার এক্সের নাম শুনলে ওর রাগটাই বেশি হয়।
ওর সামনে যত পাগলামিই করি,
কখনো জাজ করে না।
আমার সব ঝামেলার খবর ও জানে।
সমাধান অবশ্য ওর কাছেও নেই।
ওর সাথে খেতে বসলে নিজের খাবারও নিজের থাকে না।
ও যে ছবি তোলে,
তার অর্ধেকেই আমি ভালোভাবে থাকি না।
রাতে দুজন মিলে আজব গল্প করি।
সকালে উঠে কিছুই মনে থাকে না।
আমার সব বাজে কথা ও মন দিয়ে শোনে।
পরে আবার বলে, কিছুই মনে নেই।
শপিংয়ে যাওয়ার সময় দুজন।
বিলের সময় মনে হয় আমি একাই ছিলাম।
ওর সাথে ঘুরতে গেলে ম্যাপের দরকার হয় না।
ভুল রাস্তারও আলাদা মজা আছে।
গসিপের সময় ওর চেয়ে ভালো সঙ্গী পাওয়া কঠিন।
কিছু না বলেও দুজন দুজনকে বুঝে যাই।
তারপর হুট করে হাসি।
আমাকে কতটা সহ্য করে,
সেটা ও মুখে কখনো বলবে না।
আমার সাথে পাগলামি করতে ও এক নম্বর।
নিজের ব্যাপারে আবার বেশ শান্ত।
সারাদিন ঘোরার পরও ও বলবে,
“চল, আরেকটু ঘুরি।”
বান্ধবীর বার্থডে ফানি ক্যাপশন বাংলা
শুভ জন্মদিন বান্ধবী।
বয়স বাড়ছে, সাবধানে চলিস।
আজ তোকে আন্টি বলব না।
জন্মদিন বলে ছাড় দিলাম।
আজ তুই রাজকুমারী।
কাল থেকে আবার আগের বান্ধবী।
শুভ জন্মদিন।
বয়স বাড়ল, বুদ্ধি কবে বাড়বে?
আজকের দিনটা সুন্দর কাটুক।
আর তোর বকবক একটু কমুক।
এক বছর বড় হলি।
চিন্তা করিস না, আমি এখনো তোকে সহ্য করছি।
তোর বয়স এখন গোপন রাখাই ভালো।
জানলে মানুষ অবাক হবে।
বড় উপহার দিতে পারলাম না।
চকলেট খা, আমাকে মনে করিস।
তুই জন্মেছিলি বলেই আমার আড্ডা এত জমে।
আর গ্যালারিও ভরে গেছে।
আজ তোকে অনেক ভালো নামে ডাকব।
কাল থেকে আবার আগের নামেই ডাকব।
শুভ জন্মদিন।
বয়স বাড়লেও আমার কাছে তুই সেই পাগলিই থাকবি।
কেক কাটার সময় ডায়েটের কথা বলিস।
কেক কাটার পর সব ভুলে যাস।
তুই আমার অনেক গোপন কথা জানিস।
জন্মদিনে সেগুলো ভুলে যা।
এক বছর বড় হলি।
তবে বুদ্ধির খবর এখনো পেলাম না।
শুভ জন্মদিন পাগলি।
বয়স বাড়ুক, পাগলামি যেন না কমে।
আজ তোর সব অপরাধ মাফ।
কাল থেকে আবার হিসাব শুরু।
তুই না থাকলে আমার ফালতু গল্পগুলো শুনবে কে?
আজ কেক কাটিস।
আর আমার বলা গোপন কথাগুলো ভুলে যাস।
বয়স বাড়ছে ঠিকই।
পাগলামিটা এখনো আগের মতোই আছে।
শুভ জন্মদিন বান্ধবী।
আজ শান্তিতে থাক।
কাল থেকে আবার ঝগড়া শুরু হবে।
চুড়ি নিয়ে ফানি ক্যাপশন
চুড়ি পরলে হাত সুন্দর, আর ভাঙলে বাবার মুখে হাসি!
চুড়ির দোকানে ঢুকি শখ নিয়ে, বের হই পকেট খালি করে।
চুড়ির ঝনঝন শব্দ শুনে মনে হয়, ঘরে বউ না DJ এসেছে!
চুড়ি ভাঙার শব্দে আমার মন ভাঙে, বাবার মন ভালো হয়।
চুড়ি কিনতে গিয়ে রাজকুমারী, বিল দেওয়ার সময় গরিবের আত্মীয়।
আমার চুড়ি আর ধৈর্য, দুটোই বেশিদিন টেকে না।
রাগ করলে কথা বলি না, শুধু চুড়ি ঝনঝন করে বুঝিয়ে দিই।
চুড়ি পরেছি শখে, ভাঙলে আবার কিনব কষ্ট করে।
প্রেমিক চুড়ি দিয়েছে, দাম জিজ্ঞেস করতেই মুখটা শুকিয়ে গেল!
চুড়ির রং বদলায়, আমার মেজাজও তার সাথে পাল্লা দেয়।
চুড়ি পরে গরম চা খাওয়া মানেই নিজের বিপদ নিজে ডাকা।
একটা চুড়ি ভাঙলেই মনে হয়, পুরো সংসারের বাজেট নড়বড়ে!
বান্ধবী বলল চুড়িতে হাত চিকন লাগে, আমার হাত দেখে চুড়িই ভয় পেল।
চুড়ির শব্দে পাশের বাসার মানুষও বুঝে যায় আমি জেগে আছি।
চুড়ি ভাঙলে কান্না না, আগে হিসাব করি কত টাকা গেল।
চুড়ির দোকানে ঢুকলে সময় যায়, টাকা যায়, চুড়ি থেকে যায়।
চুড়ি কিনে খুশি আমি, বিল দেখে খুশি দোকানদার।
চুড়ি পরা হাত সুন্দর, কিন্তু রান্নার সময় বেশ ঝামেলার।
চুড়ি আর মেয়েদের মেজাজ, দুটোই হুট করে ভেঙে যেতে পারে।
নতুন চুড়ি পরেছি, এখন শুধু ভাঙার অপেক্ষা!
প্রেম নিয়ে ফানি ক্যাপশন
প্রেমে পড়লে চোখ বন্ধ হয়, বিল এলে চোখ খুলে যায়।
প্রেম ফ্রি, কিন্তু প্রেমিকার আবদার মোটেও ফ্রি না।
প্রেম করতে ইচ্ছা করে, পকেট বলে আগে আয় কর।
প্রেমিক বলল, “তুমি আমার জীবন।” বললাম, “তাহলে রিচার্জটা তুমি করো।”
প্রেমে সবাই কবি, বিয়ের পর সবাই হিসাবরক্ষক।
প্রেমের শুরু মিষ্টি, মাঝখানে ঝগড়া, শেষে খাবার দিয়ে সন্ধি।
প্রেমিক বলল তারা এনে দেবে, বললাম আগে বিরিয়ানি আনো।
প্রেমে পড়া সহজ, রাগ করা প্রেমিকাকে সামলানো কঠিন।
প্রেম নাকি অন্ধ, কিন্তু প্রেমিকার মা সবই দেখে!
প্রেমের সবচেয়ে বড় প্রমাণ হলো, ঝগড়ার পরও একসাথে খাওয়া।
প্রেমিক বলল, “তোমাকে ছাড়া বাঁচব না।” বললাম, “আগে বিলটা দাও।”
প্রেম করতে গিয়ে বুঝলাম, আমার পকেটেরও অনুভূতি আছে।
আমার প্রেম আর ডায়েট, দুটোই সোমবার থেকে শুরু হয়।
প্রেমে মন লাগে, আর প্রেম টিকাতে টাকা লাগে।
প্রেমিকার রাগ পাঁচ মিনিটের, কিন্তু তার গল্প দুই ঘণ্টার।
প্রেম করতে গিয়ে কবি হয়েছিলাম, এখন শুধু বিল গুনি।
প্রেমের বাজারে ঢুকেছি, বের হওয়ার রাস্তা এখনো পাইনি।
প্রেমিকের ভালোবাসা বুঝি, কিন্তু তার বিকাশ ব্যালেন্স আরও ভালো বুঝি।
প্রেমে শান্তি খুঁজেছিলাম, পেলাম শুধু “কোথায় ছিলে?” প্রশ্নটা।
প্রেম সুন্দর, যদি মাসের শেষে পকেটটা বেঁচে থাকে।
মেয়ে বিড়াল নিয়ে ফানি ক্যাপশন
আমার মেয়ে বিড়ালটাই ঘরের আসল মালিক, আমি শুধু ভাড়াটে।
ও ঘুমালে শান্তি, উঠলেই পুরো বাসা সরগরম।
খাবার দেখলে আমার বিড়ালের দৌড় দেখে আমি নিজেই লজ্জা পাই।
ওর জন্য দামি বিছানা কিনেছি, ঘুমায় আমার জামার ওপর।
বিড়ালকে কোলে নিলাম, সে থাবা দিয়ে বলল, “কে ডাকছে?”
আমার বিড়ালের মেজাজের কাছে আমার মেজাজও হার মানে।
ওকে খাবার দিতে এক মিনিট দেরি, এমন তাকায় যেন অপরাধ করেছি।
আমার ল্যাপটপের ওপর বসে ভাব নেয়, অফিসটা বুঝি ওর।
আয়নার সামনে বসে থাকে, নিজের সৌন্দর্যে নিজেই মুগ্ধ।
আমার বিড়ালকে আদর করতে গেলে ওর অনুমতি লাগে।
ওর ঘুমের সময় রাজকীয়, জাগার সময় ভয়ংকর।
বিড়ালটা আমাকে ভালোবাসে, তবে খাবারের চেয়েও বেশি না।
সারা ঘরে জায়গা থাকতে আমার বিছানাটাই ওর সবচেয়ে পছন্দ।
মেয়ে বিড়ালের একটাই নিয়ম, আদর হবে ওর মর্জিমতো।
ওর মুখটা কিউট, কিন্তু মেজাজটা একেবারে জমিদার বাড়ির।
বিড়ালটা এমন ভাব করে, যেন বাসাটা ওর নামে লেখা।
ওর মিউ মিউ শুনে আমি বুঝি, এবার খাবারের দাবি এসেছে।
আমার বিড়ালের সামনে নিজের ঘরেও নিজেকে অতিথি লাগে।
ওকে ডাকলে আসে না, খাবার খুললেই দৌড়ে আসে।
আমার বিড়াল ছোট, কিন্তু তার রাজত্ব বিশাল।
বান্ধবীর বার্থডে ফানি ক্যাপশন (English)
Happy Birthday, bestie! Older, but still acting the same.
অর্থ: শুভ জন্মদিন, বান্ধবী! বয়স বেড়েছে, কিন্তু আচরণ এখনো একই রকম।
Happy Birthday! You are not old, just more experienced at being dramatic.
অর্থ: শুভ জন্মদিন! তুমি বুড়ো হওনি, শুধু নাটক করার অভিজ্ঞতা আরও বেড়েছে।
Another year older, and still annoying me. Love you anyway!
অর্থ: আরও এক বছর বয়স বাড়ল, তবুও আমাকে বিরক্ত করেই যাচ্ছিস। তারপরও তোকে ভালোবাসি!
Happy Birthday to my favorite troublemaker.
অর্থ: আমার প্রিয় ঝামেলাবাজ বান্ধবীকে শুভ জন্মদিন।
Cake first, wisdom later. Happy Birthday, bestie!
অর্থ: আগে কেক খাওয়া হোক, বুদ্ধির কথা পরে হবে। শুভ জন্মদিন, বান্ধবী!
Happy Birthday to the girl who knows all my secrets.
অর্থ: যে মেয়েটা আমার সব গোপন কথা জানে, তাকে শুভ জন্মদিন।
Another birthday, another excuse to eat too much cake.
অর্থ: আরেকটা জন্মদিন, আরেকবার বেশি করে কেক খাওয়ার অজুহাত।
Happy Birthday! Please stay the same, I already know how to handle you.
অর্থ: শুভ জন্মদিন! এমনই থাকিস, তোকে কীভাবে সামলাতে হয় সেটা আমি এরই মধ্যে শিখে গেছি।
You are getting older, but thankfully not boring. Happy Birthday!
অর্থ: তোর বয়স বাড়ছে, তবে ভাগ্য ভালো এখনো বিরক্তিকর হয়ে যাসনি। শুভ জন্মদিন!
Happy Birthday to my unpaid therapist and food partner.
অর্থ: আমার বিনা বেতনের থেরাপিস্ট আর খাবারের সঙ্গীকে শুভ জন্মদিন।
Cheers to another year of our nonsense!
অর্থ: আমাদের আরও এক বছরের পাগলামির জন্য শুভকামনা!
Happy Birthday! May your cake be big and your problems be small.
অর্থ: শুভ জন্মদিন! তোর কেক হোক বড় আর সমস্যাগুলো হোক ছোট।
Another year, same crazy bestie. Happy Birthday!
অর্থ: আরও এক বছর পার হলো, কিন্তু আমার সেই একই পাগলি বান্ধবী। শুভ জন্মদিন!
Happy Birthday to the friend I can annoy forever.
অর্থ: যে বান্ধবীকে আমি সারাজীবন বিরক্ত করতে পারি, তাকে শুভ জন্মদিন।
You are older today, but don’t worry, nobody needs to know.
অর্থ: আজ তোর বয়স আরও এক বছর বেড়েছে, তবে চিন্তা করিস না, এটা কারও জানার দরকার নেই।
Happy Birthday! Let’s eat cake and forget our age.
অর্থ: শুভ জন্মদিন! চল কেক খাই আর নিজেদের বয়সের কথা ভুলে যাই।
My favorite person was born today. Happy Birthday!
অর্থ: আজ আমার প্রিয় মানুষটির জন্মদিন। শুভ জন্মদিন!
Happy Birthday to my partner in every bad decision.
অর্থ: প্রতিটি ভুল সিদ্ধান্তে আমার সঙ্গী হওয়া বান্ধবীকে শুভ জন্মদিন।
Stay crazy, stay happy, and save me some cake!
অর্থ: পাগলি থাক, খুশি থাক, আর আমার জন্য কিছু কেক রেখে দিস!
Happy Birthday, bestie. Life would be boring without you.
অর্থ: শুভ জন্মদিন, বান্ধবী। তুই না থাকলে জীবনটা অনেক বেশি একঘেয়ে হয়ে যেত।
বান্ধবীর খাবার নিয়ে ফানি ক্যাপশন
বান্ধবী বলল, “একটু খাব।” আমার প্লেট তারপর আর খুঁজে পাইনি।
ওর কাছে খাবার শেয়ার মানে, আমারটা ওর আর ওরটা ওর!
বান্ধবী আর খাবার একসাথে দেখলে আমার গুরুত্ব শেষ।
ওর খাবারের দিকে তাকানো দেখলে প্রেমও হার মানে।
বলল ডায়েট করবে, তারপর আমার বার্গারটা নিয়ে নিল।
ওকে খাবার লুকিয়ে রাখা মানে নিজের বিপদ নিজে ডাকা।
রেস্টুরেন্টে বিল দিই আমি, খায় সে। বন্ধুত্ব অটুট!
আমার প্লেটের শেষ পিসটার ওপরও ওর নজর থাকে।
“একটু চেখে দেখি” কথাটার আসল মানে আমি বহুবার বুঝেছি।
খাবার সামনে এলে বান্ধবী আমাকে চিনতেই পারে না।
ওর সাথে খেতে বসলে নিজের খাবার পাহারা দিতে হয়।
ছবি তোলার সময় খাবার আমার, ছবি শেষ হলে খাবার ওর।
বান্ধবীর ক্ষুধা আর আমার পকেট, দুটোই একসাথে শেষ হয়।
বুফেতে ওকে নিয়ে গেলে খাবারের জন্য দুঃখ লাগে।
বলল, “শেষ পিসটা তুই খা।” হাত বাড়াতেই দেখি পিসটা ওর মুখে!
খাবার এলে ওর বন্ধুত্ব সাময়িকভাবে বন্ধ থাকে।
ওর পেটের কাছে আমার যুক্তি কোনো কাজ করে না।
বান্ধবীকে খাবার দিলে ভালোবাসা বাড়ে, না দিলে ঝগড়া বাড়ে।
আমার খাবার দেখলেই ওর চোখে আলাদা মায়া চলে আসে।
বান্ধবী আর খাবার, এই প্রেমে আমি শুধু বিলদাতা।
